গত কিছুদিনের ঘটনা সমূহ বার বার মাথায় আঁচড় কাটছে। তাহলে কি আমরা মানুষ হওয়ার রাস্তা থেকে দুরে সরে যাচ্ছি!
মানুষ কি অমানুষ হচ্ছে?
নাকি দিন দিন অমানুষেরা মানুষের দলে আসছে!
গত কিছু দিনের ঘটনা+তারও আগের কিছু ঘটনার দিকে চোখ ফিরান-
চলতি বছরের গত ৬ মাসে গড়ে প্রতি ৪ দিনে একজন করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে।। মানুষ আইন হাতে তুলে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে ৭৫ জনকে।
বিচার বর্হিভূত হত্যা বলতে কি বুঝি-
একপ্রকার বেআইনী হত্যাকাণ্ড যা সাধারণত রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, সামাজিক ব্যক্তিত্ত্ব, বা অপরাধীকে রাষ্ট্রপ্রদত্ত আইনত বিচারের পূর্বেই হত্যা করা হয়। এটি সাধারণত সরকার, প্রাদেশিক সরকারের মাধ্যমে, যেমন: পুলিশ বা সশস্ত্র বাহিনী, অথবা বিভিন্ন অপরাধী সংগঠন, এটা করে থাকে।
বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং ডেথ স্কোয়াড (death squads) সবচেয়ে বেশি দেখা যায় মধ্যপ্রাচ্যে (সবচেয়ে বেশি ফিলিস্তিন ও ইরাকে, মধ্য আমেরিকা, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত (জম্মু ও কাশ্মীর সহ অন্যান্য রাজ্য) আফ্রিকার বিষুবীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশজ্যামাইকা, কসোভো,দক্ষিণ আমেরিকার বেশকিছু অংশ, চেচনিয়া, রাশিয়া, উজবেকিস্তান, উত্তর ওশেনিয়া, থাইল্যান্ডের কিছু অংশ,এবং ফিলিপাইনে।
খবর-উইকিপিডিয়া
মানুষ হত্যা করাটা এখন অনেক সহজ। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা বাহিনি নিজের দোষ ঢাকতে জনগণকে ব্যবহার করছেন। আর আমরা বোকা জনগণ মানুষ হত্যা করার এক নতুন হলি খেলায় মেতে উঠেছি!
কি মজা মানুষ মারতে, জীবনে তো পারবো না তাই দেখি না ফ্রি একটা মানুষ মেরে! এমন একটি ভাব সবার মাঝে।
*গত ১৮ জুলাই নদীর তীরে ডাকাত সন্দেহে ৬ মেধাবী ছাত্রকে পিটিয়ে মারে জনতা-পুলিশ ছিল ধারে কাছেই।
* ডাকাত সন্দেহে ছয়জনকে গ্রামবাসী পিটিয়ে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালীতে।
*ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবদুল কাদির গাড়ি চোর সন্দেহে আটক ও নির্যাতন।
*মিলন নামে এক কিশোরকে দিনে দুপুরে পুলিশের নির্দেশে জনগণ পিটিয়ে মারে।
সবেচেয়ে বেশি সংবাদে আসার কারণে এই কয়েকটি বললাম আরও কত ঘটনা ঘটছে যা হয়তো আমদের জানার বাইরেয় রয়ে যাচ্ছে।
আইনের প্রতি চরম অনাস্থা, প্রশাসনের প্রতি যারপরনাই ক্রোধের শিকার হলো ৬ ছাত্র সাভারে! যারা শুধু মাত্র একটু মজা করার জন্য নদীর পাড়ে বসে ছিল আর বোকা জনগণ তাদের কে ---
ওই সব জনগণের মাঝে কি একটাও সচেতন মানুষ ছিল না! সবাই কি মূর্খ্য ছিল।নাকি তখন অমানুষ্যত্ব ভর করে ছিল! কেউ কি তাদের বলতে পারেনি বা বুঝতে পারে নি ছেলে গুলোর কথা!
এটা কি বিশ্বাস যোগ্য যে সেখানে একটাও মানুষ ছিল না! সেখানে যারা ছিল তারা কি তাহলে মানুষ নাম ধারী পশু!
কোন সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে বা পুলিশে সোপর্দ করার প্রয়োজনীয়তাও মনে না করে গ্রামবাসী নিজেরাই আইন নিজেদের হাতে তুলে নেয়।
১৬ বছরে কিশোর মিলনকে বুঝতে পারার মত কোন মানুষ কি সেখানে ছিল না! নাকি মানুষ মারার মজার দৃশ্য উপভোগ করাটায় তাদের কাছে মুখ্য ছিল।
পুলিশ কখনোয় জনগণের বন্ধু হিসেবে আমদের পাশে দাড়ায় নি। এবং কখনোই নিজের দোষ টা স্বীকার করে নিতে চায় না এটা প্রমাণীত। তাহলে কেন আপনি পুলিশের কথায় কিছু না বুঝে এমন একটি মর্মান্তীক ঘটনার জন্ম দিচ্ছেন।কিসের লোভে আপনি একটি ছেলের জীবন কেড়ে নিচ্ছেন!
একটি জীবন কেড়ে নেয়া যতটা সহজ ততটা নয় তার চেয়েও ঢের বেশি কঠিন তাকে বাঁচিয়ে রাখা টা।
জনগণ আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে কেন?
কারণ প্রচলিত আইন-প্রশাসনের কাছে তারা কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না! নাগরিক বৈষম্য, নাগরিক সুযোগ সুবিধার অভাব। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতি।
পুলিশের উপর আস্থা, আইনের প্রতি বিশ্বাস বা আইনের শাসন নেই বলেই পিটিয়ে মারার প্রবণতা বাড়ছে।
বিচার চেয়ে ন্যায্য বিচার পায় না সাধারণ মানুষ, অপরাধী প্রভাবশালী হলে, টাকা দিয়েই পার পেয়ে যাচ্ছে। মামলার দীর্ঘসূত্রতা, চার্জশিট না নেয়া ইত্যাদি কারণে মানুষের মনে ক্ষোভ বাড়ছে। আর এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে আইন নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে।
যার ফলে কে অপরাধী বা কে নিরপরাধী বা কেনই বা মারতে হবে তাকে সেটাও ভাবছে না মানুষ। তাই হাসি মুখেই বলতে পারছে-
মারি হালা মারি হালা'পুলিশ কইছে না"!
পুলিশ জনগণকে উৎসাহিত করছে গণপিটুনিতে মানুষ হত্যার জন্য। গণপিটুনিতে হত্যা করা হলে কারো বিরোদ্ধে মামলা হয় না বা বিচার হয় না এটা পুলিশ জানে তাই তারা বোকা জনগণের মাধ্যমে নিজের কর্ম হাসিল করিয়ে নিচ্ছে। আর বোকা জনগণ সেই ফাদেঁ পা দিয়ে নিজের মনের জ্বাল মিটাচ্ছে অসহায় মানুষেল উপর হত্যা খেলার মধ্য দিয়ে।
সম্প্রতি ঝালকাঠির লিমন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কাদেরের ঘটনা তাই প্রমাণ করছে, আইনের লোক নিয়মিত আইন ভাঙছে।
'আইনের লোক আইন ভাঙচে আমরা ভাঙলে কি ক্ষতি' এমন একটি মনোভাব চলে এসেছে তাদের মাঝে।
পুলিশের বিরোদ্ধে অভিযোগ আসলে তাকে কিছু দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয় এই পযর্ন্তই। পরে আর কোন ব্যবস্থা বা তার বিরোদ্ধে মামলা করার কোন খবর পাওয়া যায় না তাই পুলিশ কর্মকর্তারাও নিশ্চিন্তে করে চলেছেন এমন কাজ।
কিছু মনের কথা-
হতে পারে আপনার কাছে এই আইনের কোন মূল্য নেই,হতে পারে আপনি আইনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন! তাই বলে তো আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে আপনি অন্যের জীবন ধ্বংস করতে পারেন না! এই প্রবণতা এখনই বন্ধ না করতে পারলে তা এক সময় মহামারী আকার ধারণ করবে তা না বললেও চলে।
পুলিশের উপর আস্থা ফিরিয়ে আনতে কঠোর আইন প্রয়োগ, আর জবাবদিহি মূলক প্রশাসন নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের বন্ধু না হোক অন্তত শত্রু হয়ে জনগণকে খুনি হিসেবে প্রকাশ বন্ধ করুন।আইন কেউ যেন নিজের হাতে তুলে না নেয় সেদিকে নজর দিন।
যদি এমন চলতেই থাকে তাহলে খুব কষ্ট হলেও বলতে হচ্ছে-
জীবন ধ্বংস করার জন্য আইন নিজের হাতে তুলে আসুন -
আমরা সবাই আইন , আমরা সবাই অপরাধী হয়ে, আমরা একজন অন্যজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলি!তখন দেশ হবে মানুষ শূন্য, হয়ে যাবে অমানুষের ভাগার!
রাস্তায় যখন বের হয় চারদিকে তাকিয়ে দেখে পথ চলতে হয়। কখন না জানি আবার কোন পুলিশ বা জনতা বলে উঠে-
"মাইরে হাল" মাইরে হালা
কিছু বুঝার আগেই নিজেকে হয়তো হাসপাতালে না হলে আমার আত্বীয় স্বজন মর্গে আমাকে খুজে পাবে!
