বৃহস্পতিবার, ২৮ জুন, ২০১২

জলাবদ্ধতায় আবদ্ধ দেশের বাণিজ্যিক ও চায়ের রাজধানী।বাধ্য হয়ে আমাকেই সমাধান দিতে হচ্ছে

জল-আবদ্ধ হয়ে কোটি কোটি মানুষ কষ্ট করছে, পাহাড় ধসে মরলো কত জন! দেশের বাণিজ্যিক ও চায়ের রাজধানী। দুই সিটি কর্পোরেশনের দুই মহান মেয়র নিজেরাও বাড়িতে আটকে পড়েছেন পানির তোড়ে। সেখানে আমি নিজ উদ্যোগে এগিয়ে এলাম সমস্যা সমাধান করতে। :|
যা যা করতে পারে এখন তারা-

১. [sb]সিটি কর্পোরেশন ভেঙে ফেলুন-[/sb]
প্রথমেই কাজ হবে দুই সিটি কর্পোরেশন ভেঙে তা গ্রাম ঘোষণা দেয়া- সর্বময় ক্ষমতা থাকবে কৃষকদের হাতে। 
কৃষকরা ভাল করেই জানে কিভাবে ক্ষেতের পানি বাইরে বের করতে হয়, আর কিভাবে নালা দিয়ে ক্ষেতে পনি ঢুকাতে হয়। 

বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২

বাংলার সমুদ্র সৈকত-যেথাই হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, গর্বে ভাসে বুক

সব দেশের কিছু না কিছু থাকে যা অমূল্য সম্পদ। যাকে ঘিরে গড়ে উঠে স্বপ্ন আর জীবন। 
যার টানে বারবার ছুটে যেতে চায় মন। তেমনি এক সম্পদ, বঙ্গোপোসাগরের পূর্ব উপকূলেকক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। 
http://amarbornomala.com/uploadedimage/8759sea.jpgদিগন্ত যেখানে মাথা নুয়ে চলে। উত্তাল সমুদ্রের মাঝিদের গান হঠাৎ যেখানে কানে বাজে। নীল জলরাশির ফেনায় ভর করে মন যেথায় নাচে অজান্তে! বিশালতার মাঝে নিজেকে খুজে ফেরার তাড়নায় উৎকন্ঠিত আর সারি সারি ঝাউ বনের ফাকে তপ্ত রোদে গরম বালুর পরশ। সব মিলিয়ে এক অনাবিল,অন্যরকম মোহ কাজ করে নিজের মাঝে।


একসময় হলুদ ফুলে ছেয়ে ছিল গোটা কক্সবাজার। তাই নাম হয়ে ছিল এর প্যানোয়া যার অর্থ-হলুদ ফুল। হলুদ ফুলে ঝকমক করত তাই পরবর্তীতে নাম হয় পালংকী।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য সম্পর্কে ছিলেন উদাসীন। ব্রিটিশ শাসনামলে একজন ইংরেজ ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স অষ্টাদশ শতকে পালতোলা কাঠের জাহাজে করে এখানে এসে নামেন।* ১৭৯৯ সালে তিনি এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন। পরবর্তীতে হিরাম কক্সের নামানুসারেই এলাকাটির নামকরণ করা হয় কক্সবাজার নামে।

আধুনিক ছেলেপেলে বলে ড্রিংকস। অ্যালকোহলে নাকি স্মার্টনেস বাড়ে!

নেশা যায় হোক না কেন তা খারাপ।বলা হয়ে থাকে প্রতিটি নেশার ফল হচ্ছে মৃত্যু। http://amarbornomala.com/uploadedimage/9671alcohal.jpgবিজ্ঞানীরা নতুন নতুন আবিস্কারের নেশায় থাকে এটা ইতিবাচক কিন্তু অনেক নেতিবাচক নেশা আছে যা শুধু আপনাকে তলানিতেই নিয়ে যাবে সেখান থেকে বের হয়ে আসতে দিবে না। আপনাকে আঁকড়ে রাখবে, অন্যরকম টান সৃষ্টি করবে। শিকড় গেড়ে দিতে চাইবে আপনার চারপাশে যেন আপনি নেশা থেকে ফিরে আসতে না পারেন।
-দোস্ত চল আজ ড্রিংকস করবো।অনেক মজা হবে।
বন্ধুদের আড্ডায় অনেক শোনা যায় কথাগুলো।
ড্রিংকস করাটাকে স্মার্টনেস হিসেবে দেখি অনেকেই। এতে নাকি খারাপ কিছু নেই!! 

শুকুরী আমার ভালোবাসা, আমার হৃদয়।আমাকে একা রেখে সে চলে গেছে,আমি ছেড়ে থাকতে পারব না(সত্যিকারের এক প্রেম কাহিনী)

http://amarbornomala.com/uploadedimage/1859love-pure.jpgআমদের হাফিজউদ্দিন-
যিনি ভালবাসার জন্য আজো লড়াই করছেন। নিজের প্রিয়তমাকে খুজে ফিরছেন চারপাশে। একটি বার মিলিত হওয়ার জন্য অধীর ভাবে বসে থাকেন এখনো কবরের পাশে।
পঞ্চগড়ের হাফিজউদ্দিনের কাছে শাহজাহান মাথা নুয়ে পড়তেন যদি বেঁচে থাকতেন।
এটি শুধুই আবেগের কথা সত্যিকারের ভালবাসার কথা যা এখন আপনারা পড়বেন।

প্রবল প্রতাপশালী একজন সম্রাট শাহজাহান। নিজের স্ত্রীকে ভালবেসে দেশের সব সম্পদ ধ্বংস করে,হাজার হাজার শ্রমিকের আঙুল কেটে, রাজ্যে দুর্ভিক্ষ নামিয়ে তৈরি করেন আশ্চর্য্য নির্দশন 'তাজমহল'।
কিন্তু আপনি কি জানেন-

অবশেষে একটি ঘোড়ার মহানগর জয়

http://amarbornomala.com/uploadedimage/3680gora.jpg
মাত্র ১৫০০ টাকায় ঘোড়া কিনলাম। বাসার নিচে পার্ক করে রাখলাম অন্য গাড়ী গুলোর সাথে,খেতে দিলাম কচি ঘাস আর পানি। 
সকালে ঘোড়া নিয়ে ছুটলাম ভার্সিটিতে। এই যুগে ঘোড়ার পিঠে চড়ে-মানুষ! শার্ট,প্যান্ট আর কাধে ব্যাগ নিয়ে এক সুদর্শন ছেলে। অনেকেই নাক সিটকাল আর অবাক বিস্ময়ে চোখ কপালে তুলল। ভার্সির্টিতে ঘোড়া রাখার জন্য জায়গা না পেয়ে রাখতে হল বাইরে রাস্তায় অন্যসব গাড়ীর সাথে পার্ক করে! মহানগরীতে রব উঠে গেল আমার ঘোড়া নিয়ে। 

অশ্লীলতার আইন-আইনে অশ্লীলতার সংজ্ঞা ও মূল্যবোধ

আমাদের দেশের অধিকাংশ আইন এসেছে ব্রিটিশ আইন থেকে। অশ্লীলতার আইন তার ব্যতিক্রম নয়। ১৭১৭ সালের আগে ইংল্যাণ্ডে অশ্লীলতার বিচার হত ধর্মীয় আদালতে। কোনো বই অশ্লীল - সেটা ঠিক করতো ইংল্যাণ্ডের চার্চ। ১৭১৭ সাল থেকে স্থির হয় যে অশ্লীলতার বিচার হবে সাধারণ আদালতে। ১৮৬৮ সালে হিকলিনস মামলায় অশ্লীলতার যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, মোটামুটি ভাবে তারই উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে অশ্লীলতা আইনগুলি রচিত।

অশ্লীলতা বলতে আমরা কি বুঝি-

মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১২

কত টুকু ক্ষোভ মানুষ জমিয়ে রাখতে পারে অন্তরে? কাছে টেনে পাশে রেখে জানতে চাইলে বুঝতে পারবেন।



পাগলের মত একজন লোক রাস্তায় দাড়িয়ে চিৎকার করছেন! হাতে বাজারের ব্যাগ অন্যহাতে কিছু সজনে ডাটা ও ফাইল-

এত এত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে কি হবে ! সব খানে তো সমস্যা, নীতি নাই, ভাল কিছু নাই, এইসব থেকে বের হয়ে সব তো ধ্বংস করবে। দরকার কি এই সব শিক্ষার। আমি দুর থেকে চিৎকার দিয়ে বললাম- আংকেল ভাল মানুষ ও নাই!

আমার কথাটা উনার কানে তীরের মতই লাগলো। হে! তুমি তো বাবা ঠিক কথাটা বলছো বলতে বলতে কাছে আসলেন।

আমরা বন্ধুরা বসে ছিলাম চায়ের দোকানে। হঠাৎ পাগলের মত এক বয়স্ক লোকের চিৎকার শুনে প্রথমে মাথা খারাপ বলেই ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু কাছে আসার পর উনার চোখের পানি আর বুকের ভিতরে জমে থাকা ক্ষোভ আমাদেরকেও নাড়িয়ে দিল !

কত টুকু ক্ষোভ মানুষ বুকের ভিতর জমিয়ে রাখতে পারে? কাছে টেনে জানতে চাইলে বুঝতে পারবেন।

হায় হায়... এটা কি শুনলাম ! (জনগণ ও নেতাদের অবস্থা) হি হি হি হি.......... !

বাংলাদেশের একটি ছাত্র হোস্টেল। কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে সবাইকে চলতে হয়। হোস্টেল-সুপারের মেজাজ-মর্জি সব সময় এত গরম থাকে যে, কখনো যম না দেখলেও হোস্টেলের সব ছাত্র জমের মতই ভয় পায়।

সর্বমোট ১০০ জন ছাতো থাকে সেই হোস্টেলে। একদিন সকালে সকল ছাত্রকে হোস্টেল সুপারের কাছে ডাকা হল। কী এমন কারণ যে হঠাৎ জরুরী তলব। সকলেই ভয়ে সুপারের সামনে উপস্থিত হল সাত-সকালে। এর মধ্যে নিজেদের মাঝে ফিসফিস করে জানার চেষ্টা করছে বিষয়টি। কিন্তু কেউ জানে না। এমন কি অনুমানও করতে পারছে না। কিছুক্ষণ পর হোস্টেল সুপার এসে উপস্থিত হলেন।

হোস্টেল সুপার (গম্ভীর মুখে): তোমাদেরকে একটি জরুরী বিষয় জানানোর জন্য ডেকেছি। তা হলো, কিছুদিন থেকে প্রায় রাতেই আমার রুমে কেউ একজন বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করছে।

তখন সম্মেলনে উপস্থিত ২০০০+ তরুন সমর্থন জানাচ্ছিলাম আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের কথায়।

গত ২ জুন, অনুষ্ঠিত হল 'ইয়ুথ ইনগেজমেন্ট এন্ড সার্পোট'(YES) জাতীয় সম্মেলন ২০১১--১২ বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। ২০০০+ জন ইয়েস সদস্য ও দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিত্ব সহ অনেক অতিথী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন সেখানে। 

ট্রান্সপারেন্সি ইন্ট্যারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) এর অনুপ্রেরণায় দেশের তরুন স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে গঠিত ইয়েস গ্রুপ। সারা বাংলাদেশে মোট ৬০ টি ইয়েস দল আছে। ৪৫টি দল ঢাকার বাইরে যারা সেইসব অঞ্চলের সচেতন নাগরিক কমিটির(সনাক) তত্বাবধানে দুর্নীতি বিরোধী ক্যাম্পিং করে থাকে নিজেদের মেধা ও ধ্যান ধারনা বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন আয়োজনে। 

অনুষ্ঠানে ‘দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে আমরা তরুণ: অর্জন, চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন টিআইবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মহাসচিব কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, কোষাধ্যক্ষ দ্যা ডেইলি স্টার এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

পাগল হওয়ার সবচেয়ে বড় লাভ-যা ইচ্ছে বলে যেতে পারবেন, আইনের সাধ্য নেই আপনাকে আটকাবে।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রের বিরোদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা হচ্ছে ফেসবুকে জনাব প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করার কারণে।
সুত্র- রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হচ্ছে এক ছাত্রের বিরুদ্ধে

রাষ্ট্রদ্রোহ: কোন ব্যাক্তি কথিত বা লিখিত শব্দাবলীর দ্বারা অথবা সংকেতসমূহের দ্বারা, বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির দ্বারা আইনবলে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা অবজ্ঞার সৃষ্টি করে বা করার উদ্যোগ করে বা বিদ্ধেষ সৃষ্টি করে বা করার উদ্যোগ করে তা রাষ্ট্রদ্রোহিতা(ধারা-১২৪ক দন্ডবিধি,১৮৬০)। 
ঘৃণা,অবজ্ঞা বা বিদ্ধেষ সুষ্টি বা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহন করা সরকারের বিরোদ্ধে অপরাধ হিসেবে গন্য হয়। 
*সরকার=জনগণ+রাষ্ট্রপরিচালনার ব্যক্তিগণ।

আমরা মনে হয় আর মানুষ হতে পারবো না। পরিচিত হয়ে যান পশু সমাজের নতুন প্রতিনিধির সাথে।

চোর হোক আর যায় হোক! প্রাণী জগতের কোন্ প্রজাতি তার নিজের প্রজাতিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে?
আমরা মনে হয় আর মানুষ হতে পারবো না।
বাঁচার আকুতি অপেক্ষা করে অন্যকে খুন করা একমাত্র পশুদের কাজ ছিল, কিন্তু আজ পশুদের পাল্লা শুধু বেড়ে চলছে চারদিকে।

 

পশু সমাজের নতুন প্রতিনিধী আফরোজ মিয়া পিটিয়ে মেরে ফেলেছে সিলেটের এই তরুন টিকে। ভাষা হারিয়ে মানুষের সংজ্ঞা খুজছি আজ।

জাতির ভবিষ্যৎ দের জন্য আইন-রক্ষা করুন শিশুদের অধিকার-নিয়ন্ত্রন করুন শিশু শ্রম।


 
কেন হয় শিশু নির্যাতন?
সবল দূর্বলের উপর আক্রমণ করবে এটা যেন আমাদের চিরায়ত রীতি হয়ে বার বার চোখের সামনে ধরা দেয়। আজকে যে শিশু কাল হবে সে বিশ্বের রাজা! এটা আমরা সবাই বলি- কিন্তু সেই রাজাকে রাজার মত বেড়ে উঠতে দেয় না! কারণ-আমাদের মূখ্যতা,নিচু মনের পরিচয়,মানুষের প্রতি ভালবাসার অভাব তাদের কে জেনে না জেনে অঙ্কুরেয় বিনাশ করতে ব্যস্ত ! শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য যে পরিবেশটা প্রয়োজন সেটা আমরা সরবরাহ করতে পারিনা। আমাদের আছে সাধারণ সেন্সের অভাব। নিজে বড় হ্ওয়া মানেয় পৃথিবিটা বড় হ্ওয়া নই তা আমরা বুঝতে চাইনা। তাই করি নির্যাতন।

আসুন এক নজরে দেখে নেয় শিশুদের নিয়ে কিছু আইন