বুধবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১২

ঈদ, কুরবানির গরু, আনন্দ ও কালের বিবর্তন

কি আনন্দ। ঈদ। কুরবানির গরু। শিশু কাল-শৈশব কাল-যুবক কাল- মধ্য বয়স-বুড়ো কাল।

এক বন্ধু বলছিলো, দোস্ত দিন তো চলে যাচ্ছে।
হে, দিন তো যাবেই, সকাল, দুপুর, রাত। তুই এই তিন সময়ে কি করে, কিভাবে যাচ্ছিস সেটাই বিষয়। দিনের কথা বলে লাভ নেই্।

অনুভুতি, আনন্দ, উচ্ছাস, প্রয়াস। জীবনের একেকটা কালে একেক রকম। কুরবানির গরু নিয়ে চলুন দেখি আমাদের কালের বিবর্তন গুলো-



১. শিশুকাল-
হই হই হই গরু কিনছেরে গরু আসছেরে। হই হই। আমাদের গরু সবার চেয়ে বড়। হুররে

বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর, ২০১২

এজাহারের নমুনা


০৬-১০-২০১২
বরাবর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তরা মডেল থানা
উত্তরা, ঢাকা ১২৩০।

বিষয়:  এজাহার দায়ের প্রসঙ্গে।

জনাব,
যথাবিহীত সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এ যে, আমি নিু সাক্ষরকারী মতিউর রহমান ফয়সাল; পিতা-রফিকুল ইসলাম, সেক্টর-৯ বাসা-৪২, রোড-২, উত্তরা মডেল টাউনের বাসিন্দা অদ্য আপনার থানায় উপস্থিত হইয়া এই মর্মে এজাহার দায়ের করিতেছি যে, ১) রিপন(২৪) পিতা-আ: কদ্দুস; ২) কমল(২৪) পিতা- আসগর আলী; ৩)নবীন(২২) পিতা-আসাদুজ্জামান; ৪) শ্যামল(২৪) 
পিতা- আসাদ মিয়া। সর্ব সাং উত্তরা অত্র এলাকার সন্ত্রাসী, বখাটে, খুনি প্রকৃতির লোক। 

শনিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২

ইন সার্চ অব ভালবাসা-

এটা অবিশ্বাস্য নয়। বাস্তব। ভালবাসা তুমি অচেনা হতে পারো। তুমি আমার কাছ থেকে আমাকে কেড়ে নিয়েছ। নিজেকে হারিয়ে তোমাকে খুজে পেয়েছি। যে দিকে তাকায় সেদিকে তুমি। রাস্তায় হাটঁতে বের হলে মনে হয় তুমি তাকিয়ে আমায় অনুসরণ করছো। 

পড়তে বসলে মনে হয় তুমি আমার পড়ার ভূল গুলো ধরিয়ে দেয়ার জন্য পাশে বসে আছো। গাড়িতে চড়লে যেন তুমি পিছনের

বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১২

LAWYER-আইনজীবি কে? সনদ পেলেই কি আইনজীবি আইনজীবি হয়ে উঠবেন? আইনজীবির দক্ষতা সমূহ।

আইন পেশা সর্বজন স্বীকৃত মানবতা ও ন্যায়পরায়নতার পেশা। এটি ভন্ডামী,অসৎ মানুষের জায়গা নয়। তবে বর্তমানে এই পেশার প্রতি মানুষের বিরুপ মনোভাব লক্ষ করা যায়। অন্যতম সম্মানজনক পেশাটির প্রতি মানুষের ভুল ধারণা ও গুটি কয়েক আইনজীবির অসত্য প্রতারণার আশ্রয়ে গোটা সমাজ কলুষিত হওয়ার উপক্রম। তবে শিক্ষিত লোক মাত্রই এই পেশার গুরুত্ব, অবস্থান ও সম্মান বিষয়ে সচেতন।


'আইনজীবি একজন ব্যক্তি, যে আইন অনুযায়ী স্বীকৃত আপনাকে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা দিতে আইন ও মামলার বিষয়ে।'

রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১২

এক দেশের এক স্বপ্ন ছিল

এক দেশে ছিল এক রাজা, সে তার প্রজাদের ভালবাসতো কিন্তু তা ছিল দেখানো। তলে তলে সে প্রজাদের ক্ষতি করার জন্য চেষ্টায় থাকতো।
সে তার প্রজাদের সুখ দেখতে পারতো না। প্রজারা নিজের সম্পতি, মেধা ব্যবহার করে জীবনে ও দেশের সম্মান ও সুখ আনলে তাও দেখতে পারতো না। কেউ নিজের পরিশ্রম ও মেধায় উন্নতি করলে তাকে রাজ্যে একঘরে করা হত। পুরুষ্কার না দিয়ে রাজ্যের সভাসদদের দিয়ে নিয়মিত তিরষ্কার করতো।

সে দেশে এক সময় সবার ঘরে বাতি জ্বলতো না। কিন্তু ধীরে ধীরে সবাই বাতি জ্বালানোর মত সার্মথ অর্জন করলো, তা দেখে সেই রাজার মনে জ্বলুনি। সে নির্দেশ দিলো দিনে দুইবার বাতি নিভিয়ে অন্ধকার করে সবাইকে শাস্তি দিতে হবে। তাই করা হচ্ছে নিয়মকরে। যদিও সে দেশ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর কিন্তু রাজার সদিচ্ছার কারণে তা ব্যবহার করা হয় না।

সোমবার, ৩০ জুলাই, ২০১২

আমি আবার বেশি বুঝনেওয়ালা পোলাপান দেখবার পারি না। ইচ্ছে করে দেই হান্দায়া ডেগার

এই কথোপকখনের ঘটনা ও চরিত্র কাল্পনিক। কারো সাথে মিলে গেলে তা কাক-কোকিলতালীয়। লেখক কিন্তু একদম দায়ী না।


আমি: আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন জনাব?
- হ ভাল আছি। কেডা তুমি?
আমি: আমি এই এলাকায় নতুন এসেছি। শুনলাম আপনি এই এলাকার নেতা। দেখলাম আপনি এলাকার সব কিছু দেখে রাখেন। সবাই আপনাকে মান্য করেন। তাই ভাবলাম আপনার সাথে পরিচিত হয়ে যায়।
- তোমারে তো নতুন দেখতাছি। তা করো কি? 

শনিবার, ২১ জুলাই, ২০১২

মধুটিলার পাহাড় ও বন-জংগলে হারিয়ে যাওয়া ও উপজাতি অতিথেয়তা।

সীমান্ত ঘেষা জেলা শেরপুর। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সাথে এই দিকে সীমানা প্রাচীর বাংলাদেশের। নালীতাবাড়ি, ঝিনাইগাতি উপজেলা মিশেছে সীমন্তের প্রান্তে।
পাহাড় ও সবুজ ঘন বনের সারি চারদিকে। বন্য প্রানীর অভয়ারণ্য ও উপজাতিদের আবাসস্থল এই দিকে। এখানে রয়েছে-গারো, ঢাল, কুচ, বাড়াল সহ বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠির বাস।

পাহাড়ের উপর স্থাপিত টাওয়ার থেকে দেখা যায় ভারতীয় বিএসএফ এর নজরদারী। ভাগ্য খারাপ থাকলে পড়তে পারেন বন্য হাতির খপ্পরে ! তবে বর্ষাকারে সম্ভাবনা কম। তারা নাকি ধান উঠানোর সময় আসে বেশি দল বেধে।

ঘুরতে গিয়েছিলাম বন্ধুরা মিলে নালিতাবাড়ির মধুটিলা ইকো পার্ক সহ পাহাড়ি জংগলে।
চলুন আমার সাথে আপনাদের ঘুরিয়ে আনি সেখান থেকে-


বন্য প্রাণীদের নিরাপদ আবাস নিশ্চিত করুন। বানরের হাতে।

শুক্রবার, ২০ জুলাই, ২০১২

মানুষ কাঁদে কেন?





চোখের জলে আবেগের প্রকাশ কে কান্না বলে। প্রতিশব্দ:ক্রন্দন ( উইকিপিডিয়া)

আমরা কেন কাঁদি? কেন চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পরে আর তখনি মনে হয় কি যেন নেই বা বুকের ভিতরটা কেমন যেন হালকা হয়ে যায়( আসলে মস্তিস্কে)

তবে কান্নার প্রধান কারণটা মানসিক।

মানুষের কান্নার বা চোখের পানি তিন ধরনের-

আমার মনের কিছু ছোট ছোট কথা...একান্ত মনের কথা।

আমার মনে ঘুর ঘুর করে যে কথা গুলো বা ভাব বা ধারণা গুলো তা শেয়ার করছি আপনাদের সাথে।
একান্ত ''আমার মন'' এর কথা। ধার করা কারো কথা নয়।

মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই, ২০১২

১৬ কোটি মানুষের সহায়তায় নাকি পদ্মা সেতু হবে, কিন্তু দেশে তো এত মানুষ নাই!

১৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের এই দেশে জনসংখ্যা কত?
কত জন নারী?
কত জন পুরুষ?


