সীমান্ত ঘেষা জেলা শেরপুর। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সাথে এই দিকে সীমানা প্রাচীর বাংলাদেশের। নালীতাবাড়ি, ঝিনাইগাতি উপজেলা মিশেছে সীমন্তের প্রান্তে।
পাহাড় ও সবুজ ঘন বনের সারি চারদিকে। বন্য প্রানীর অভয়ারণ্য ও উপজাতিদের আবাসস্থল এই দিকে। এখানে রয়েছে-গারো, ঢাল, কুচ, বাড়াল সহ বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠির বাস।
পাহাড়ের উপর স্থাপিত টাওয়ার থেকে দেখা যায় ভারতীয় বিএসএফ এর নজরদারী। ভাগ্য খারাপ থাকলে পড়তে পারেন বন্য হাতির খপ্পরে ! তবে বর্ষাকারে সম্ভাবনা কম। তারা নাকি ধান উঠানোর সময় আসে বেশি দল বেধে।
ঘুরতে গিয়েছিলাম বন্ধুরা মিলে নালিতাবাড়ির মধুটিলা ইকো পার্ক সহ পাহাড়ি জংগলে।
চলুন আমার সাথে আপনাদের ঘুরিয়ে আনি সেখান থেকে-

বন্য প্রাণীদের নিরাপদ আবাস নিশ্চিত করুন। বানরের হাতে।

দেখা মিলবে জংগলে হরিণের।

একসময় নাকি এই জংগলে বাঘ ছিল ! এখন তো নেই কিন্তু দেখলাম বাঘে বাঘ খাচ্ছে !

এমন সব রাস্তা সরু হয়ে ঢুকে গিয়েছে গভীর জংগলে। পথ হারানোর সম্ভাবনা অনেক। আমরাও হারিয়েছিলাম। হাতে লাঠি দিয়ে সাপ তাড়াতে তাড়াতে রাস্তা খুজতে হল।

প্রায় ৩৫০ ফুট উপরে উঠার পর দেখলাম অন্য দিকে জংগলের ভিতরে নামতে হবে আরো বেশি !

দুইজন সহচর পেয়েছিলাম সেখানে। না থাকলে অনেক বিপদ হত।

পধ হারিয়ে ঘুরছিলাম। খালের অন্য প্রান্তে উনি বসে ছিলেন। অনেক ডাকাডাকি করলাম। কিন্তু কোন পাত্তায় দিলেন না আমাদের। পরে শুনলাম উনি কানে শুনেন না !

দুরের মেঘালয় পাহাড়, টাওয়ার থেকে দুরবিনে তোলা ছবি।

অনেক উপর থেকে।

কোন গ্রুপের যেন একজন বন্ধু আসেনি। তারা তা সুন্দর করে লেখে গিয়েছে। এটাই বন্ধুর ভালবাসা।

জায়গার নাম মধুটিলা, খুজে পেলাম বিশাল এক মধুর চাক।

দুপুরের খাবার খেয়েছি সেখানের এক বাড়িতে। হয়ে গিয়েছিলাম তাদের অতিথী বিভিন্ন কথা বলতে বলতে। ডিম, ডাল আর ভাত।

প্রথমে বলছিলো তাদের এত থালা নেই। আমরা বললাম, যে প্রয়োজনে কলা পাতায় খাবো। কিন্তু অন্য বাড়ি থেকে ঠিকি থালা নিয়ে আসলো এই পাহাড়ি বাচ্চাটি।

