আমরা মমিসিঙ্গের মানুষ, আমরার আপনাজন হুমায়ুন আহামেদ স্যারকে নিজের মত স্বরণ করমু নাকি কন?
স্যারেরে লয়া একখান পুথি রচনা করিয়াছিলাম গত বছর ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে।
সবাই গুলওয়া বইন- পুথি পড়া শুরু করতাছি, শেষ না কইরা কিন্তুক উঠুন জাইত না কয়া রাখলাম:-
স্যারেরে লয়া একখান পুথি রচনা করিয়াছিলাম গত বছর ময়মনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে।
সবাই গুলওয়া বইন- পুথি পড়া শুরু করতাছি, শেষ না কইরা কিন্তুক উঠুন জাইত না কয়া রাখলাম:-
বিছমিল্লাহ খোদার নাম আরম্ভ প্রথম
দ্বিতীয়ত ছোয় কল্পে নবীরও কদম ।
শুনেন শুনেন ব্লগারবাসী শুনেন দিয়া মন
কুতুবপুরের রাজকুমারের কথা করিবো বর্ণণ।
“কুতুবপুর গ্রামে ছিল সাহিত্যের রাজকুমার
হ্যার কীর্তি যত বলব কত হোন্তে চমতকার।।
আহা, হোন্তে চমতকারররররর.....
হাই-
কত সৃষ্টি কত নতুন ভর দিলো সে মাইনসেরে
তা কইতে মুখের ফেনা মুখের উপর পরে।
রত্না গর্ভা মায়ের তারা তিনটা মাত্র ভাই
নিজ নিজ ক্ষেত্রে সবাই গড়িছে সম্মান
আহা গড়িছে সম্মান.....।।
হঠাৎ একদিন রাজকুমার পড়িলো মহা রোগে
বিধির বিধান সয়ে চলে গেলো অন্ধ অচিনপুরে
আহা, অন্ধ অচিনপুরেএএএএ.........।।
আজ,
সারা দুইন্যা কাইন্দা মরি আকাশ পানে চাইয়া
এমন সম্পদ অকালে হারায়লাম বইল্যা
আহা হারায়লাম বইল্যা....।।
কিন্তু- র্কীতিমানের কি নাই?
-মৃত্যু নাই।
আরে র্কীতিমানের মৃত্যু নাই জানি আমরা হগ্ল্গলে
থাকবেন রাজকুমার সবার মনেরো ভিত্তরে
আহা মনেরো ভিত্তরে.....।।
এই বলিয়া পুথি আজি করিলাম গো শেষ
ভুল ত্রুটি ক্ষেমা দিবেন থাকবেন সবে বেশ।
*নেত্রকোণা কেন্দুয়ার কুতুবপুর গ্রামের সেই রাজকুমারকে স্বরণ রাখবে মানুষ, যত দিন বাংলা ও বাংলা ভাষা আছে।
*পুথিটি 'ময়মনসিংহ গীতিকার' অনুকরণে লিখিত।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন