শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৩

প্রধানমন্ত্রীর পোলাও রান্না দেখে মুখে আসে জল না থুক্কু চোখে আসে জল, বাঙালি নারী জিন্দাবাদ।


প্রধানমন্ত্রী'র পোলাও রান্না দেখে জাতি আজ আবেগে আপ্লুত, এক মায়ের ভালোবাসার কাছে হারিয়ে গেল সব অভিযোগ, ক্ষোভ। বাংলার ঘরে ঘরে পোলাওয়ের গন্ধে মাতোয়ারে। ঈদের আগেই পোলাওয়ের গন্ধ।

কিন্তু আমার মনে পরে যাচ্ছে আমার নিজ হস্তে জীবনের প্রথম পোলাও রান্নার দৃশ্যটি:

সে এক দিনছিল বটে,
বর্ষার আকাশ ভেঙে বৃষ্টি চারদিকে, মনে শখ জাগলো খিচুরি না রেঁধে আজ পোলাও রান্নার

বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৩

রান্নার অনুষ্ঠান নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক প্যাচাল, পরবর্তী পর্ব কি কবরখানায়? নাকি আফ্রিকার জংগলে?

চ্যানেল আই এর ইফতার রান্না বিষয়ক একটা অনুষ্ঠান হয় যেখানে রাধুনি 'কেকা ফেরদৌসী' দুবাই এর বালুচর, মরুভূমি, সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু করে খোলামাঠ, বৃহৎ দালানে রান্না করে দেখাচ্ছেন।

এটি রান্নার অনুষ্ঠান না বলে পর্যটনের অনুষ্ঠান বলা ভাল। বিদেশে এত টেকা খরচ করে অপরিচ্ছন্ন রান্না দেখানোর কি আছে! উনি একজন রন্ধন শিল্পিই নন, একই সাথে খাদক বুঝায় যায়। যত্ব নিয়ে তৈরি করা রেসিপি গুলোতে যুক্ত হচ্ছে ধুলা-বালি, কাকের ইয়ে, ভাসমান কিট আর এক্সট্রা ফ্লেভার।



কোন কোন চ্যানেলে আবার সম্মানিত অতিথিরা (মিডিয়া ব্যক্তিত্ব) উপস্থিত থাকেন যেখানে

রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৩

জানু, জানো এখন আমি কি করছি?

জানু, জানো এখন আমি কি করছি?
-কি করো গো!
-দুই পাশে গাছের সারি, নীলাকাশ ছোয়া বৃক্ষরাজি তার মাঝ দিয়ে বয়ে চলে সমান্তরাল রেললাইনে হাটছি। কল্পনায় তোমার হাতটি ধরে ভেসে যাচ্ছি স্বপ্নের দেশে।
-ওয়াও অনেক রোমান্টিক জায়গা তাই না জান?
-আচ্ছা যদি হারিয়ে যাই আমরা এই পথ ধরে...
-উ, তারপর?
-তারপর.. আহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহ

শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৩

“কুতুবপুর গ্রামে ছিল সাহিত্যের রাজকুমার হ্যার কীর্তি যত বলব কত হোন্তে চমতকার।।

Photo: আমরা মমিসিঙ্গের মানুষ, আমরার আপনাজন হুমায়ুন আহামেদ স্যারকে নিজের মত স্বরণ করমু নাকি কন?
স্যারেরে লয়া একখান পুথি রচনা করিয়াছিলাম গত বছর ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে।
সবাই গুলওয়া বইন- পুথি পড়া শুরু করতাছি, শেষ না কইরা কিন্তুক উঠুন জাইত না কয়া রাখলাম:-
বিছমিল্লাহ খোদার নাম আরম্ভ প্রথম
দ্বিতীয়ত ছোয় কল্পে নবীরও কদম ।
শুনেন শুনেন ব্লগারবাসী শুনেন দিয়া মন
কুতুবপুরের রাজকুমারের কথা করিবো বর্ণণ।

“কুতুবপুর গ্রামে ছিল সাহিত্যের রাজকুমার
হ্যার কীর্তি যত বলব কত হোন্তে চমতকার।।
আহা, হোন্তে চমতকারররররর.....

হাই-
কত সৃষ্টি কত নতুন ভর দিলো সে মাইনসেরে
তা কইতে মুখের ফেনা মুখের উপর পরে।
রত্না গর্ভা মায়ের তারা তিনটা মাত্র ভাই
নিজ নিজ ক্ষেত্রে সবাই গড়িছে সম্মান
আহা গড়িছে সম্মান.....।।

হঠাৎ একদিন রাজকুমার পড়িলো মহা রোগে
বিধির বিধান সয়ে চলে গেলো অন্ধ অচিনপুরে
আহা, অন্ধ অচিনপুরেএএএএ.........।।

আজ,
সারা দুইন্যা কাইন্দা মরি আকাশ পানে চাইয়া
এমন সম্পদ অকালে হারায়লাম বইল্যা
আহা হারায়লাম বইল্যা....।।

কিন্তু- র্কীতিমানের কি নাই?
-মৃত্যু নাই।

আরে র্কীতিমানের মৃত্যু নাই জানি আমরা হগ্ল্গলে
থাকবেন রাজকুমার সবার মনেরো ভিত্তরে
আহা মনেরো ভিত্তরে.....।।

এই বলিয়া পুথি আজি করিলাম গো শেষ
ভুল ত্রুটি ক্ষেমা দিবেন থাকবেন সবে বেশ।


*নেত্রকোণা কেন্দুয়ার কুতুবপুর গ্রামের সেই রাজকুমারকে স্বরণ রাখবে মানুষ, যত দিন বাংলা ও বাংলা ভাষা আছে।
*পুথিটি 'ময়মনসিংহ গীতিকার' অনুকরণে লিখিত।
আমরা মমিসিঙ্গের মানুষ, আমরার আপনাজন হুমায়ুন আহামেদ স্যারকে নিজের মত স্বরণ করমু নাকি কন?
স্যারেরে লয়া একখান পুথি রচনা করিয়াছিলাম গত বছর ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে।
সবাই গুলওয়া বইন- পুথি পড়া শুরু করতাছি, শেষ না কইরা কিন্তুক উঠুন জাইত না কয়া রাখলাম:-

বিছমিল্লাহ খোদার নাম আরম্ভ প্রথম
দ্বিতীয়ত ছোয় কল্পে নবীরও কদম ।
শুনেন শুনেন ব্লগারবাসী শুনেন দিয়া মন
কুতুবপুরের রাজকুমারের কথা করিবো বর্ণণ।

“কুতুবপুর গ্রামে ছিল সাহিত্যের রাজকুমার

যে ভাষায় মস্তিস্ক ব্যবহার হয় না, হয় শুধু বাক-যন্ত্রের!

রাজনীতিবিদরা যদি মানুষের ভাষায় কথা বলতেন তাহলে গণতন্ত্রের জোয়ারে অনেক আগেই দেশ ভেসে যেত। ভাবছেন তাহলে রাজনীতিবিদরা কোন ভাষায় কথা বলেন?

উনারা দাবি করেন তাদের ভাষার নাম রাজনীতির ভাষা বা রাজনৈতিক ভাষা। মানুষের ভাষা ও তাদের ভাষার মাঝে বিন্তর ফারাক বিদ্যমান।
আপনার জমে থাকা স্বপ্ন, ইচ্ছে, কামনা-বাসনা, আকাংখা গুলো খুজে পাবেন তাদের ভাষার মাঝে। এর ভিতর লুকায়িত থাকে সুপ্ত ও

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৩

এক যে ছিল মজার দেশ- সে দেশটা রুপকথার দেশের থেকেও সুন্দর ও স্বপ্নে ভরা

তকাল তো রুপকথার গল্পে মজার মজার দেশের কথা পড়েছেন, শুনেছেন। তেমনই এক মজার দেশের মজার মজার গল্প শুনাবো আপনাদের- তবে মনে রাখবেন, সে দেশটা রুপকথার দেশের থেকেও সুন্দর ও সব চরিত্র কাল্পনিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত।

সেদেশের এক মন্ত্রী সদ্য অন্য মন্ত্রণালয় থেকে বিতাড়িত হয়ে ডিজিটাল মন্ত্রণালয়ে যোগ দিলেন।

অফিসের প্রথম দিন- সবার সাথে পরিচিত হয়ে তিনি নিজের রুমে ঢুকলেন, এক ক্লাস

যে কোটা গুলো খুবই দরকার- এই কোটা গুলো যুক্ত করার দাবি জানাই

কোটা নিয়ে বিরাট ক্যাচাল চলছে, যেখানে আমি নিজেও কোটাহীন একজন। তবে বিসিএস দিতে কেমন লাগে এটা বুঝতে দিয়েছিলাম বিসিএস, এবং সাফল্যের সাথে কোটাধারীদের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়েও অকৃতকার্য! ভাগ্যিস না পড়ে দিয়েছিলাম নইলে তো আরেকজন মেধাবির ক্যাডার হওয়া থেমে যেত আমার কারণে!
কোটা-কোটি নিয়ে কথা বলতে, শুনতে গিয়ে নতুন কিছু কোটা প্রথা চালুর প্রয়োজন মনে

বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৩

Me and my voluntary works


----------------- Please Read from the bottom--------------- 

 

The person behind everything is me, a Top achiever of Bangladesh Scout's (Got President's Scout award in 2005 for outstanding scout activities)