দেখতে দেখতে খেয়ে দেয়ে যাত্রা শেষ করে চলে আসি শেরপুর শহরে মাথায় অনেক স্মৃতি জমা করে ও আনন্দের কিছু মুর্হুত কাটিয়ে।
সত্যিই ভুলার মত নয় ওদের অতিথীয়তা ও গহীন বনের হাতছানি।
বি:দ্র: যারা যেতে যান তাদের জন্য কিছু কথা-
ঢাকা থেকে শেরপুরে অবশ্যই গেইটলক বাসে করে যাবেন। সেখান থেকে সিএনজি ভাড়া ২৫০ টাকার মত নিবে নালিতাবাড়ির মধুটিলায়। মোটর সাইকেল ভাড়া নিতে পারবেন এই ভাড়াতেই। সাথে কোন পরিচিত এলাকার বন্ধু থাকলে ভাল হয়। চিনিয়ে নিতে পারবে। এবং ভিতরে সাবধানে ঘুরিয়ে দেখাতে পারবে।
বনের বেশি গহীনে না যাওয়া ভাল। সাপের পরিমান বেশি। আরো প্রানী চোখে পরেছে। কাঁটা গাছে ভরা জংগল। জোঁক ও মশার পরিমাণ বেশি।
পাহাড় ও সবুজ ঘন বনের সারি চারদিকে। বন্য প্রানীর অভয়ারণ্য ও উপজাতিদের আবাসস্থল এই দিকে। এখানে রয়েছে-গারো, ঢাল, কুচ, বাড়াল সহ বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠির বাস।
পাহাড়ের উপর স্থাপিত টাওয়ার থেকে দেখা যায় ভারতীয় বিএসএফ এর নজরদারী। ভাগ্য খারাপ থাকলে পড়তে পারেন বন্য হাতির খপ্পরে ! তবে বর্ষাকারে সম্ভাবনা কম। তারা নাকি ধান উঠানোর সময় আসে বেশি দল বেধে।
ঘুরতে গিয়েছিলাম বন্ধুরা মিলে নালিতাবাড়ির মধুটিলা ইকো পার্ক সহ পাহাড়ি জংগলে।
চলুন আমার সাথে আপনাদের ঘুরিয়ে আনি সেখান থেকে-
বন্য প্রাণীদের নিরাপদ আবাস নিশ্চিত করুন। বানরের হাতে।
দেখা মিলবে জংগলে হরিণের।
একসময় নাকি এই জংগলে বাঘ ছিল ! এখন তো নেই কিন্তু দেখলাম বাঘে বাঘ খাচ্ছে !
এমন সব রাস্তা সরু হয়ে ঢুকে গিয়েছে গভীর জংগলে। পথ হারানোর সম্ভাবনা অনেক। আমরাও হারিয়েছিলাম। হাতে লাঠি দিয়ে সাপ তাড়াতে তাড়াতে রাস্তা খুজতে হল।
প্রায় ৩৫০ ফুট উপরে উঠার পর দেখলাম অন্য দিকে জংগলের ভিতরে নামতে হবে আরো বেশি !
দুইজন সহচর পেয়েছিলাম সেখানে। না থাকলে অনেক বিপদ হত।
পধ হারিয়ে ঘুরছিলাম। খালের অন্য প্রান্তে উনি বসে ছিলেন। অনেক ডাকাডাকি করলাম। কিন্তু কোন পাত্তায় দিলেন না আমাদের। পরে শুনলাম উনি কানে শুনেন না !
দুরের মেঘালয় পাহাড়, টাওয়ার থেকে দুরবিনে তোলা ছবি।
অনেক উপর থেকে।
কোন গ্রুপের যেন একজন বন্ধু আসেনি। তারা তা সুন্দর করে লেখে গিয়েছে। এটাই বন্ধুর ভালবাসা।
জায়গার নাম মধুটিলা, খুজে পেলাম বিশাল এক মধুর চাক।
দুপুরের খাবার খেয়েছি সেখানের এক বাড়িতে। হয়ে গিয়েছিলাম তাদের অতিথী বিভিন্ন কথা বলতে বলতে। ডিম, ডাল আর ভাত।
প্রথমে বলছিলো তাদের এত থালা নেই। আমরা বললাম, যে প্রয়োজনে কলা পাতায় খাবো। কিন্তু অন্য বাড়ি থেকে ঠিকি থালা নিয়ে আসলো এই পাহাড়ি বাচ্চাটি।
দেখতে দেখতে খেয়ে দেয়ে যাত্রা শেষ করে চলে আসি শেরপুর শহরে মাথায় অনেক স্মৃতি জমা করে ও আনন্দের কিছু মুর্হুত কাটিয়ে।
সত্যিই ভুলার মত নয় ওদের অতিথীয়তা ও গহীন বনের হাতছানি।
বি:দ্র: যারা যেতে যান তাদের জন্য কিছু কথা-
ঢাকা থেকে শেরপুরে অবশ্যই গেইটলক বাসে করে যাবেন। সেখান থেকে সিএনজি ভাড়া ২৫০ টাকার মত নিবে নালিতাবাড়ির মধুটিলায়। মোটর সাইকেল ভাড়া নিতে পারবেন এই ভাড়াতেই। সাথে কোন পরিচিত এলাকার বন্ধু থাকলে ভাল হয়। চিনিয়ে নিতে পারবে। এবং ভিতরে সাবধানে ঘুরিয়ে দেখাতে পারবে।
বনের বেশি গহীনে না যাওয়া ভাল। সাপের পরিমান বেশি। আরো প্রানী চোখে পরেছে। কাঁটা গাছে ভরা জংগল। জোঁক ও মশার পরিমাণ বেশি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন