এমন একটি শব্দ যা বলার সাথে সাথে মন জুড়িয়ে যায়। দেহে ফিরে আসে এক অনাবিল ভাল লাগার আবেশ।
যার কোন তুলনা নেই -
যার কোন ভালবাসার কমতি নেই-
যার কোলে মাথা রাখলে পাই বেহেস্তের আবেশ-
যার জন্য দুনিয়াতে আসতে পেরেছি-
সে আমার মা।
মা.মায়া,আম্মা,যে ভাবেই ডাকি না কেন! সে আমার সবচেয়ে আপন জন। দুরে থাকলে মনে হয় দেহ যেন কি এক অদ্ভুত অঙ্গহানী করে ঘুরছে। তোমাকে কিছু দিন না দেখলেয় মনে হয় চোখের কোণে আবেগের ঝর্ণা ধারা বয়ে যাবে।তোমায় কত ভালবাসি তা কখনো পরিমাপের নয়। তার পরেও কত কষ্ট দিয়ে ফেলি !
সেই দিনটার কথা কখনো ভুলবো না! মনে পড়লেয় অনেক রাগ লাগে নিজের উপর,তোমার উপরেও কিন্তু! ছোট বেলায় যখন সবাই শহরে বাসায় চলে এলাম,আমাকে গ্রামের স্কুলের বন্ধু বান্ধব ছেড়ে শহরে বড় স্কুলে ভর্তি করা হল। কিন্তু আমি বোকা ছেলে! এই স্কুলে যেতে চাইছিলাম না পুরোনো বন্ধুদের, নিজের স্কুল ছেড়ে। সবাই আমাকে বুঝাতে চাইল কিন্তু আমি বুঝতে চাইছিলাম না। অনেক অভিমান লাগছিল। আব্বা শেষে তোমাকে বললো আমাকে বুঝাতে যেন আমি নতুন স্কুলে কাল থেকেয় যাওয়া শুরু করি। তুমি আমাকে বুঝালে! কিন্তু আমি তো আমিই! যাবো না যাবো নাই। তুমি তখন আস্তে করে একটা কথা বলেছিল-
-গাড়ির নিচে পরবো নাকি আমি!
আমি তোমার কথা শুনে এতই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম যে মুখে কোন কথা বলতে পারিনি,সোজা ব্যাগ নিয়ে চলে গিয়েছিলাম স্কুলে ।
রাগ হয় কেন তুমি এত বড় কথা বলেছিলে তা মনে করে! আর নিজের উপর রাগ লাগে কেন এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে ছিলাম ।
শুধু একটা কথায় বার বার জানতে ইচ্ছা করে,
তুমি এত ভাল কেন?
সব সংস্কৃতিতেই সন্তানদের মানুষ করার ক্ষেত্রে মার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে।তাই মায়ের সাথেয় তাদের বন্ধনটা শক্তিশালী থাকে বেশি।
আজ বিশ্ব মা দিবস। ভেবো না দিবস বলেয় লিখছি, তোমার আবেশ পেতে,ভালবাসা পেতে কি আমি দিবসের ধার ধারতে পারি? কখ্খনো না।
তুমি সব কিছুর উর্দ্ধে। তোমার কাছে যাওয়ার জন্য যদি কোন জাতি,ধর্ম,বর্ণের দুরত্ব বাধা হয়ে দাড়ায় তবু থামবো না বলে রাখলাম!
যদি সমস্ত মানব জাতির জন্যে একটি বিষয় শুধু সত্য হয়, তা হল যে আমাদের সবারই মা আছে। এবং বিশ্বের অনেক দেশেই মাকে শ্রদ্ধা জানানো ও স্মরণ করার জন্যে “মা দিবস” পালিত হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে মা দিবস পালিত হয়। কারণ, দিবসটি উৎযাপনের সূত্রপাত বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। তবে বেশির ভাগ দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার দিনটি পালিত হয়।
ওই দিন সবাই তাদের মা কে শুভেচ্ছা জানায়। দিন কাটায় মায়ের সান্নিধ্যে। তবে শহরে এই রীতি দেখা যায়।
বিশ্বের বিভিন্ন দিবস উদ্যাপনের জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে বড়দিন এবংভালোবাসা দিবসের পর মা দিবসের অবস্থান।
ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিং বলেছেন,
""মাতৃত্বেই সকল মায়া-মমতা ও ভালোবাসার শুরু এবং শেষ।""
সময়টা আজ থেকে দেড়শ’ বছর আগের। সপ্তাহের প্রতি রবিবারের সকালটা অ্যানা জারভিসের জন্য একদম অন্যরকম। নিজের প্রতিষ্ঠিত সানডে স্কুলে বাচ্চাদের দিতেন বাইবেল পাঠ। বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে এক অদ্ভুত অনুভূতি হতো তার নিজের। এদের মুখাবয়বে খুঁজে পেতেন নিজ মায়ের মুখ। ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় বিনম্র হতে ইচ্ছে করত মায়ের প্রতি। এ বোধ থেকেই ১৯০৫ সালে মাকে ভালবাসা ও সম্মান জানাতে প্রবর্তন করেন মাদার্স ডে বা মা দিবসের। তবে যুক্তরাষ্ট্রে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর স্বীকৃতি ও প্রসার ঘটে ১৯১৪ সালে।
১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেসে মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে 'মা' দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়। আরও পরে ১৯৬২ সালে এই দিবসটি আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। দেশে দেশে মা দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার আন্তর্জাতিক মা দিবস হলেও সব দেশ এই দিবসটি পালন করে না। আসলে অনেক দেশেরই আলাদা আলাদা মা দিবস আছে। আর সেই দিনেই তারা মা দিবস পালন করে।বিভিন্ন দেশে এদিন সরকারী ছুটি ঘোষনা করা হয়ে থাকে।
তবে এটা একটা দিবসের থেকেও বেশি কিছু যা কখনোয় একটা দিনের মাঝে আটকে থাকে না। সবাই চায় এই দিনে মাকে খুশি করতে। মায়ের সাথে সময় কাটাতে, মাকে সুন্দর সুন্দর জিনিস বানিয়ে উপহার দিতে আরও অনেক কিছু। মা দিবসে পরিবারের সবাই মিলে ঘুরতে বেরোয়। অবশ্য সবাই যে বাইরে ঘুরতে যায় এমন নয়।
যারা বাড়িতে থাকে, তারা মাকে খুশি করতে নানান কাজ করে থাকে।
মা! যে শব্দ এক স্বর্গীয় পুণ্যতায় হৃদয়-মনকে অমিয় সুধায় প্লাবিত করে। ত্রিভুবনের সবচেয়ে মধুরতম অপার্থিব শব্দ। মা কথাটি ছোট্ট অতিঃ কিন্তু মধু মাখা। যা বললে মুখে কোন কষ্ট লাগে না,অন্তরে লাগে না ক্লান্তি।
ইসলাম মাকেই দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান, মহামর্যাদা। ইসলামের শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন,
‘মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।’মহান আল্লাহ পাক মা'দের অন্তরে সন্তানের প্রতি সৃষ্টি করেছেন এক পরম মমত্ববোধ। সন্তানের কাছ থেকে মা ডাক তাকে ভুলিয়ে দেয় সব দুখ।
সন্তানের প্রতি মায়ের এই তীব্র মমতার ব্যাখ্যায় বিজ্ঞান বলে, মায়ের দুধে এক প্রকার রাসায়নিক যৌগিক পদার্থ আছে-যা সন্তানের দেহে প্রবেশ করলে মা ও সন্তানের মধ্যে চুম্বক প্রীতি ও সৌহাদ্যেরে নিবিড় বন্ধন সৃষ্টি হয়। মায়ের দেহে নিউট্রোপেট্রিক রাসায়নিক পদার্থ থাকায় মায়ের মনের মাঝে সন্তানের জন্য মমতা জন্ম নেয়, মায়ের ভালোবাসার ক্ষমতা বিজ্ঞানের মাপকাঠিতে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। পৃথিবীতে আসার আগে সন্তান মায়ের গর্ভে তিলে তিলে বড় হয়। মায়ের দেহ থেকেই খাদ্য গ্রহণ করে। মাকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানানোর নির্দিষ্ট কোন দিন নাই। মায়ের প্রতি ভালবাসা প্রতিটি মহুর্তের। তারপরও বিশ্বের সকল মানুষ যাতে এক সাথে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারে সে জন্য মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আন্তর্জাতিক মা দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
আমাদের দেশের মায়েরা লুকিয়ে রাখে নিজের যত কষ্ট,সমস্যা নিজের সন্তানের ভালোর জন্য। তারা আগলিয়ে রাখে সন্তানকে, যেন শত্রুরা ক্ষতি করতে না পারে। অথচ আমরা! কত কষ্ট দেই তাদের।বুঝতে চাইনা তাদের মনটাকে। নিজের ভাললাগা ত্যাগ করে তারা আমাদের ভালবাসে,বার বার আমরা হেরে যায় তাদের ভালবাসার কাছে।
তাই বলতে চাই_
"মা তুমি আমার স্বপ্ন তুমি
আকুল পাথারের সাথি
ভালবাসি তোমায় মাগো জানি
সারা জীবন তোমার পাশে আছি।"
পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি জানাই সালাম।
যার কোন তুলনা নেই -
যার কোন ভালবাসার কমতি নেই-
যার কোলে মাথা রাখলে পাই বেহেস্তের আবেশ-
যার জন্য দুনিয়াতে আসতে পেরেছি-
সে আমার মা।
মা.মায়া,আম্মা,যে ভাবেই ডাকি না কেন! সে আমার সবচেয়ে আপন জন। দুরে থাকলে মনে হয় দেহ যেন কি এক অদ্ভুত অঙ্গহানী করে ঘুরছে। তোমাকে কিছু দিন না দেখলেয় মনে হয় চোখের কোণে আবেগের ঝর্ণা ধারা বয়ে যাবে।তোমায় কত ভালবাসি তা কখনো পরিমাপের নয়। তার পরেও কত কষ্ট দিয়ে ফেলি !
সেই দিনটার কথা কখনো ভুলবো না! মনে পড়লেয় অনেক রাগ লাগে নিজের উপর,তোমার উপরেও কিন্তু! ছোট বেলায় যখন সবাই শহরে বাসায় চলে এলাম,আমাকে গ্রামের স্কুলের বন্ধু বান্ধব ছেড়ে শহরে বড় স্কুলে ভর্তি করা হল। কিন্তু আমি বোকা ছেলে! এই স্কুলে যেতে চাইছিলাম না পুরোনো বন্ধুদের, নিজের স্কুল ছেড়ে। সবাই আমাকে বুঝাতে চাইল কিন্তু আমি বুঝতে চাইছিলাম না। অনেক অভিমান লাগছিল। আব্বা শেষে তোমাকে বললো আমাকে বুঝাতে যেন আমি নতুন স্কুলে কাল থেকেয় যাওয়া শুরু করি। তুমি আমাকে বুঝালে! কিন্তু আমি তো আমিই! যাবো না যাবো নাই। তুমি তখন আস্তে করে একটা কথা বলেছিল-
-গাড়ির নিচে পরবো নাকি আমি!
আমি তোমার কথা শুনে এতই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম যে মুখে কোন কথা বলতে পারিনি,সোজা ব্যাগ নিয়ে চলে গিয়েছিলাম স্কুলে ।
রাগ হয় কেন তুমি এত বড় কথা বলেছিলে তা মনে করে! আর নিজের উপর রাগ লাগে কেন এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে ছিলাম ।
শুধু একটা কথায় বার বার জানতে ইচ্ছা করে,
তুমি এত ভাল কেন?
সব সংস্কৃতিতেই সন্তানদের মানুষ করার ক্ষেত্রে মার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে।তাই মায়ের সাথেয় তাদের বন্ধনটা শক্তিশালী থাকে বেশি।
আজ বিশ্ব মা দিবস। ভেবো না দিবস বলেয় লিখছি, তোমার আবেশ পেতে,ভালবাসা পেতে কি আমি দিবসের ধার ধারতে পারি? কখ্খনো না।
তুমি সব কিছুর উর্দ্ধে। তোমার কাছে যাওয়ার জন্য যদি কোন জাতি,ধর্ম,বর্ণের দুরত্ব বাধা হয়ে দাড়ায় তবু থামবো না বলে রাখলাম!
যদি সমস্ত মানব জাতির জন্যে একটি বিষয় শুধু সত্য হয়, তা হল যে আমাদের সবারই মা আছে। এবং বিশ্বের অনেক দেশেই মাকে শ্রদ্ধা জানানো ও স্মরণ করার জন্যে “মা দিবস” পালিত হয়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে মা দিবস পালিত হয়। কারণ, দিবসটি উৎযাপনের সূত্রপাত বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। তবে বেশির ভাগ দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার দিনটি পালিত হয়।
ওই দিন সবাই তাদের মা কে শুভেচ্ছা জানায়। দিন কাটায় মায়ের সান্নিধ্যে। তবে শহরে এই রীতি দেখা যায়।
বিশ্বের বিভিন্ন দিবস উদ্যাপনের জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে বড়দিন এবংভালোবাসা দিবসের পর মা দিবসের অবস্থান।
ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিং বলেছেন,
""মাতৃত্বেই সকল মায়া-মমতা ও ভালোবাসার শুরু এবং শেষ।""
সময়টা আজ থেকে দেড়শ’ বছর আগের। সপ্তাহের প্রতি রবিবারের সকালটা অ্যানা জারভিসের জন্য একদম অন্যরকম। নিজের প্রতিষ্ঠিত সানডে স্কুলে বাচ্চাদের দিতেন বাইবেল পাঠ। বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে এক অদ্ভুত অনুভূতি হতো তার নিজের। এদের মুখাবয়বে খুঁজে পেতেন নিজ মায়ের মুখ। ভালবাসা আর শ্রদ্ধায় বিনম্র হতে ইচ্ছে করত মায়ের প্রতি। এ বোধ থেকেই ১৯০৫ সালে মাকে ভালবাসা ও সম্মান জানাতে প্রবর্তন করেন মাদার্স ডে বা মা দিবসের। তবে যুক্তরাষ্ট্রে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর স্বীকৃতি ও প্রসার ঘটে ১৯১৪ সালে।
১৯১৪ সালের ৮ মে মার্কিন কংগ্রেসে মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে 'মা' দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়। আরও পরে ১৯৬২ সালে এই দিবসটি আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। দেশে দেশে মা দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার আন্তর্জাতিক মা দিবস হলেও সব দেশ এই দিবসটি পালন করে না। আসলে অনেক দেশেরই আলাদা আলাদা মা দিবস আছে। আর সেই দিনেই তারা মা দিবস পালন করে।বিভিন্ন দেশে এদিন সরকারী ছুটি ঘোষনা করা হয়ে থাকে।
তবে এটা একটা দিবসের থেকেও বেশি কিছু যা কখনোয় একটা দিনের মাঝে আটকে থাকে না। সবাই চায় এই দিনে মাকে খুশি করতে। মায়ের সাথে সময় কাটাতে, মাকে সুন্দর সুন্দর জিনিস বানিয়ে উপহার দিতে আরও অনেক কিছু। মা দিবসে পরিবারের সবাই মিলে ঘুরতে বেরোয়। অবশ্য সবাই যে বাইরে ঘুরতে যায় এমন নয়।
যারা বাড়িতে থাকে, তারা মাকে খুশি করতে নানান কাজ করে থাকে।
মা! যে শব্দ এক স্বর্গীয় পুণ্যতায় হৃদয়-মনকে অমিয় সুধায় প্লাবিত করে। ত্রিভুবনের সবচেয়ে মধুরতম অপার্থিব শব্দ। মা কথাটি ছোট্ট অতিঃ কিন্তু মধু মাখা। যা বললে মুখে কোন কষ্ট লাগে না,অন্তরে লাগে না ক্লান্তি।
ইসলাম মাকেই দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান, মহামর্যাদা। ইসলামের শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন,
‘মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।’মহান আল্লাহ পাক মা'দের অন্তরে সন্তানের প্রতি সৃষ্টি করেছেন এক পরম মমত্ববোধ। সন্তানের কাছ থেকে মা ডাক তাকে ভুলিয়ে দেয় সব দুখ।
সন্তানের প্রতি মায়ের এই তীব্র মমতার ব্যাখ্যায় বিজ্ঞান বলে, মায়ের দুধে এক প্রকার রাসায়নিক যৌগিক পদার্থ আছে-যা সন্তানের দেহে প্রবেশ করলে মা ও সন্তানের মধ্যে চুম্বক প্রীতি ও সৌহাদ্যেরে নিবিড় বন্ধন সৃষ্টি হয়। মায়ের দেহে নিউট্রোপেট্রিক রাসায়নিক পদার্থ থাকায় মায়ের মনের মাঝে সন্তানের জন্য মমতা জন্ম নেয়, মায়ের ভালোবাসার ক্ষমতা বিজ্ঞানের মাপকাঠিতে নির্ণয় করা সম্ভব নয়। পৃথিবীতে আসার আগে সন্তান মায়ের গর্ভে তিলে তিলে বড় হয়। মায়ের দেহ থেকেই খাদ্য গ্রহণ করে। মাকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানানোর নির্দিষ্ট কোন দিন নাই। মায়ের প্রতি ভালবাসা প্রতিটি মহুর্তের। তারপরও বিশ্বের সকল মানুষ যাতে এক সাথে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারে সে জন্য মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আন্তর্জাতিক মা দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
আমাদের দেশের মায়েরা লুকিয়ে রাখে নিজের যত কষ্ট,সমস্যা নিজের সন্তানের ভালোর জন্য। তারা আগলিয়ে রাখে সন্তানকে, যেন শত্রুরা ক্ষতি করতে না পারে। অথচ আমরা! কত কষ্ট দেই তাদের।বুঝতে চাইনা তাদের মনটাকে। নিজের ভাললাগা ত্যাগ করে তারা আমাদের ভালবাসে,বার বার আমরা হেরে যায় তাদের ভালবাসার কাছে।
তাই বলতে চাই_
"মা তুমি আমার স্বপ্ন তুমি
আকুল পাথারের সাথি
ভালবাসি তোমায় মাগো জানি
সারা জীবন তোমার পাশে আছি।"
পৃথিবীর সকল মায়ের প্রতি জানাই সালাম।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন