রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৩

ভোক্তা অধিকার ও খাদ্য নিরাপত্তা আইন কখন

consumer_protection বেঁচে থাকার জন্য যে সব বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হয় ও বিশ্বাস করতে হয় তা হচ্ছে খাবার যোগ্য খাদ্য। কিন্তু সে খাবারটিই যদি হয় বিষাক্ত বা ভেজাল অথবা আপনার ক্ষতির যোগ্য তবে সভ্যতা অগ্রগামী বলা যায় না। অথবা যে পণ্যটি আপনার জীবনকে সহজ করে দেয়ার জন্য ব্যবহার করতে চান, বা আপনার কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে তা যদি হয় ত্র“টিপূর্ণ বা অসংগতিময় অথবা আপনাকে ঠকানোর জন্য নকল করা তবে ভোক্তা হিসেবে কি মূল্য থাকছে আপনার?

ভোক্তা বলতে আমরা বুঝি,

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩

জাতীয় পতাকা উড়ানোর নিয়ম- অবমাননা নয়, দেশপ্রেম দেখানো নয় অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করুন।

আমার পতাকা, আমার মা, আমার দেশ নয়, এটি আমাদের পতাকা, আমাদের মা, আমাদের দেশ। এটির কোন রুপ অবমাননা সহ্য করা সম্ভব নয়। কিন্তু তাই তো করে চলছি আমরা প্রতিনিয়ত জেনে বা না-জেনে! দেশপ্রেম দেখাতে গিয়ে অপমান করে চলছি নিজের অস্তিত্ব অর্জিত পতাকাকে। অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করুন, লোক দেখানো নয়, সম্মানের সাথে এই ডিসেম্বর(সবসময়) মাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ব্যবহার করি চলুন। জেনে, না-জেনে, অতি উচ্ছাসে করে চলছি অবমাননা।

দেখা যাচ্ছে, বিজয়ের মাসে অনেকে বাসা-বাড়িতে-গাড়িতে-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করে বসে আছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা হয় কিন্তু পতাকা নামে না, সুর্য্যদয় থেকে কালো রাত্তির অন্ধকার পতাকা উড়ছে তো উড়ছেই। দেশপ্রেমের চুটে ভুলেই গেলেন পতাকা সন্ধ্যায় নামাতে। কিন্তু এটি যে জাতীয় পতাকার অবমাননা। শহিদের রক্তের প্রতি অপমান!

নিজের ইচ্ছেমত মাপে, রঙে বানিয়ে আখাম্বা একটা খুটি তে উড়িয়ে দিলেন। রোদ-ঝড় বৃষ্টি, ধুলায় রঙ জ্বলে ফ্যাকাসে হয়ে পচে নষ্ট না হওয়া পযর্ন্ত পতাকা সেই খুটিতেই রয়ে যায় অনেক সময়। খেয়ালও করছেন না। রাস্তার পাশের বাড়িগুলোয় খুঁজলে এখনও পাওয়া যেতে পারে গতবছর টানানো পতাকাটি নষ্ট হয়ে ঝুলে আছে।

এ দেশের সরকার, আইন নিজের গতিতে চলে, এইধরনের আবেগ-অনুভতির জায়গা গুলো দেখার সময় কোথায় তাদের কাছে? দেশপ্রেমের অভাব, নিজের অস্তিত্ব অর্জণকে ভুলে থাকা অভ্যাস আমাদের। কিন্তু চলুন একটু সামান্য সচেতন ভাবে চলি, পতাকার অবমাননা রোধ করি। যদিও আইন রয়েছে অবমাননা প্রতিরোধে, আছে তাতে শাস্তির বিধানও।

চলুন জেনে নিই জাতীয় পতাকা টানানোর নিয়মঃ

১. সর্বদা পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন করিতে

মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৩

Funny laws around America

Kentucky

-Throwing flowers at a public speaker could result in up to one year in prison.
-One may not own a red dyed rabbit or offer it for sale unless more than six are for sale at once.
-Bow and arrow fishing is illegal.
-A person can be sent to jail for five years for merely sending a bottle of beer, wine or spirits as a gift to a friend in Kentucky.
-No female shall appear in a bathing suit on any highway

মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৩

পারিবারিক আইন সব একসাথে পড়ুন

মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রীকরণ সম্পর্কিত আইন একীকরণ ও সংশোধন করিবার জন্য আইন ]
যেহেতু মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রীকরণ সম্পর্কিত আইন একীকরণ ও সংশোধন করা সমীচীন; সেহেতু উহা এতদ্বারা নিম্নরূপ বিধিবদ্ধ করা হইলঃ
১। সংক্ষিপ্ত শিরোণাম ও প্রয়োগ :
(১) এই আইন মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রীকরণ) আইন, ১ঌ৭৪ বলিয়া অভিহিত করা যাইতে পারে।
(২) বাংলাদেশের সকল মুসলিম নাগরিকদের উপর যেখানেই তাহারা থাকুক না কেন, ইহা প্রযোজ্য হইবে।
২। সংজ্ঞা সমূহ : এই আইনে যদি বিষয়ে বা প্রসঙ্গে পরিপন্থী কোন কিছু না থাকে তাহা হইলেঃ-
(ক) মহা-নিবন্ধন পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিষ্ট্রশন) ও নিবন্ধক (রেজিষ্টার) বলিতে যথাক্রমে ১ঌ০৮ সনের রেজিষ্ট্রীকরণ আইনের (১৯০৮ সনের ১৬) অধীনে ঐরূপ পদনামযুক্ত ও নিযুক্ত অফিসারদেরকে

শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৩

Top 10 ways to finish corruption

Here is a list of the top 10 ways to finish corruption. Read on:

 

10. Reconstruct the basic premise of accountability:

Once appointed as government officials, people take their jobs for granted. They are never questioned about their productivity and performance, and favouritism and networking dominate the criteria for promotions. This needs be completely wiped off. Officials should be made accountable for every action just like it is done in the private sector.
Top 10 ways to finish corruption
(img source: delhiledger.com)

9. Transparent tax structure with clear cut enforcement:

While the tax structure of the country has undergone several productive changes, there has hardly been enough possibility to stop the evasion of direct tax;

বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৩

যদি না-ভোট ফেরত না দেন, তাহলে পাবলিক ব্যালট পেপারের সবগুলো প্রতিকে মারবে সিল-

তারা আমাদের শেখায় গণতন্ত্র মানে ৫ বছর পর পর নতুন পোষাক পরে ভোটের লাইনে দাঁড়ানো।



তারা বলেন, না-ভোট মানে ভোট নষ্ট। তারা এই সাধারণ বিষয়টা বুঝতে পারেন না যে, ব্যালট পেপারের প্রতিটি মতামত- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার প্রকাশ।

শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

তথ্য জানি দুর্নীতি প্রতিরোধ করি

Right to Informationতথ্য হল শক্তি যে শক্তির অভাবে আমরা আমাদের পাওনা অধিকার সমূহ হতে প্রতিনিয়ত দূরে সরে যাচ্ছি। যেকোন রাষ্ট্র বা সমাজের মানুষ পিছিয়ে পরে শুধুমাত্র তথ্য না জানার কারনে। তথ্য জানার অধিকার মানুষের বেচে থাকার অধিকার। তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯, বাংলাদেশের জন্য একটি যুগাšতকারী আইন, রাষ্ট্রের উপর জনগণের কতৃর্ত্ব স্থাপনে জনতার হাতিয়ার।
এই আইনের মাধ্যমে জনগণ সারাদেশের স্থানীয় অফিস থেকে শুরু করে মহামান্য

সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

আরও কিছু আজিবসস আইন

অদ্ভুত আইন
* আমেরিকার অ্যারিজোনায় সাবান চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়লে শাস্তি হলো, সেই সাবান দিয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত চোরকে গোসল করানো, যতক্ষণ পর্যন্ত না সাবানটা পুরোপুরি শেষ হয়।
* রাশিয়ায় দিনে দুইবারের বেশি দাঁত ব্রাশ করা অবৈধ।
* রবিবার নাক খোঁটা ইসরায়েলের আইনে নিষিদ্ধ।
* ইংল্যান্ডের পার্লামেন্টে বসে মৃত্যুবরণ করা অবৈধ। আর রানির ছবি খচিত স্ট্যাম্প যদি কেউ উল্টো করে লাগায়, তাহলে তো কথাই নেই। তাকে শাস্তি পেতেই হবে।
* আমেরিকার মিশিগানে স্ত্রী স্বামীর অনুমতি ছাড়া মাথার চুল বিক্রি করতে পারবে না। স্ত্রীর চুল স্বামীর সম্পত্তি হিসেবে গণ্য!
* সামোয়াতে নিজের স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে যাওয়া বেআইনি।
* লাইসেন্স ছাড়া কোনো দৈত্য-দানবের আমেরিকার ইলিনয় রাজ্যের আরবানা শহরে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন ভঙ্গকারী দৈত্য-দানবদের জরিমানা করা হয়।
 
বিচিত্র আইনের অনেকগুলোই সময়ের সঙ্গে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। সারা বিশ্বে এখনো রয়ে যাওয়া কিছু বিচিত্র আইনগুলোর মধ্যে রয়েছে-
টেক্সাসেস ডেভন এ নগ্ন অবস্থায় কেউ ফার্নিচার বানাতে পারবে না।
হাতকড়া পড়ার শখ হলে ওকলাহোমাতে কুকুরকে মুখ ভেংচি দিতে পারেন কারণ সেখানের আইন তাই বলে।
কাগজের ব্যাগ নিয়ে ঘর থেকে বের হতে পারবেন না সল্ট লেকে। সেখানে কাগজের ব্যাগ অথবা ভায়োলিন হাতে রাস্তায় হাটা অবৈধ।
মন্টানার বোজেমান এ সূর্যাস্তের পর বাড়ির সামনের উঠানে সবধরনের সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি নিষিদ্ধ করা আছে।
ফ্লোরিডায় কেউ পাবলিক প্লেসে স্ট্র্যাপলেস গাউন পরলে জরিমানা করা হয়।
সাউথ ক্যালিফোর্নিয়াতে রবিবার স্ত্রীকে আলাদা কদর দিতে হবে। আইনানুযায়ী সেদিন স্ত্রীকে প্রহার করা নিষেধ।আত্মহত্যার কথা ভেবে যদি নিউ ইয়র্কের কোন উঁচু দালান থেকে লাফ দেন, তাহলে মৃ্ত্যুদণ্ড পেতে হবে।
গাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে হাতের কাছে কিছু পাচ্ছেন না বলে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা যাবে না। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্র্যান্সিস্কোতে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা নিষিদ্ধ।
ফ্র্যান্সে ‘ইটি’ এর পুতুল বিক্রি করা নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী ফ্রান্সে মানুষের আকৃতি ছাড়া অন্য কোনো পুতুল বিক্রি করা যায় না।
সৌদি আরবের জেদ্দায় ১৯৭৯ থেকে নারীদের জন্য হোটেলের সুইমিংপুল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সামোয়া তে স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে যাওয়াটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ইংল্যান্ডে পার্লামেন্ট হাউজে মৃত্যুবরণ করা আইনে নিষিদ্ধ।
ইংল্যান্ডে রানীর ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্প উলটা করে লাগানো নিষিদ্ধ।
টেক্সাসে খালি পিস্তল দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো বেআইনি।
অস্ট্রেলিয়ায় খাওয়ার জন্য পালিত হচ্ছে এমন পশুর নামকরণ করা বেআইনি।
পর্তুগালে সমুদ্রে মূত্রত্যাগ করা কে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মন্টানাতে ফোনবুক মাঝখান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলা নিষিদ্ধ করা আছে।
আরকানসাস এ কোনো নারীর দ্বিতীয় বিয়েতে সাদা গাউন পরা নিষিদ্ধ।
ক্যান্টাকিতে পকেটে কোন আইসক্রিম বহন করা আইনত দণ্ডনীয়।
ওহিও এর অক্সফোর্ডে পুরুষের পোস্টারের সামনে নারীদের পোশাক পরিবর্তন করা আইনে নিষিদ্ধ।
ম্যারীল্যান্ডের বালতিমোরে সিনেমা হলে সিংহ নিয়ে যাওয়া নিষেধ করা আছে।
সাউথ ডাকোটাতে পনিরের ফ্যাক্টরিতে ঘুমিয়ে পরা নিষিদ্ধ।
অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়াতে লাইট বাল্ব বদলাতেও লাইসেন্স করা ইলেক্ট্রিসিয়ান আনার নিয়ম করা আছে।
সিঙ্গাপুরে চুইং গাম খাওয়া আইনসঙ্গত নয়।
ইসরাইলে রবিবার নাক খোঁচানো দণ্ডনীয় অপরাধ।
থাইল্যান্ডে আন্ডারওয়্যার ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া বেআইনি।
- See more at: http://jotil.priyo.com/?q=node/2173#sthash.CoOlmolV.dpuf
বিচিত্র আইনের অনেকগুলোই সময়ের সঙ্গে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। সারা বিশ্বে এখনো রয়ে যাওয়া কিছু বিচিত্র আইনগুলোর মধ্যে রয়েছে-
টেক্সাসেস ডেভন এ নগ্ন অবস্থায় কেউ ফার্নিচার বানাতে পারবে না।
হাতকড়া পড়ার শখ হলে ওকলাহোমাতে কুকুরকে মুখ ভেংচি দিতে পারেন কারণ সেখানের আইন তাই বলে।
কাগজের ব্যাগ নিয়ে ঘর থেকে বের হতে পারবেন না সল্ট লেকে। সেখানে কাগজের ব্যাগ অথবা ভায়োলিন হাতে রাস্তায় হাটা অবৈধ।
মন্টানার বোজেমান এ সূর্যাস্তের পর বাড়ির সামনের উঠানে সবধরনের সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি নিষিদ্ধ করা আছে।
ফ্লোরিডায় কেউ পাবলিক প্লেসে স্ট্র্যাপলেস গাউন পরলে জরিমানা করা হয়।
সাউথ ক্যালিফোর্নিয়াতে রবিবার স্ত্রীকে আলাদা কদর দিতে হবে। আইনানুযায়ী সেদিন স্ত্রীকে প্রহার করা নিষেধ।আত্মহত্যার কথা ভেবে যদি নিউ ইয়র্কের কোন উঁচু দালান থেকে লাফ দেন, তাহলে মৃ্ত্যুদণ্ড পেতে হবে।
গাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে হাতের কাছে কিছু পাচ্ছেন না বলে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা যাবে না। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্র্যান্সিস্কোতে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা নিষিদ্ধ।
ফ্র্যান্সে ‘ইটি’ এর পুতুল বিক্রি করা নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী ফ্রান্সে মানুষের আকৃতি ছাড়া অন্য কোনো পুতুল বিক্রি করা যায় না।
সৌদি আরবের জেদ্দায় ১৯৭৯ থেকে নারীদের জন্য হোটেলের সুইমিংপুল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সামোয়া তে স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে যাওয়াটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ইংল্যান্ডে পার্লামেন্ট হাউজে মৃত্যুবরণ করা আইনে নিষিদ্ধ।
ইংল্যান্ডে রানীর ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্প উলটা করে লাগানো নিষিদ্ধ।
টেক্সাসে খালি পিস্তল দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো বেআইনি।
অস্ট্রেলিয়ায় খাওয়ার জন্য পালিত হচ্ছে এমন পশুর নামকরণ করা বেআইনি।
পর্তুগালে সমুদ্রে মূত্রত্যাগ করা কে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মন্টানাতে ফোনবুক মাঝখান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলা নিষিদ্ধ করা আছে।
আরকানসাস এ কোনো নারীর দ্বিতীয় বিয়েতে সাদা গাউন পরা নিষিদ্ধ।
ক্যান্টাকিতে পকেটে কোন আইসক্রিম বহন করা আইনত দণ্ডনীয়।
ওহিও এর অক্সফোর্ডে পুরুষের পোস্টারের সামনে নারীদের পোশাক পরিবর্তন করা আইনে নিষিদ্ধ।
ম্যারীল্যান্ডের বালতিমোরে সিনেমা হলে সিংহ নিয়ে যাওয়া নিষেধ করা আছে।
সাউথ ডাকোটাতে পনিরের ফ্যাক্টরিতে ঘুমিয়ে পরা নিষিদ্ধ।
অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়াতে লাইট বাল্ব বদলাতেও লাইসেন্স করা ইলেক্ট্রিসিয়ান আনার নিয়ম করা আছে।
সিঙ্গাপুরে চুইং গাম খাওয়া আইনসঙ্গত নয়।
ইসরাইলে রবিবার নাক খোঁচানো দণ্ডনীয় অপরাধ।
থাইল্যান্ডে আন্ডারওয়্যার ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া বেআইনি।
- See more at: http://jotil.priyo.com/?q=node/2173#sthash.CoOlmolV.dpuf
 
