রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১২

কে আছো সাহসী নারী সহযাত্রী হবে ?


আজ মুক্তির উল্লাসে ঘুরে মরি নীলিম আকাশে
কে আছো সাহসী নারী সহযাত্রী হবে ?
কি দু:সহ ব্যস্ততা আর ভয়ংকর অভিজ্ঞতার পাল্লা নিয়ে
কম্পমান হয়ে ছুটবে আমার পাশে!


মুগ্ধ হয়ে যাবে দেখে আমার রুপ।
জমাট অন্ধকার ভেদ করে আমাকে চিনতে আসবে

শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১২

আপনার চোখের সামনে নিয়মিত ঘটছে আর আপনি!



ছবিটি দেখুন। দুইটি বাচ্চা ছেলে একজন যাত্রীর পা ধরে বসে আছে! মাফ চা্ওয়ার জন্য নই! টাকা না দিলে তারা পা ছাড়বে না। এটাই তাদের আয় করার নিয়ম। নিয়মিত তারা বাস স্টেশন,রেল স্টেশন,সদর ঘাটে এমন কি বিমান বন্দরে এই ভাবে ভিক্ষা করছে।
 যাত্রীদের বাধ্য করে টাকা দিতে,এভাবে, সবাই টাকা দিতে বাধ্য হয় কোন ধরনের বুঝানোতেই কাজ হয়না! আর প্রেমিক জুটি থাকলে তো কথায় নেই-একটা নিদ্রিশ্ট টাকা দাবি করে-ভাবি ভাবি বলে চিৎকার করতে থাকে মুখে যা আসে তাই বলে বসে! তাই বাধ্য হয়ে তাদের টাকা দিতে হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১২

একজন উকিল বিয়ের আগে মামলা পেলে বিয়ের পর শেষ করে! আইনজীবী নিয়ে কিছু কথা

বলা হয়ে থাকে-
একজন উকিল বিয়ের আগে মামলা পেলে বিয়ের পর শেষ করে আর বিয়ের পর মামলা পেলে ছেলে উর্পাজনক্ষম হওয়া পযর্ন্ত মামলা চালান!


এই ধরনের উকিলদের কারণে অনেক সম্মানের আইন পেশাকে আজ প্রতারণা বলে ও অসম্মান করা হয়।


কিন্তু প্রকৃত পক্ষে অনেক আগে থেকে আইনজীবীদের সম্মান সমাজের সবার উপরে ছিল। পরিবারে একজন আইন জীবী থাকলে সেই পরিবারের সম্মান বেড়ে যেত।

চীন দেশের শিক্ষনীয় গল্প

গরুর উদ্দেশ্যে সঙ্গীতযন্ত্র বাজানো-


প্রাচীনকালে কুং মিং ই নামে একজন সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন। তার বাজানো সঙ্গীত অনেক সুমধুর। অনেকেই তার বাজানো সঙ্গীত শুনতে পছন্দ করতেন।
এক দিন, কুং মিং ই গ্রামাঞ্চলে যান। তিনি দেখতে পান, হাল্কা বাতাসে গাছের পাতা নড়ছে। একটি গরু মাঠে ঘাস খাচ্ছে। তিনি এমন সুন্দর দৃশ্য দেখে তার মনে সঙ্গীতযন্ত্র বাজানোর ইচ্ছে জগে। তাই তিনি তার গরুটির উদ্দেশ্যে বাজানো শুরু করেন। কিন্তু এতে গরুর মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় নি। গরুটি শান্তিভাবে আপন মনেই খাস খেয়ে যাচ্ছিল। ঘাস খাছে। কুং মিং ই ভাবলেন, হয়তো তার এ সঙ্গীত গরুটির কাছে দুর্বোধ্য বা ভালো লাগে নি, তাই তিনি তার যন্ত্রে আরো কয়েকটি সহজ সঙ্গীতের সুর বাজাতে থাকেন। তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যন্ত্র সঙ্গীতের সুরে গরুটির কোন প্রতিক্রিয়াই দেখা গেলো না। কুং মিং ই এতে অনেক হতাশ হয়ে পড়েন।


আত্ব হত্যা করাটাও মানুষের মৌলিক অধিকারে রুপ নিতে পারে। তবে শর্ত প্রযোজ্য!

বেঁচে থাকা মানুষের একটি মৌলিক অধিকার হলে মরে যাওয়া বা আত্মহত্যা করাও মানুষের মৌলিক অধিকার হবে না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছিল ভারতের গুজারিশ সিনেমাটিতে। বাস্তবে কিন্তু এমন ঘটনা রয়েছে যা আদালতেও মিমাংসা করা যায় নি।


ভারতে একজন নারীর যন্ত্রণাহীন মৃত্যুর জন্য করা আবেদন সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছিল। ওই নারীর নাম অরুণা শ্যানবাগ। ১৯৭৩ সালের পর থেকে প্রায় ৩৭ বছর তিনি হাসপাতালের শয্যায় অচেতন অবস্থায় ছিল।

সেরা সম্পদ-

সদা জাগ্রত নিবেদিত আমরা
চিত্ত ভয়হীন অসংকোচ প্রকাশে উদ্দাম
সত্য পথ আর পথিকের প্রেরণা
দুর্নীতি মুক্ত হৃদয়ে সাহসী তরুণেরা।