সাম্প্রতিক আদম শুমারীর রির্পোট প্রকাশ করা হয়েছে-যেখানে দেশের জনসংখ্যা নিম্নরুপ:-
২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৯৭ লাখ ৭২ হাজার ৩৬৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৮৬ জন এবং নারীর সংখ্যা ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৯১ হাজার জন।

সোমবার, ১৬ জুলাই, ২০১২

স্বাধীনতার ৪০ বছর ও কিছু অমূল্য সত্য=‌আর্শ্চয্য জাতি (সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক পোস্ট)

আমরা জাতি হিসেবে সংকর! অদ্ভুত আমাদের রুচি অদ্ভুত আমাদের ব্যবহার।
অদ্ভুত চিন্তা-ভাবনা। সব নিয়ে আমরা এক অন্যরকম স্বাধীন জাতি যারা প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন!
কেমন?
আপনি যা ইচ্ছা করতে পারবেন এই দেশে। এখানে আইন না মানাটা আইন।
মানুষ খুন করতে ইচ্ছা হল- সবার সামনে করে ফেলতে পারবেন। বাধা দিবে না কেউ।
পানের পিক টি ফেলার জন্য পযর্ন্ত আপনাকে হেটেঁ ডাস্টবিনে যেতে হবে না! যার তার দেয়ালে ফেলে দিন। কে কি বলবে!

পৃথিবীর একমাত্র এই দেশেই আপনি মনেরমত স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারবেন। মুক্তিযুদ্ধে আপনার ভাতের থালাটি যারা নিয়ে গিয়িছিল কেড়ে তাদের নিয়ে আপনি একি প্লেটে ভাত খেতে পারবেন এতে আপনার কোন সম্মান হানি হবে না বা কেউ কিছু বলবে না। আপনাকেই বাহ বা দিবে।

নীতি কথা লাগছে আপনার কাছে?
ঠিক আছে চলুন কিছু প্রমাণ দেখায়-

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২

নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র ও বটতলা থেকে ঘুরে এলাম

ময়মনসিংহের ত্রিশাল, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজরিত এলাকা। কবির শৈশব কেটেছে এখানে। এ বছর ১০০ বছর পূর্তি হচ্ছে ত্রিশালে নজরুলের আগমনের।

১৯১৪ সালে আসানসোল থেকে ত্রিশালের কাজীর শিমলা গ্রামের দারোগার বাড়িতে নজরুলকে নিয়ে আসেন কাজী রফিজউল্লাহ। কিছুদিন পর নজরুল জায়গির হিসেবে চলে যান একই উপজেলার বিচ্যুতিয়া ব্যাপারী বাড়িতে। পাশের গ্রাম নামাপাড়ায় বিশাল বটতলায় বাজতো কবির বাশিঁ। ২০০৮ সালে ব্যাপারী বাড়িতে স্থাপিত হয় নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র ও নজরুল গবেষণাগার।
এখানকার নজরুল উদ্যানে কবির লেখা কবিতা, গান ও কাব্যে স্থান পাওয়া বিভিন্ন বৃক্ষরাজি দেশবরেণ্য কবি, সাহিত্যিক, গবেষক, শিল্পী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে রোপণকৃত। যেভাবে আসবেন: ঢাকা হতে প্রায় ১০০ কি.মি ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলায় বাসে করে যেতে পারবেন। ত্রিশালে বাস থেকে নেমে, দুখুমিয়া বিদ্যালয় পার হয়ে ভ্যানগাড়ি বা রিকসাওয়ালাকে বললেই আপনাকে পৌছিয়ে দিবে দারোগা বাড়িতে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটের পাশেই কবির স্মৃতি বিজরিত ‘বটতলা’ যেখানে কবি বসে বাশিঁ বাজাতেন শৈশবে। বিশাল বটতলায় বসে আজ আর সেই সুর শুনতে পারবেন না। কিন্তু অনুভব করতে পারবেন মায়া।
সেই বটগাছ
হেটে সামনে ব্যাপারী বাড়ির দিকে চললাম। প্রিয় কবির স্মৃতি আকঁড়ে তৈরি করা হয়েছে নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রথম কেন্দ্রটি এখন ধ্বংসাত্বক। নতুন করে ২০০৮ সালে নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে এটি। বাড়ির আঙিনায় স্থাপিত হয়েছে দুটি ‘নজরুল স্মৃতিকেন্দ্র’।

পুকুরের পাড়ে বিশাল ভবন
২ তলা বিশাল বাড়ির নিচ তলাতে রয়েছে সম্মেলন কেন্দ ও উপরে ১৪০০ বই এর সংগ্রহ এবং কবি নজরুলের বিরল সব ছবি, কবির ব্যবহৃত পালঙ্ক ও গ্রামোফোন রেকর্ডসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। পুকুর পাড়ে টিন ও কাঠ দিয়ে তৈরি ঘরটি নজরুল গবেষণার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

স্মৃতিকেন্দ্রের লাইব্রেরী
বিশাল ভবনের পাশে রয়েছে সান বাধানো পুকুর ঘাট। গাছের সমাহার। দর্শনার্থীদের বসার জায়গা। এ স্মৃতিকেন্দ্রে রয়েছে কবির হাতে লেখা জাতীয় রণ সংগীত, কবির ব্যবহায্য গ্রামোফোন রেকর্ড ও কবির প্রাপ্ত বিভিন্ন পুরুষ্কার ও স্বরণীকা।

কবির ব্যবহৃত বাদ্যযন্ত্র
ত্রিশালেই রয়েছে দারোগাবাড়ি ও কবির স্কুল পালানো দিন গুলোর সেই স্কুল। কবির স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে এখানেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। নজরুল গবেষকরা নজরুলকে ফিরে পেতে, নজরুলকে জানতে ঘুরে আসতে পারেন এ স্মৃতিকেন্দ্র ও নজরুল জাদুঘর হতে।

কবির হাতে লেখা রণ সংগীত
 প্রতি বছর দরিরামপুরে প্রতিষ্ঠিত নজরুল একাডেমিতে আয়োজন করা হয় জাতীয় ভাবে নজরুল জন্ম জয়ন্তীর। তিনদিন ব্যপী মেলাসহ বিভিন্ন ধরনের আয়োজনে উদযাপন করা হয় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলমের জন্মদিবস। এ সময় গেলে ঘুরে আসতে পারবেন মেলা হতেও।


কিছু কথা: 
কেন্দ্রটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হওয়ার কারণে প্রতিদিন অনেক দর্শনার্থী আসে এখানে। কিন্তু এটি তেমন স্বমৃদ্ধ নয়। দর্শনার্থীদের বিনোদন, বসার জায়গা ও লোকবল বাড়ানো উচিত এখানে। স্মৃতিকেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারি, এখানে মোট ১৮টি পদ রয়েছে কিন্তু বর্তমানে মাত্র ৪ জন রয়েছে দেখাশোনার জন্য! সঠিক পরিচর্চা না করলে এটি দর্শনার্থীদের টানতে পারবে না, নজরুলের আর্দশ, শিল্প সাহিত্যের সাথে পরিচয়ে সফল হবেনা। আশা নিয়ে এসেও নিরাশায় ফিরে যেতে হবে নজরুল পিয়াসীদের।

 নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মানবতাবাদী আদর্শ বেঁচে থাকুক আজীবন।


সোমবার, ২ জুলাই, ২০১২

একটি উর্বর মস্তিস্কের ফসলে বেকারত্বকে বিদায় দিন

নদী মাতৃক দেশ। চারদিকে পানি পানি আর পানি। বেকার যদি হয়ে থাকেন আকার করে নিতে পারেন এখনি। খুব অল্প বিনিয়োগে। তবে মনে রাখতে হবে সব কাজই কাজ। কাজকে অবহেলা করলে হবে না হুম।


মাঝি: যে নৌকা চালায়। পেশায় মাঝি, শখের মাঝি, অবসরের মাঝি। বিভিন্ন রকম মাঝি হতে পারে। আপনি ভেবে নিন আপনি কোনটা হতে চান।

বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন, ২০১২

জলাবদ্ধতায় আবদ্ধ দেশের বাণিজ্যিক ও চায়ের রাজধানী।বাধ্য হয়ে আমাকেই সমাধান দিতে হচ্ছে

জল-আবদ্ধ হয়ে কোটি কোটি মানুষ কষ্ট করছে, পাহাড় ধসে মরলো কত জন! দেশের বাণিজ্যিক ও চায়ের রাজধানী। দুই সিটি কর্পোরেশনের দুই মহান মেয়র নিজেরাও বাড়িতে আটকে পড়েছেন পানির তোড়ে। সেখানে আমি নিজ উদ্যোগে এগিয়ে এলাম সমস্যা সমাধান করতে। :|
যা যা করতে পারে এখন তারা-

১. [sb]সিটি কর্পোরেশন ভেঙে ফেলুন-[/sb]
প্রথমেই কাজ হবে দুই সিটি কর্পোরেশন ভেঙে তা গ্রাম ঘোষণা দেয়া- সর্বময় ক্ষমতা থাকবে কৃষকদের হাতে। 
কৃষকরা ভাল করেই জানে কিভাবে ক্ষেতের পানি বাইরে বের করতে হয়, আর কিভাবে নালা দিয়ে ক্ষেতে পনি ঢুকাতে হয়। 

বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২

বাংলার সমুদ্র সৈকত-যেথাই হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, গর্বে ভাসে বুক

সব দেশের কিছু না কিছু থাকে যা অমূল্য সম্পদ। যাকে ঘিরে গড়ে উঠে স্বপ্ন আর জীবন। 
যার টানে বারবার ছুটে যেতে চায় মন। তেমনি এক সম্পদ, বঙ্গোপোসাগরের পূর্ব উপকূলেকক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। 
http://amarbornomala.com/uploadedimage/8759sea.jpgদিগন্ত যেখানে মাথা নুয়ে চলে। উত্তাল সমুদ্রের মাঝিদের গান হঠাৎ যেখানে কানে বাজে। নীল জলরাশির ফেনায় ভর করে মন যেথায় নাচে অজান্তে! বিশালতার মাঝে নিজেকে খুজে ফেরার তাড়নায় উৎকন্ঠিত আর সারি সারি ঝাউ বনের ফাকে তপ্ত রোদে গরম বালুর পরশ। সব মিলিয়ে এক অনাবিল,অন্যরকম মোহ কাজ করে নিজের মাঝে।


একসময় হলুদ ফুলে ছেয়ে ছিল গোটা কক্সবাজার। তাই নাম হয়ে ছিল এর প্যানোয়া যার অর্থ-হলুদ ফুল। হলুদ ফুলে ঝকমক করত তাই পরবর্তীতে নাম হয় পালংকী।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য সম্পর্কে ছিলেন উদাসীন। ব্রিটিশ শাসনামলে একজন ইংরেজ ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স অষ্টাদশ শতকে পালতোলা কাঠের জাহাজে করে এখানে এসে নামেন।* ১৭৯৯ সালে তিনি এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন। পরবর্তীতে হিরাম কক্সের নামানুসারেই এলাকাটির নামকরণ করা হয় কক্সবাজার নামে।

আধুনিক ছেলেপেলে বলে ড্রিংকস। অ্যালকোহলে নাকি স্মার্টনেস বাড়ে!

নেশা যায় হোক না কেন তা খারাপ।বলা হয়ে থাকে প্রতিটি নেশার ফল হচ্ছে মৃত্যু। http://amarbornomala.com/uploadedimage/9671alcohal.jpgবিজ্ঞানীরা নতুন নতুন আবিস্কারের নেশায় থাকে এটা ইতিবাচক কিন্তু অনেক নেতিবাচক নেশা আছে যা শুধু আপনাকে তলানিতেই নিয়ে যাবে সেখান থেকে বের হয়ে আসতে দিবে না। আপনাকে আঁকড়ে রাখবে, অন্যরকম টান সৃষ্টি করবে। শিকড় গেড়ে দিতে চাইবে আপনার চারপাশে যেন আপনি নেশা থেকে ফিরে আসতে না পারেন।
-দোস্ত চল আজ ড্রিংকস করবো।অনেক মজা হবে।
বন্ধুদের আড্ডায় অনেক শোনা যায় কথাগুলো।
ড্রিংকস করাটাকে স্মার্টনেস হিসেবে দেখি অনেকেই। এতে নাকি খারাপ কিছু নেই!! 

শুকুরী আমার ভালোবাসা, আমার হৃদয়।আমাকে একা রেখে সে চলে গেছে,আমি ছেড়ে থাকতে পারব না(সত্যিকারের এক প্রেম কাহিনী)

http://amarbornomala.com/uploadedimage/1859love-pure.jpgআমদের হাফিজউদ্দিন-
যিনি ভালবাসার জন্য আজো লড়াই করছেন। নিজের প্রিয়তমাকে খুজে ফিরছেন চারপাশে। একটি বার মিলিত হওয়ার জন্য অধীর ভাবে বসে থাকেন এখনো কবরের পাশে।
পঞ্চগড়ের হাফিজউদ্দিনের কাছে শাহজাহান মাথা নুয়ে পড়তেন যদি বেঁচে থাকতেন।
এটি শুধুই আবেগের কথা সত্যিকারের ভালবাসার কথা যা এখন আপনারা পড়বেন।

প্রবল প্রতাপশালী একজন সম্রাট শাহজাহান। নিজের স্ত্রীকে ভালবেসে দেশের সব সম্পদ ধ্বংস করে,হাজার হাজার শ্রমিকের আঙুল কেটে, রাজ্যে দুর্ভিক্ষ নামিয়ে তৈরি করেন আশ্চর্য্য নির্দশন 'তাজমহল'।
কিন্তু আপনি কি জানেন-

অবশেষে একটি ঘোড়ার মহানগর জয়

http://amarbornomala.com/uploadedimage/3680gora.jpg
মাত্র ১৫০০ টাকায় ঘোড়া কিনলাম। বাসার নিচে পার্ক করে রাখলাম অন্য গাড়ী গুলোর সাথে,খেতে দিলাম কচি ঘাস আর পানি। 
সকালে ঘোড়া নিয়ে ছুটলাম ভার্সিটিতে। এই যুগে ঘোড়ার পিঠে চড়ে-মানুষ! শার্ট,প্যান্ট আর কাধে ব্যাগ নিয়ে এক সুদর্শন ছেলে। অনেকেই নাক সিটকাল আর অবাক বিস্ময়ে চোখ কপালে তুলল। ভার্সির্টিতে ঘোড়া রাখার জন্য জায়গা না পেয়ে রাখতে হল বাইরে রাস্তায় অন্যসব গাড়ীর সাথে পার্ক করে! মহানগরীতে রব উঠে গেল আমার ঘোড়া নিয়ে। 

অশ্লীলতার আইন-আইনে অশ্লীলতার সংজ্ঞা ও মূল্যবোধ

আমাদের দেশের অধিকাংশ আইন এসেছে ব্রিটিশ আইন থেকে। অশ্লীলতার আইন তার ব্যতিক্রম নয়। ১৭১৭ সালের আগে ইংল্যাণ্ডে অশ্লীলতার বিচার হত ধর্মীয় আদালতে। কোনো বই অশ্লীল - সেটা ঠিক করতো ইংল্যাণ্ডের চার্চ। ১৭১৭ সাল থেকে স্থির হয় যে অশ্লীলতার বিচার হবে সাধারণ আদালতে। ১৮৬৮ সালে হিকলিনস মামলায় অশ্লীলতার যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, মোটামুটি ভাবে তারই উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে অশ্লীলতা আইনগুলি রচিত।

অশ্লীলতা বলতে আমরা কি বুঝি-

মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১২

কত টুকু ক্ষোভ মানুষ জমিয়ে রাখতে পারে অন্তরে? কাছে টেনে পাশে রেখে জানতে চাইলে বুঝতে পারবেন।



পাগলের মত একজন লোক রাস্তায় দাড়িয়ে চিৎকার করছেন! হাতে বাজারের ব্যাগ অন্যহাতে কিছু সজনে ডাটা ও ফাইল-

এত এত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে কি হবে ! সব খানে তো সমস্যা, নীতি নাই, ভাল কিছু নাই, এইসব থেকে বের হয়ে সব তো ধ্বংস করবে। দরকার কি এই সব শিক্ষার। আমি দুর থেকে চিৎকার দিয়ে বললাম- আংকেল ভাল মানুষ ও নাই!

আমার কথাটা উনার কানে তীরের মতই লাগলো। হে! তুমি তো বাবা ঠিক কথাটা বলছো বলতে বলতে কাছে আসলেন।

আমরা বন্ধুরা বসে ছিলাম চায়ের দোকানে। হঠাৎ পাগলের মত এক বয়স্ক লোকের চিৎকার শুনে প্রথমে মাথা খারাপ বলেই ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু কাছে আসার পর উনার চোখের পানি আর বুকের ভিতরে জমে থাকা ক্ষোভ আমাদেরকেও নাড়িয়ে দিল !

কত টুকু ক্ষোভ মানুষ বুকের ভিতর জমিয়ে রাখতে পারে? কাছে টেনে জানতে চাইলে বুঝতে পারবেন।

হায় হায়... এটা কি শুনলাম ! (জনগণ ও নেতাদের অবস্থা) হি হি হি হি.......... !

বাংলাদেশের একটি ছাত্র হোস্টেল। কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে সবাইকে চলতে হয়। হোস্টেল-সুপারের মেজাজ-মর্জি সব সময় এত গরম থাকে যে, কখনো যম না দেখলেও হোস্টেলের সব ছাত্র জমের মতই ভয় পায়।

সর্বমোট ১০০ জন ছাতো থাকে সেই হোস্টেলে। একদিন সকালে সকল ছাত্রকে হোস্টেল সুপারের কাছে ডাকা হল। কী এমন কারণ যে হঠাৎ জরুরী তলব। সকলেই ভয়ে সুপারের সামনে উপস্থিত হল সাত-সকালে। এর মধ্যে নিজেদের মাঝে ফিসফিস করে জানার চেষ্টা করছে বিষয়টি। কিন্তু কেউ জানে না। এমন কি অনুমানও করতে পারছে না। কিছুক্ষণ পর হোস্টেল সুপার এসে উপস্থিত হলেন।

হোস্টেল সুপার (গম্ভীর মুখে): তোমাদেরকে একটি জরুরী বিষয় জানানোর জন্য ডেকেছি। তা হলো, কিছুদিন থেকে প্রায় রাতেই আমার রুমে কেউ একজন বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করছে।

তখন সম্মেলনে উপস্থিত ২০০০+ তরুন সমর্থন জানাচ্ছিলাম আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের কথায়।

গত ২ জুন, অনুষ্ঠিত হল 'ইয়ুথ ইনগেজমেন্ট এন্ড সার্পোট'(YES) জাতীয় সম্মেলন ২০১১--১২ বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। ২০০০+ জন ইয়েস সদস্য ও দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিত্ব সহ অনেক অতিথী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন সেখানে। 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্ট্যারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) এর অনুপ্রেরণায় দেশের তরুন স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে গঠিত ইয়েস গ্রুপ। সারা বাংলাদেশে মোট ৬০ টি ইয়েস দল আছে। ৪৫টি দল ঢাকার বাইরে যারা সেইসব অঞ্চলের সচেতন নাগরিক কমিটির(সনাক) তত্বাবধানে দুর্নীতি বিরোধী ক্যাম্পিং করে থাকে নিজেদের মেধা ও ধ্যান ধারনা বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন আয়োজনে। 

অনুষ্ঠানে ‘দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে আমরা তরুণ: অর্জন, চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন টিআইবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মহাসচিব কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, কোষাধ্যক্ষ দ্যা ডেইলি স্টার এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

পাগল হওয়ার সবচেয়ে বড় লাভ-যা ইচ্ছে বলে যেতে পারবেন, আইনের সাধ্য নেই আপনাকে আটকাবে।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের বিরোদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হচ্ছে ফেসবুকে জনাব প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করার কারণে।
সুত্র- রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হচ্ছে এক ছাত্রের বিরুদ্ধে

রাষ্ট্রদ্রোহ: কোন ব্যাক্তি কথিত বা লিখিত শব্দাবলীর দ্বারা অথবা সংকেতসমূহের দ্বারা, বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির দ্বারা আইনবলে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা অবজ্ঞার সৃষ্টি করে বা করার উদ্যোগ করে বা বিদ্ধেষ সৃষ্টি করে বা করার উদ্যোগ করে তা রাষ্ট্রদ্রোহিতা(ধারা-১২৪ক দন্ডবিধি,১৮৬০)। 
ঘৃণা,অবজ্ঞা বা বিদ্ধেষ সুষ্টি বা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহন করা সরকারের বিরোদ্ধে অপরাধ হিসেবে গন্য হয়। 
*সরকার=জনগণ+রাষ্ট্রপরিচালনার ব্যক্তিগণ।

আমরা মনে হয় আর মানুষ হতে পারবো না। পরিচিত হয়ে যান পশু সমাজের নতুন প্রতিনিধির সাথে।

চোর হোক আর যায় হোক! প্রাণী জগতের কোন্ প্রজাতি তার নিজের প্রজাতিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে?
আমরা মনে হয় আর মানুষ হতে পারবো না।
বাঁচার আকুতি অপেক্ষা করে অন্যকে খুন করা একমাত্র পশুদের কাজ ছিল, কিন্তু আজ পশুদের পাল্লা শুধু বেড়ে চলছে চারদিকে।

 

পশু সমাজের নতুন প্রতিনিধী আফরোজ মিয়া পিটিয়ে মেরে ফেলেছে সিলেটের এই তরুন টিকে। ভাষা হারিয়ে মানুষের সংজ্ঞা খুজছি আজ।

জাতির ভবিষ্যৎ দের জন্য আইন-রক্ষা করুন শিশুদের অধিকার-নিয়ন্ত্রন করুন শিশু শ্রম।


 
কেন হয় শিশু নির্যাতন?
সবল দূর্বলের উপর আক্রমণ করবে এটা যেন আমাদের চিরায়ত রীতি হয়ে বার বার চোখের সামনে ধরা দেয়। আজকে যে শিশু কাল হবে সে বিশ্বের রাজা! এটা আমরা সবাই বলি- কিন্তু সেই রাজাকে রাজার মত বেড়ে উঠতে দেয় না! কারণ-আমাদের মূখ্যতা,নিচু মনের পরিচয়,মানুষের প্রতি ভালবাসার অভাব তাদের কে জেনে না জেনে অঙ্কুরেয় বিনাশ করতে ব্যস্ত ! শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য যে পরিবেশটা প্রয়োজন সেটা আমরা সরবরাহ করতে পারিনা। আমাদের আছে সাধারণ সেন্সের অভাব। নিজে বড় হ্ওয়া মানেয় পৃথিবিটা বড় হ্ওয়া নই তা আমরা বুঝতে চাইনা। তাই করি নির্যাতন।

আসুন এক নজরে দেখে নেয় শিশুদের নিয়ে কিছু আইন

রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১২

কে আছো সাহসী নারী সহযাত্রী হবে ?


আজ মুক্তির উল্লাসে ঘুরে মরি নীলিম আকাশে
কে আছো সাহসী নারী সহযাত্রী হবে ?
কি দু:সহ ব্যস্ততা আর ভয়ংকর অভিজ্ঞতার পাল্লা নিয়ে
কম্পমান হয়ে ছুটবে আমার পাশে!


মুগ্ধ হয়ে যাবে দেখে আমার রুপ।
জমাট অন্ধকার ভেদ করে আমাকে চিনতে আসবে

শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১২

আপনার চোখের সামনে নিয়মিত ঘটছে আর আপনি!



ছবিটি দেখুন। দুইটি বাচ্চা ছেলে একজন যাত্রীর পা ধরে বসে আছে! মাফ চা্ওয়ার জন্য নই! টাকা না দিলে তারা পা ছাড়বে না। এটাই তাদের আয় করার নিয়ম। নিয়মিত তারা বাস স্টেশন,রেল স্টেশন,সদর ঘাটে এমন কি বিমান বন্দরে এই ভাবে ভিক্ষা করছে।
 যাত্রীদের বাধ্য করে টাকা দিতে,এভাবে, সবাই টাকা দিতে বাধ্য হয় কোন ধরনের বুঝানোতেই কাজ হয়না! আর প্রেমিক জুটি থাকলে তো কথায় নেই-একটা নিদ্রিশ্ট টাকা দাবি করে-ভাবি ভাবি বলে চিৎকার করতে থাকে মুখে যা আসে তাই বলে বসে! তাই বাধ্য হয়ে তাদের টাকা দিতে হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১২

একজন উকিল বিয়ের আগে মামলা পেলে বিয়ের পর শেষ করে! আইনজীবী নিয়ে কিছু কথা

বলা হয়ে থাকে-
একজন উকিল বিয়ের আগে মামলা পেলে বিয়ের পর শেষ করে আর বিয়ের পর মামলা পেলে ছেলে উর্পাজনক্ষম হওয়া পযর্ন্ত মামলা চালান!


এই ধরনের উকিলদের কারণে অনেক সম্মানের আইন পেশাকে আজ প্রতারণা বলে ও অসম্মান করা হয়।


কিন্তু প্রকৃত পক্ষে অনেক আগে থেকে আইনজীবীদের সম্মান সমাজের সবার উপরে ছিল। পরিবারে একজন আইন জীবী থাকলে সেই পরিবারের সম্মান বেড়ে যেত।

চীন দেশের শিক্ষনীয় গল্প

গরুর উদ্দেশ্যে সঙ্গীতযন্ত্র বাজানো-


প্রাচীনকালে কুং মিং ই নামে একজন সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন। তার বাজানো সঙ্গীত অনেক সুমধুর। অনেকেই তার বাজানো সঙ্গীত শুনতে পছন্দ করতেন।
এক দিন, কুং মিং ই গ্রামাঞ্চলে যান। তিনি দেখতে পান, হাল্কা বাতাসে গাছের পাতা নড়ছে। একটি গরু মাঠে ঘাস খাচ্ছে। তিনি এমন সুন্দর দৃশ্য দেখে তার মনে সঙ্গীতযন্ত্র বাজানোর ইচ্ছে জগে। তাই তিনি তার গরুটির উদ্দেশ্যে বাজানো শুরু করেন। কিন্তু এতে গরুর মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় নি। গরুটি শান্তিভাবে আপন মনেই খাস খেয়ে যাচ্ছিল। ঘাস খাছে। কুং মিং ই ভাবলেন, হয়তো তার এ সঙ্গীত গরুটির কাছে দুর্বোধ্য বা ভালো লাগে নি, তাই তিনি তার যন্ত্রে আরো কয়েকটি সহজ সঙ্গীতের সুর বাজাতে থাকেন। তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যন্ত্র সঙ্গীতের সুরে গরুটির কোন প্রতিক্রিয়াই দেখা গেলো না। কুং মিং ই এতে অনেক হতাশ হয়ে পড়েন।


আত্ব হত্যা করাটাও মানুষের মৌলিক অধিকারে রুপ নিতে পারে। তবে শর্ত প্রযোজ্য!

বেঁচে থাকা মানুষের একটি মৌলিক অধিকার হলে মরে যাওয়া বা আত্মহত্যা করাও মানুষের মৌলিক অধিকার হবে না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছিল ভারতের গুজারিশ সিনেমাটিতে। বাস্তবে কিন্তু এমন ঘটনা রয়েছে যা আদালতেও মিমাংসা করা যায় নি।


ভারতে একজন নারীর যন্ত্রণাহীন মৃত্যুর জন্য করা আবেদন সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল। ওই নারীর নাম অরুণা শ্যানবাগ। ১৯৭৩ সালের পর থেকে প্রায় ৩৭ বছর তিনি হাসপাতালের শয্যায় অচেতন অবস্থায় ছিল।

সেরা সম্পদ-

সদা জাগ্রত নিবেদিত আমরা
চিত্ত ভয়হীন অসংকোচ প্রকাশে উদ্দাম
সত্য পথ আর পথিকের প্রেরণা
দুর্নীতি মুক্ত হৃদয়ে সাহসী তরুণেরা।