বিচিত্র আইনের অনেকগুলোই সময়ের সঙ্গে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। সারা বিশ্বে এখনো রয়ে যাওয়া কিছু বিচিত্র আইনগুলোর মধ্যে রয়েছে-
টেক্সাসেস ডেভন এ নগ্ন অবস্থায় কেউ ফার্নিচার বানাতে পারবে না।
হাতকড়া পড়ার শখ হলে ওকলাহোমাতে কুকুরকে মুখ ভেংচি দিতে পারেন কারণ সেখানের আইন তাই বলে।
কাগজের ব্যাগ নিয়ে ঘর থেকে বের হতে পারবেন না সল্ট লেকে। সেখানে কাগজের ব্যাগ অথবা ভায়োলিন হাতে রাস্তায় হাটা অবৈধ।
মন্টানার বোজেমান এ সূর্যাস্তের পর বাড়ির সামনের উঠানে সবধরনের সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি নিষিদ্ধ করা আছে।
ফ্লোরিডায় কেউ পাবলিক প্লেসে স্ট্র্যাপলেস গাউন পরলে জরিমানা করা হয়।
সাউথ ক্যালিফোর্নিয়াতে রবিবার স্ত্রীকে আলাদা কদর দিতে হবে। আইনানুযায়ী সেদিন স্ত্রীকে প্রহার করা নিষেধ।আত্মহত্যার কথা ভেবে যদি নিউ ইয়র্কের কোন উঁচু দালান থেকে লাফ দেন, তাহলে মৃ্ত্যুদণ্ড পেতে হবে।
গাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে হাতের কাছে কিছু পাচ্ছেন না বলে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা যাবে না। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্র্যান্সিস্কোতে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা নিষিদ্ধ।
ফ্র্যান্সে ‘ইটি’ এর পুতুল বিক্রি করা নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী ফ্রান্সে মানুষের আকৃতি ছাড়া অন্য কোনো পুতুল বিক্রি করা যায় না।
সৌদি আরবের জেদ্দায় ১৯৭৯ থেকে নারীদের জন্য হোটেলের সুইমিংপুল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সামোয়া তে স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে যাওয়াটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ইংল্যান্ডে পার্লামেন্ট হাউজে মৃত্যুবরণ করা আইনে নিষিদ্ধ।
ইংল্যান্ডে রানীর ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্প উলটা করে লাগানো নিষিদ্ধ।
টেক্সাসে খালি পিস্তল দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো বেআইনি।
অস্ট্রেলিয়ায় খাওয়ার জন্য পালিত হচ্ছে এমন পশুর নামকরণ করা বেআইনি।
পর্তুগালে সমুদ্রে মূত্রত্যাগ করা কে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মন্টানাতে ফোনবুক মাঝখান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলা নিষিদ্ধ করা আছে।
আরকানসাস এ কোনো নারীর দ্বিতীয় বিয়েতে সাদা গাউন পরা নিষিদ্ধ।
ক্যান্টাকিতে পকেটে কোন আইসক্রিম বহন করা আইনত দণ্ডনীয়।
ওহিও এর অক্সফোর্ডে পুরুষের পোস্টারের সামনে নারীদের পোশাক পরিবর্তন করা আইনে নিষিদ্ধ।
ম্যারীল্যান্ডের বালতিমোরে সিনেমা হলে সিংহ নিয়ে যাওয়া নিষেধ করা আছে।
সাউথ ডাকোটাতে পনিরের ফ্যাক্টরিতে ঘুমিয়ে পরা নিষিদ্ধ।
অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়াতে লাইট বাল্ব বদলাতেও লাইসেন্স করা ইলেক্ট্রিসিয়ান আনার নিয়ম করা আছে।
সিঙ্গাপুরে চুইং গাম খাওয়া আইনসঙ্গত নয়।
ইসরাইলে রবিবার নাক খোঁচানো দণ্ডনীয় অপরাধ।
থাইল্যান্ডে আন্ডারওয়্যার ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া বেআইনি।
- See more at: http://jotil.priyo.com/?q=node/2173#sthash.CoOlmolV.dpuf
বিচিত্র আইনের অনেকগুলোই সময়ের সঙ্গে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। সারা বিশ্বে এখনো রয়ে যাওয়া কিছু বিচিত্র আইনগুলোর মধ্যে রয়েছে-
টেক্সাসেস ডেভন এ নগ্ন অবস্থায় কেউ ফার্নিচার বানাতে পারবে না।
হাতকড়া পড়ার শখ হলে ওকলাহোমাতে কুকুরকে মুখ ভেংচি দিতে পারেন কারণ সেখানের আইন তাই বলে।
কাগজের ব্যাগ নিয়ে ঘর থেকে বের হতে পারবেন না সল্ট লেকে। সেখানে কাগজের ব্যাগ অথবা ভায়োলিন হাতে রাস্তায় হাটা অবৈধ।
মন্টানার বোজেমান এ সূর্যাস্তের পর বাড়ির সামনের উঠানে সবধরনের সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি নিষিদ্ধ করা আছে।
ফ্লোরিডায় কেউ পাবলিক প্লেসে স্ট্র্যাপলেস গাউন পরলে জরিমানা করা হয়।
সাউথ ক্যালিফোর্নিয়াতে রবিবার স্ত্রীকে আলাদা কদর দিতে হবে। আইনানুযায়ী সেদিন স্ত্রীকে প্রহার করা নিষেধ।আত্মহত্যার কথা ভেবে যদি নিউ ইয়র্কের কোন উঁচু দালান থেকে লাফ দেন, তাহলে মৃ্ত্যুদণ্ড পেতে হবে।
গাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে হাতের কাছে কিছু পাচ্ছেন না বলে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা যাবে না। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্র্যান্সিস্কোতে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা নিষিদ্ধ।
ফ্র্যান্সে ‘ইটি’ এর পুতুল বিক্রি করা নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী ফ্রান্সে মানুষের আকৃতি ছাড়া অন্য কোনো পুতুল বিক্রি করা যায় না।
সৌদি আরবের জেদ্দায় ১৯৭৯ থেকে নারীদের জন্য হোটেলের সুইমিংপুল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সামোয়া তে স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে যাওয়াটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ইংল্যান্ডে পার্লামেন্ট হাউজে মৃত্যুবরণ করা আইনে নিষিদ্ধ।
ইংল্যান্ডে রানীর ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্প উলটা করে লাগানো নিষিদ্ধ।
টেক্সাসে খালি পিস্তল দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো বেআইনি।
অস্ট্রেলিয়ায় খাওয়ার জন্য পালিত হচ্ছে এমন পশুর নামকরণ করা বেআইনি।
পর্তুগালে সমুদ্রে মূত্রত্যাগ করা কে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মন্টানাতে ফোনবুক মাঝখান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলা নিষিদ্ধ করা আছে।
আরকানসাস এ কোনো নারীর দ্বিতীয় বিয়েতে সাদা গাউন পরা নিষিদ্ধ।
ক্যান্টাকিতে পকেটে কোন আইসক্রিম বহন করা আইনত দণ্ডনীয়।
ওহিও এর অক্সফোর্ডে পুরুষের পোস্টারের সামনে নারীদের পোশাক পরিবর্তন করা আইনে নিষিদ্ধ।
ম্যারীল্যান্ডের বালতিমোরে সিনেমা হলে সিংহ নিয়ে যাওয়া নিষেধ করা আছে।
সাউথ ডাকোটাতে পনিরের ফ্যাক্টরিতে ঘুমিয়ে পরা নিষিদ্ধ।
অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়াতে লাইট বাল্ব বদলাতেও লাইসেন্স করা ইলেক্ট্রিসিয়ান আনার নিয়ম করা আছে।
সিঙ্গাপুরে চুইং গাম খাওয়া আইনসঙ্গত নয়।
ইসরাইলে রবিবার নাক খোঁচানো দণ্ডনীয় অপরাধ।
থাইল্যান্ডে আন্ডারওয়্যার ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া বেআইনি।
- See more at: http://jotil.priyo.com/?q=node/2173#sthash.CoOlmolV.dpuf
বিচিত্র আইনের অনেকগুলোই সময়ের সঙ্গে খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। সারা বিশ্বে এখনো রয়ে যাওয়া কিছু বিচিত্র আইনগুলোর মধ্যে রয়েছে-
টেক্সাসেস ডেভন এ নগ্ন অবস্থায় কেউ ফার্নিচার বানাতে পারবে না।
হাতকড়া পড়ার শখ হলে ওকলাহোমাতে কুকুরকে মুখ ভেংচি দিতে পারেন কারণ সেখানের আইন তাই বলে।
কাগজের ব্যাগ নিয়ে ঘর থেকে বের হতে পারবেন না সল্ট লেকে। সেখানে কাগজের ব্যাগ অথবা ভায়োলিন হাতে রাস্তায় হাটা অবৈধ।
মন্টানার বোজেমান এ সূর্যাস্তের পর বাড়ির সামনের উঠানে সবধরনের সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটি নিষিদ্ধ করা আছে।
ফ্লোরিডায় কেউ পাবলিক প্লেসে স্ট্র্যাপলেস গাউন পরলে জরিমানা করা হয়।
সাউথ ক্যালিফোর্নিয়াতে রবিবার স্ত্রীকে আলাদা কদর দিতে হবে। আইনানুযায়ী সেদিন স্ত্রীকে প্রহার করা নিষেধ।আত্মহত্যার কথা ভেবে যদি নিউ ইয়র্কের কোন উঁচু দালান থেকে লাফ দেন, তাহলে মৃ্ত্যুদণ্ড পেতে হবে।
গাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে হাতের কাছে কিছু পাচ্ছেন না বলে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা যাবে না। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্র্যান্সিস্কোতে আন্ডারওয়্যার দিয়ে গাড়ি মোছা নিষিদ্ধ।
ফ্র্যান্সে ‘ইটি’ এর পুতুল বিক্রি করা নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী ফ্রান্সে মানুষের আকৃতি ছাড়া অন্য কোনো পুতুল বিক্রি করা যায় না।
সৌদি আরবের জেদ্দায় ১৯৭৯ থেকে নারীদের জন্য হোটেলের সুইমিংপুল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সামোয়া তে স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে যাওয়াটা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ইংল্যান্ডে পার্লামেন্ট হাউজে মৃত্যুবরণ করা আইনে নিষিদ্ধ।
ইংল্যান্ডে রানীর ছবি সম্বলিত স্ট্যাম্প উলটা করে লাগানো নিষিদ্ধ।
টেক্সাসে খালি পিস্তল দিয়ে কাউকে ভয় দেখানো বেআইনি।
অস্ট্রেলিয়ায় খাওয়ার জন্য পালিত হচ্ছে এমন পশুর নামকরণ করা বেআইনি।
পর্তুগালে সমুদ্রে মূত্রত্যাগ করা কে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মন্টানাতে ফোনবুক মাঝখান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলা নিষিদ্ধ করা আছে।
আরকানসাস এ কোনো নারীর দ্বিতীয় বিয়েতে সাদা গাউন পরা নিষিদ্ধ।
ক্যান্টাকিতে পকেটে কোন আইসক্রিম বহন করা আইনত দণ্ডনীয়।
ওহিও এর অক্সফোর্ডে পুরুষের পোস্টারের সামনে নারীদের পোশাক পরিবর্তন করা আইনে নিষিদ্ধ।
ম্যারীল্যান্ডের বালতিমোরে সিনেমা হলে সিংহ নিয়ে যাওয়া নিষেধ করা আছে।
সাউথ ডাকোটাতে পনিরের ফ্যাক্টরিতে ঘুমিয়ে পরা নিষিদ্ধ।
অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়াতে লাইট বাল্ব বদলাতেও লাইসেন্স করা ইলেক্ট্রিসিয়ান আনার নিয়ম করা আছে।
সিঙ্গাপুরে চুইং গাম খাওয়া আইনসঙ্গত নয়।
ইসরাইলে রবিবার নাক খোঁচানো দণ্ডনীয় অপরাধ।
থাইল্যান্ডে আন্ডারওয়্যার ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া বেআইনি।
- See more at: http://jotil.priyo.com/?q=node/2173#sthash.CoOlmolV.dpuf

আরও কিছু আজিবসস আইন বিশ্বের


►► অস্ট্রেলিয়াতে বাচ্চারা সিগারেট কিনতে পারবে না!! কারণ এটা আইনবিরোধী!! কিন্তু সিগারেট খেতে/টানতে পারবে!! এতে কোনো বাধা নেই!!

►► জাপান-এ কোন মহিলাকে কোন পুরুষ ডেটিং এর জন্যে একাধিকবার প্রস্থাব করলে ঐ মহিলা তা ২য় বার প্রত্যাক্ষান করা আইনত নিষিদ্ধ।

►► ইংল্যান্ডে টেলিভিশন ব্যাবহার করার জন্য লাইসেন্স করতে হয়!! (একটু কনফিউশন আছে।। ইংল্যান্ডে যারা আছেন তারা কি বলতে পারবেন ঘটনা সত্য কিনা??)
...
►► থাইল্যান্ডে গাড়ি চালানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে শার্ট পড়তে হবে!! অর্থাৎ,

শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

জেনে রেখো দিদি, আমরাও বাঙাল সহজে হবো না জব্দ

মমতা দিদি রাগ করেছেন তিস্তার পানি নিয়ে
৪৮% দিতেও উনার পিত্তি যাচ্ছে জ্বলে।
মুখে বলে আমরা বাঙাল, শুধু মাঝখানে সৈনিকের ঢেরা
অন্তরে আমাদের ভালবাসেন, কিন্তু উঠাবেন না মনের বেড়া!
আসার কথা তোমার দিদি নতুন বার্তা নিয়ে
খাওয়াবো ইলিশ, পরাবো জামদানি ইচ্ছে ছিল মনে
আমরা চাষা, মজুর স্বাধীন করেছি দেশ

আইনে অশ্লীলতা ও মূল্যবোধ

আমাদের দেশের অধিকাংশ আইন এসেছে ব্রিটিশ আইন থেকে। অশ্লীলতার আইন তার ব্যতিক্রম নয়। ১৭১৭ সালের আগে ইংল্যাণ্ডে অশ্লীলতার বিচার হত ধর্মীয় আদালতে। কোন বই অশ্লীল সেটি ঠিক করতো ইংল্যাণ্ডের চার্চ কিন্তু ১৭১৭ সাল থেকে স্থির হয় অশ্লীলতার বিচার হবে সাধারণ আদালতে। ১৮৬৮ সালে হিকলিনস মামলায় অশ্লীলতার যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, মোটামুটি ভাবে তারই উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে অশ্লীলতা আইনগুলি রচিত। অশ্লীলতা বলতে আমরা কি বুঝি,
শ্লীলতা অশ্লীলতা অনেকটাই ব্যক্তি-নির্ভর। একজনের কাছে যা অশ্লীল, আরেকজনের কাছে তা নাও হতে পারে। আইন অনুযায়ী এর সঠিক সংজ্ঞা পাওয়া যায় না। কামপ্রবৃত্তিকে আকৃষ্ট করে, অথবা যার

শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৩

প্রধানমন্ত্রীর পোলাও রান্না দেখে মুখে আসে জল না থুক্কু চোখে আসে জল, বাঙালি নারী জিন্দাবাদ।


প্রধানমন্ত্রী'র পোলাও রান্না দেখে জাতি আজ আবেগে আপ্লুত, এক মায়ের ভালোবাসার কাছে হারিয়ে গেল সব অভিযোগ, ক্ষোভ। বাংলার ঘরে ঘরে পোলাওয়ের গন্ধে মাতোয়ারে। ঈদের আগেই পোলাওয়ের গন্ধ।

কিন্তু আমার মনে পরে যাচ্ছে আমার নিজ হস্তে জীবনের প্রথম পোলাও রান্নার দৃশ্যটি:

সে এক দিনছিল বটে,
বর্ষার আকাশ ভেঙে বৃষ্টি চারদিকে, মনে শখ জাগলো খিচুরি না রেঁধে আজ পোলাও রান্নার

বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৩

রান্নার অনুষ্ঠান নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক প্যাচাল, পরবর্তী পর্ব কি কবরখানায়? নাকি আফ্রিকার জংগলে?

চ্যানেল আই এর ইফতার রান্না বিষয়ক একটা অনুষ্ঠান হয় যেখানে রাধুনি 'কেকা ফেরদৌসী' দুবাই এর বালুচর, মরুভূমি, সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু করে খোলামাঠ, বৃহৎ দালানে রান্না করে দেখাচ্ছেন।

এটি রান্নার অনুষ্ঠান না বলে পর্যটনের অনুষ্ঠান বলা ভাল। বিদেশে এত টেকা খরচ করে অপরিচ্ছন্ন রান্না দেখানোর কি আছে! উনি একজন রন্ধন শিল্পিই নন, একই সাথে খাদক বুঝায় যায়। যত্ব নিয়ে তৈরি করা রেসিপি গুলোতে যুক্ত হচ্ছে ধুলা-বালি, কাকের ইয়ে, ভাসমান কিট আর এক্সট্রা ফ্লেভার।



কোন কোন চ্যানেলে আবার সম্মানিত অতিথিরা (মিডিয়া ব্যক্তিত্ব) উপস্থিত থাকেন যেখানে

রবিবার, ২১ জুলাই, ২০১৩

জানু, জানো এখন আমি কি করছি?

জানু, জানো এখন আমি কি করছি?
-কি করো গো!
-দুই পাশে গাছের সারি, নীলাকাশ ছোয়া বৃক্ষরাজি তার মাঝ দিয়ে বয়ে চলে সমান্তরাল রেললাইনে হাটছি। কল্পনায় তোমার হাতটি ধরে ভেসে যাচ্ছি স্বপ্নের দেশে।
-ওয়াও অনেক রোমান্টিক জায়গা তাই না জান?
-আচ্ছা যদি হারিয়ে যাই আমরা এই পথ ধরে...
-উ, তারপর?
-তারপর.. আহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহহ

শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০১৩

“কুতুবপুর গ্রামে ছিল সাহিত্যের রাজকুমার হ্যার কীর্তি যত বলব কত হোন্তে চমতকার।।

Photo: আমরা মমিসিঙ্গের মানুষ, আমরার আপনাজন হুমায়ুন আহামেদ স্যারকে নিজের মত স্বরণ করমু নাকি কন?
স্যারেরে লয়া একখান পুথি রচনা করিয়াছিলাম গত বছর ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে।
সবাই গুলওয়া বইন- পুথি পড়া শুরু করতাছি, শেষ না কইরা কিন্তুক উঠুন জাইত না কয়া রাখলাম:-
বিছমিল্লাহ খোদার নাম আরম্ভ প্রথম
দ্বিতীয়ত ছোয় কল্পে নবীরও কদম ।
শুনেন শুনেন ব্লগারবাসী শুনেন দিয়া মন
কুতুবপুরের রাজকুমারের কথা করিবো বর্ণণ।

“কুতুবপুর গ্রামে ছিল সাহিত্যের রাজকুমার
হ্যার কীর্তি যত বলব কত হোন্তে চমতকার।।
আহা, হোন্তে চমতকারররররর.....

হাই-
কত সৃষ্টি কত নতুন ভর দিলো সে মাইনসেরে
তা কইতে মুখের ফেনা মুখের উপর পরে।
রত্না গর্ভা মায়ের তারা তিনটা মাত্র ভাই
নিজ নিজ ক্ষেত্রে সবাই গড়িছে সম্মান
আহা গড়িছে সম্মান.....।।

হঠাৎ একদিন রাজকুমার পড়িলো মহা রোগে
বিধির বিধান সয়ে চলে গেলো অন্ধ অচিনপুরে
আহা, অন্ধ অচিনপুরেএএএএ.........।।

আজ,
সারা দুইন্যা কাইন্দা মরি আকাশ পানে চাইয়া
এমন সম্পদ অকালে হারায়লাম বইল্যা
আহা হারায়লাম বইল্যা....।।

কিন্তু- র্কীতিমানের কি নাই?
-মৃত্যু নাই।

আরে র্কীতিমানের মৃত্যু নাই জানি আমরা হগ্ল্গলে
থাকবেন রাজকুমার সবার মনেরো ভিত্তরে
আহা মনেরো ভিত্তরে.....।।

এই বলিয়া পুথি আজি করিলাম গো শেষ
ভুল ত্রুটি ক্ষেমা দিবেন থাকবেন সবে বেশ।


*নেত্রকোণা কেন্দুয়ার কুতুবপুর গ্রামের সেই রাজকুমারকে স্বরণ রাখবে মানুষ, যত দিন বাংলা ও বাংলা ভাষা আছে।
*পুথিটি 'ময়মনসিংহ গীতিকার' অনুকরণে লিখিত।
আমরা মমিসিঙ্গের মানুষ, আমরার আপনাজন হুমায়ুন আহামেদ স্যারকে নিজের মত স্বরণ করমু নাকি কন?
স্যারেরে লয়া একখান পুথি রচনা করিয়াছিলাম গত বছর ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে।
সবাই গুলওয়া বইন- পুথি পড়া শুরু করতাছি, শেষ না কইরা কিন্তুক উঠুন জাইত না কয়া রাখলাম:-

বিছমিল্লাহ খোদার নাম আরম্ভ প্রথম
দ্বিতীয়ত ছোয় কল্পে নবীরও কদম ।
শুনেন শুনেন ব্লগারবাসী শুনেন দিয়া মন
কুতুবপুরের রাজকুমারের কথা করিবো বর্ণণ।

“কুতুবপুর গ্রামে ছিল সাহিত্যের রাজকুমার

যে ভাষায় মস্তিস্ক ব্যবহার হয় না, হয় শুধু বাক-যন্ত্রের!

রাজনীতিবিদরা যদি মানুষের ভাষায় কথা বলতেন তাহলে গণতন্ত্রের জোয়ারে অনেক আগেই দেশ ভেসে যেত। ভাবছেন তাহলে রাজনীতিবিদরা কোন ভাষায় কথা বলেন?

উনারা দাবি করেন তাদের ভাষার নাম রাজনীতির ভাষা বা রাজনৈতিক ভাষা। মানুষের ভাষা ও তাদের ভাষার মাঝে বিন্তর ফারাক বিদ্যমান।
আপনার জমে থাকা স্বপ্ন, ইচ্ছে, কামনা-বাসনা, আকাংখা গুলো খুজে পাবেন তাদের ভাষার মাঝে। এর ভিতর লুকায়িত থাকে সুপ্ত ও

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৩

এক যে ছিল মজার দেশ- সে দেশটা রুপকথার দেশের থেকেও সুন্দর ও স্বপ্নে ভরা

তকাল তো রুপকথার গল্পে মজার মজার দেশের কথা পড়েছেন, শুনেছেন। তেমনই এক মজার দেশের মজার মজার গল্প শুনাবো আপনাদের- তবে মনে রাখবেন, সে দেশটা রুপকথার দেশের থেকেও সুন্দর ও সব চরিত্র কাল্পনিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত।

সেদেশের এক মন্ত্রী সদ্য অন্য মন্ত্রণালয় থেকে বিতাড়িত হয়ে ডিজিটাল মন্ত্রণালয়ে যোগ দিলেন।

অফিসের প্রথম দিন- সবার সাথে পরিচিত হয়ে তিনি নিজের রুমে ঢুকলেন, এক ক্লাস

যে কোটা গুলো খুবই দরকার- এই কোটা গুলো যুক্ত করার দাবি জানাই

কোটা নিয়ে বিরাট ক্যাচাল চলছে, যেখানে আমি নিজেও কোটাহীন একজন। তবে বিসিএস দিতে কেমন লাগে এটা বুঝতে দিয়েছিলাম বিসিএস, এবং সাফল্যের সাথে কোটাধারীদের চেয়ে বেশি নম্বর পেয়েও অকৃতকার্য! ভাগ্যিস না পড়ে দিয়েছিলাম নইলে তো আরেকজন মেধাবির ক্যাডার হওয়া থেমে যেত আমার কারণে!
কোটা-কোটি নিয়ে কথা বলতে, শুনতে গিয়ে নতুন কিছু কোটা প্রথা চালুর প্রয়োজন মনে

বুধবার, ৩ জুলাই, ২০১৩

Me and my voluntary works


----------------- Please Read from the bottom--------------- 

 

The person behind everything is me, a Top achiever of Bangladesh Scout's (Got President's Scout award in 2005 for outstanding scout activities)

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০১৩

বন্ধু অমলিন: আনন্দমোহন বসু ও মৌলভী হামিদ উদ্দিন-ময়মনসিংহ ও ইতিহাসের স্বার্থপরতা


বন্ধু। এখানে নেই রক্তের বন্ধন কিন্তু সর্ম্পক অমলিন, জগতের সেরা। বাংলার ইতিহাস থেকে, অজানা এক বন্ধুত্বের কথা বলবো আপনাদের। অজানা এই কারণে যে, জোর করে ইতিহাস থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে এই বন্ধুত্ব। এক বন্ধু ইতিহাসের অংশ অন্য জনের শুধুই নামটি আছে কোথাও খোদায় করে লেখা নেই। শত বছরের পুরোনো দুই সাথীর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো যারা আজ শুধুই স্মৃতি।

যারা বাংলাদেশের ইতিহাস সর্ম্পকে জ্ঞান রাখুন তারা

আবুল-হুসনে আরা'র (ব্যর্থ) অমর প্রেমকথন


ফেব্রুয়ারী মাস একটি নতুন সম্পর্কের শুরু থেকে শেষের মাস। পদ্মা পাড়ের এক ভালুবাসার মর্মান্তিক মৃত্যুর মাস।

পদ্মা পাড়ের জনৈক আবুল ফেব্রুয়ারী মাসের ৬ তারিখ পদ্মার ওইপাড়ের সুন্দরি মাইয়্যা হুসনে আরা'কে দেখে ফিদা হয়ে গেল, ৭ তারিখ একখান Rose ফুল হাতে নিয়ে মনের কথা বলার চেষ্টা করলো, কিন্তু পদ্মার ঠেউ দেখে ভয় পেয়ে সাহস করতে পারলো না। পরের দিন মানে ৮ তারিখ চোখ বন্ধ করে পদ্মা পাড়ি দিয়ে Propose করলো, 'হুসনে আরা, আই

সোমবার, ২০ মে, ২০১৩

A ভয়ংকর Journey by Bus-এই গাড়ি দেখতে শুধু পুরান, ইন্জিন এক্কেরে নতুন। উঠেন।

ষ্টি মাথায় নিয়েই ছুটলাম সীমান্তের পাহাড় নদীর টানে নেত্রকোণা ভ্রমনে। 


ছবিটি সেই বিখ্যাত বাস থেকেই তোলা।

নেত্রকোণার কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, বিরিশিরি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি। সেই সৌন্দর্য্যের খুজে বন্ধুরা বৃষ্টি মাথায় করে বাসে উঠলাম ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোণা। খানিকটা পথ। ঘন্টা খানিকের মাঝেই পৌছে

রবিবার, ১৯ মে, ২০১৩

আত্বহত্যার সহজ পাঠ


প্রথম দৃশ্য:
মৌ শুয়ে আছে রেল লাইনে ট্রেনের অপেক্ষায়। কাধেঁ ব্যাগ। বার বার উঠে বসছে আর ট্রেন আসছে না কেন তা ভাবছে।
আগন্তুক: আত্বহত্যা করতে এসেছেন বুঝি? এভাবে না শুয়ে সোজা ট্রেনের দিকে চোখ রেখে শুয়ে পরুন, এতে মৃত্যু নিশ্চিত হবে। ওভাবে থাকলে হইত হাত না হলে পা কাটা যাবে পরে আপনাকে সারাজীবন পঙ্গু হয়ে বাচঁতে হবে।
অনেকক্ষণ পর অধৈর্য্য হয়ে স্টেশনের দিকে গেল-
মৌ: আচ্ছা, পরবর্তী ট্রেনটা কখন আসবে?
স্টেশন মাষ্টার: হরতালকারিরা ট্রেনে আগুণ দিয়েছে তার উপর সামনেই ট্রেনের লাইন উপড়ে ফেলেছে। আজ ট্রেন চলবে না। ঠিক হলে পরে।
মৌ: ধুত্তুরি!

শুক্রবার, ১৭ মে, ২০১৩

বউরে ভালোবাসি বউরে নিয়ে জোকস করতে পারলে দেশরে নিয়ে জোকস করতে পারুম না ক্যান?

জনাব, 
দেশটা বউ না। মা। বউ ৪-৫টা হতে পারে, কিন্তু মা একটাই। জনাব জামিল আহামেদ, নব্য বিখ্যাত বনে যাওয়া প্রতিযোগি 'মিরাক্কেল আক্কেল চ্যালেন্জ- আপনার বাড়ি পাবনা তাই হেমায়েতপুর মানসিক হাসপাতালে আপনার জন্য একটা সিট বরাদ্ধ করা হবে। মা আর বউ এর পার্থক্য বুঝার জন্য অন্তত কিছুদিন সেখানে থাকলেই চলবে। দেশপ্রেমটা অন্তরে থাকে, ধারণ করতে হয়। আপনি অক্ষম, ব্যপার না, আমার দেশেরই এক নাগরিক অক্ষম থাকবে তা আমরা মেনে নিই কিভাবে! আপনার জন্য সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দেশটা আমার,

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৩

যত কম কচলাইবেন তত ধর্ম শান্তিতে থাকবে মানুষের অন্তরে, বিশ্বাসে

ঘটনার সময়কাল ১৯৪৭ এর আগে বিট্রিশদের আমল:

গ্রামে চিৎকার চেচামেচি! ইসলাম বাচাঁও, ইসলামকে বাচাঁও, বাচাঁও ইসলাম......এতটুকু শুনেই
সবাই লাঠিসোটা নিয়ে দৌড়ে আসল।

রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৩

এই মুর্হুতে দরকার হিমু পার্টির সরকার

নাম:
হিমু দল, ইংরেজিতে হিমু পার্টি।
 
মূলনীতি: 
দলের জন্য হলুদ প্যাড তৈরি করা হবে। গঠনতন্ত্রে তিনটি মূলনীতি বা স্তম্ভ হবে যার ১ম স্তম্ভ সততা, ২য় স্তম্ভ সততা ও ৩য় স্তম্ভ সততা।

বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০১৩

প্রতিবাদের ভাষার কি অভাব আছে? অহিংস প্রতিবাদের সাড়ে ষোল ডজন বিকল্প

রাজনৈতিক হোক বা সামাজিক সমস্যার প্রতিবাদ। সবই ঘুরে ফিরে প্রায় একই রকম প্রতিবাদের ভাষা এখন। প্রতিবাদ জানানোর ভাষায় ভিন্নতা আসা উচিত। বাপ-দাদারা যেভাবে করেছে আমরা তা থেকে ভিন্নভাবে করতে পারি এবং তা ফলপ্রসু হতে পারে। ভাঙ গড়ি আর হরতাল দিয়ে ক্ষতিই হয়, প্রতিবাদে কাজ হয় না বর্তমানে। ভুলে গেলে চলবে না, ভারতীয় উপমহাদেশ এর স্বাধীনতা গান্ধীজির অসহযোগ ও অহিংস প্রতিবাদের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছিল। * 

১৯৭৩ সালে ড. জেন শার্প, ”দি পলিটিকস অব নন-ভায়োলেন্ট একশন” নামে তিনটি ভলিউমের ২য় অংশে অহিংস কর্মসূচীর ১৯৮ টি পদ্ধতি বাতলে দিয়েছিলেন। 

ছয়টি থিমে বিভক্ত এই ১৯৮ টি কর্মসূচীর তালিকা তুলে ধরা হলো-
The Methods of Nonviolent Action বা অহিংস প্রতিবাদ এবং প্রেষণা পদ্ধতি-

আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
১. জন বক্তৃতা 
২. পক্ষে-বিপক্ষে চিঠি
৩. সংগঠন, প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ঘোষণাপত্র
৪. স্বাক্ষরিত জন বিবৃতি
৫. অভিযুক্ত হওয়ার আগ্রহ ও ঘোষণা (স্বেচ্ছা কারাবরণ)

সোমবার, ১১ মার্চ, ২০১৩

ময়না পাখি রাগ করেছে, কোন দিন হরতাল হবে না তা জানতে চেয়ে আবেদন।

বরাবর
রাজনৈতিক দলের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ
বাংলাদেশ।

বিষয়: ময়না পাখি রাগ করেছে, কোন দিন হরতাল হবে না তা জানতে চেয়ে আবেদন।

রাজনৈতিক নেতাদের ব্রেইনের দাম কত করে?

সারাজীবন নিরপেক্ষ থাকার পর, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে এক বয়স্ক লোক রাজনীতিতে ঢুকবেন বলে মনোস্থির করলেন।

বয়স হয়ে যাওয়ার কারণে ব্রেইন ঠিকমত কাজ করছে না তার, তাই দোকানে গেলেন ব্রেইন কিনতে।

ভাল রাজনৈতিক গুণ সম্পন্ন ব্রেইন খুজছেন তিনি। দোকানে বিভিন্ন লেভেল অনুযায়ী, বিভিন্ন দলের নেতাদের ব্রেইন সাজানো ছিল। 

রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

জয় বাংলা- দেশের শত্রু রাজাকার চক্র এবার ঠেলা সামলা



যে সকল মুরুব্বীরা তরুণ প্রজন্মের এই আন্দোলনকে পাগলামী, দেশের ক্ষতি, দেশকে পিছিয়ে দেয়া, হুদাই হাউকাউ, ইমোশনাল চিৎকার চেচাঁনো বলছেন তাদের তরে এই স্ট্যটাসখানা:

জনাব,

শুক্রবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

বাংলাদেশে ফেসবুক ও পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ

চীন ও ভারতের পর জনসংখ্যা কোথায় সবচেয়ে বেশি?
উত্তর: ফেসবুকে।

শোয়েব আক্তারের বলের চেয়েও বেশি গতিতে এর সদস্য সংখ্যা বাড়ছে! দুনিয়াতে যুদ্ধ লাগাতেও পারে এটি, আবার শান্তির বাণীও সবার কাছে পৌছাতে পারে নিশ্চিন্তে। বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী দেশ আমেরিকা। দেশটিতে মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ৮ হাজার ৮৪০ জন। যা বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অধিক। এশিয়ার শত কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারত আছে তৃতীয় স্থানে ৬ কোটি ২৭ লক্ষ ২ হাজার ৩৬০ জন। তবে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে ব্রাজিলকে পিছনে ফেলতে বেশি দিন লাগবে না। চীনে ফেসবুক নিষিদ্ধ না হলে তারাই এ পরিসংখ্যানে সবার উপরে থাকতেন বলেই মনে করা হয়।