মানুষ কি অমানুষ হচ্ছে?
নাকি দিন দিন অমানুষেরা মানুষের দলে আসছে!
গত কিছু দিনের ঘটনা+তারও আগের কিছু ঘটনার দিকে চোখ ফিরান-
চলতি বছরের গত ৬ মাসে গড়ে প্রতি ৪ দিনে একজন করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে।। মানুষ আইন হাতে তুলে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছে ৭৫ জনকে।
বিচার বর্হিভূত হত্যা বলতে কি বুঝি-
একপ্রকার বেআইনী হত্যাকাণ্ড যা সাধারণত রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, সামাজিক ব্যক্তিত্ত্ব, বা অপরাধীকে রাষ্ট্রপ্রদত্ত আইনত বিচারের পূর্বেই হত্যা করা হয়। এটি সাধারণত সরকার, প্রাদেশিক সরকারের মাধ্যমে, যেমন: পুলিশ বা সশস্ত্র বাহিনী, অথবা বিভিন্ন অপরাধী সংগঠন, এটা করে থাকে।
বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং ডেথ স্কোয়াড (death squads) সবচেয়ে বেশি দেখা যায় মধ্যপ্রাচ্যে (সবচেয়ে বেশি ফিলিস্তিন ও ইরাকে, মধ্য আমেরিকা, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভারত (জম্মু ও কাশ্মীর সহ অন্যান্য রাজ্য) আফ্রিকার বিষুবীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশজ্যামাইকা, কসোভো,দক্ষিণ আমেরিকার বেশকিছু অংশ, চেচনিয়া, রাশিয়া, উজবেকিস্তান, উত্তর ওশেনিয়া, থাইল্যান্ডের কিছু অংশ,এবং ফিলিপাইনে।
খবর-উইকিপিডিয়া
মানুষ হত্যা করাটা এখন অনেক সহজ। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা বাহিনি নিজের দোষ ঢাকতে জনগণকে ব্যবহার করছেন। আর আমরা বোকা জনগণ মানুষ হত্যা করার এক নতুন হলি খেলায় মেতে উঠেছি!
কি মজা মানুষ মারতে, জীবনে তো পারবো না তাই দেখি না ফ্রি একটা মানুষ মেরে! এমন একটি ভাব সবার মাঝে।
*গত ১৮ জুলাই নদীর তীরে ডাকাত সন্দেহে ৬ মেধাবী ছাত্রকে পিটিয়ে মারে জনতা-পুলিশ ছিল ধারে কাছেই।
* ডাকাত সন্দেহে ছয়জনকে গ্রামবাসী পিটিয়ে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নোয়াখালীতে।
*ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবদুল কাদির গাড়ি চোর সন্দেহে আটক ও নির্যাতন।
*মিলন নামে এক কিশোরকে দিনে দুপুরে পুলিশের নির্দেশে জনগণ পিটিয়ে মারে।
সবেচেয়ে বেশি সংবাদে আসার কারণে এই কয়েকটি বললাম আরও কত ঘটনা ঘটছে যা হয়তো আমদের জানার বাইরেয় রয়ে যাচ্ছে।
আইনের প্রতি চরম অনাস্থা, প্রশাসনের প্রতি যারপরনাই ক্রোধের শিকার হলো ৬ ছাত্র সাভারে! যারা শুধু মাত্র একটু মজা করার জন্য নদীর পাড়ে বসে ছিল আর বোকা জনগণ তাদের কে ---
ওই সব জনগণের মাঝে কি একটাও সচেতন মানুষ ছিল না! সবাই কি মূর্খ্য ছিল।নাকি তখন অমানুষ্যত্ব ভর করে ছিল! কেউ কি তাদের বলতে পারেনি বা বুঝতে পারে নি ছেলে গুলোর কথা!
এটা কি বিশ্বাস যোগ্য যে সেখানে একটাও মানুষ ছিল না! সেখানে যারা ছিল তারা কি তাহলে মানুষ নাম ধারী পশু!
কোন সত্যতা যাচাইয়ের সুযোগ না দিয়ে বা পুলিশে সোপর্দ করার প্রয়োজনীয়তাও মনে না করে গ্রামবাসী নিজেরাই আইন নিজেদের হাতে তুলে নেয়।
১৬ বছরে কিশোর মিলনকে বুঝতে পারার মত কোন মানুষ কি সেখানে ছিল না! নাকি মানুষ মারার মজার দৃশ্য উপভোগ করাটায় তাদের কাছে মুখ্য ছিল।
পুলিশ কখনোয় জনগণের বন্ধু হিসেবে আমদের পাশে দাড়ায় নি। এবং কখনোই নিজের দোষ টা স্বীকার করে নিতে চায় না এটা প্রমাণীত। তাহলে কেন আপনি পুলিশের কথায় কিছু না বুঝে এমন একটি মর্মান্তীক ঘটনার জন্ম দিচ্ছেন।কিসের লোভে আপনি একটি ছেলের জীবন কেড়ে নিচ্ছেন!
একটি জীবন কেড়ে নেয়া যতটা সহজ ততটা নয় তার চেয়েও ঢের বেশি কঠিন তাকে বাঁচিয়ে রাখা টা।
জনগণ আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে কেন?
কারণ প্রচলিত আইন-প্রশাসনের কাছে তারা কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না! নাগরিক বৈষম্য, নাগরিক সুযোগ সুবিধার অভাব। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতি।
পুলিশের উপর আস্থা, আইনের প্রতি বিশ্বাস বা আইনের শাসন নেই বলেই পিটিয়ে মারার প্রবণতা বাড়ছে।
বিচার চেয়ে ন্যায্য বিচার পায় না সাধারণ মানুষ, অপরাধী প্রভাবশালী হলে, টাকা দিয়েই পার পেয়ে যাচ্ছে। মামলার দীর্ঘসূত্রতা, চার্জশিট না নেয়া ইত্যাদি কারণে মানুষের মনে ক্ষোভ বাড়ছে। আর এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে আইন নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে।
যার ফলে কে অপরাধী বা কে নিরপরাধী বা কেনই বা মারতে হবে তাকে সেটাও ভাবছে না মানুষ। তাই হাসি মুখেই বলতে পারছে-
মারি হালা মারি হালা'পুলিশ কইছে না"!
পুলিশ জনগণকে উৎসাহিত করছে গণপিটুনিতে মানুষ হত্যার জন্য। গণপিটুনিতে হত্যা করা হলে কারো বিরোদ্ধে মামলা হয় না বা বিচার হয় না এটা পুলিশ জানে তাই তারা বোকা জনগণের মাধ্যমে নিজের কর্ম হাসিল করিয়ে নিচ্ছে। আর বোকা জনগণ সেই ফাদেঁ পা দিয়ে নিজের মনের জ্বাল মিটাচ্ছে অসহায় মানুষেল উপর হত্যা খেলার মধ্য দিয়ে।
সম্প্রতি ঝালকাঠির লিমন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কাদেরের ঘটনা তাই প্রমাণ করছে, আইনের লোক নিয়মিত আইন ভাঙছে।
'আইনের লোক আইন ভাঙচে আমরা ভাঙলে কি ক্ষতি' এমন একটি মনোভাব চলে এসেছে তাদের মাঝে।
পুলিশের বিরোদ্ধে অভিযোগ আসলে তাকে কিছু দিনের জন্য সাসপেন্ড করা হয় এই পযর্ন্তই। পরে আর কোন ব্যবস্থা বা তার বিরোদ্ধে মামলা করার কোন খবর পাওয়া যায় না তাই পুলিশ কর্মকর্তারাও নিশ্চিন্তে করে চলেছেন এমন কাজ।
কিছু মনের কথা-
হতে পারে আপনার কাছে এই আইনের কোন মূল্য নেই,হতে পারে আপনি আইনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন! তাই বলে তো আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে আপনি অন্যের জীবন ধ্বংস করতে পারেন না! এই প্রবণতা এখনই বন্ধ না করতে পারলে তা এক সময় মহামারী আকার ধারণ করবে তা না বললেও চলে।
পুলিশের উপর আস্থা ফিরিয়ে আনতে কঠোর আইন প্রয়োগ, আর জবাবদিহি মূলক প্রশাসন নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের বন্ধু না হোক অন্তত শত্রু হয়ে জনগণকে খুনি হিসেবে প্রকাশ বন্ধ করুন।আইন কেউ যেন নিজের হাতে তুলে না নেয় সেদিকে নজর দিন।
যদি এমন চলতেই থাকে তাহলে খুব কষ্ট হলেও বলতে হচ্ছে-
জীবন ধ্বংস করার জন্য আইন নিজের হাতে তুলে আসুন -
আমরা সবাই আইন , আমরা সবাই অপরাধী হয়ে, আমরা একজন অন্যজনকে পিটিয়ে মেরে ফেলি!তখন দেশ হবে মানুষ শূন্য, হয়ে যাবে অমানুষের ভাগার!
রাস্তায় যখন বের হয় চারদিকে তাকিয়ে দেখে পথ চলতে হয়। কখন না জানি আবার কোন পুলিশ বা জনতা বলে উঠে-
"মাইরে হাল" মাইরে হালা
কিছু বুঝার আগেই নিজেকে হয়তো হাসপাতালে না হলে আমার আত্বীয় স্বজন মর্গে আমাকে খুজে পাবে!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন