এক বনে ছিল এক বানর। বনের সবচেয়ে মিষ্টি আঙুর ফলের গাছটিতে সে থাকতো। সেই বনের পাশেই বয়ছিল নদী। নদীর ওপারে থাকতো্ এক কুমির তার বউকে নিয়ে। প্রতি দিন কুমির এপারে নদীর তীরে এসে রোদ পোহাতো আর বানরের সাথে গল্প করতো।
এভাবে তারা অনেক ভাল বন্ধু হয়ে গিয়েছিল। একজন আর একজনকে এক দিন না দেখলে থাকতে পারতো না। তা্ই কুমির প্রতিদিন আসতো বুানরের কাছে। সুখ দুঃখের কথা বলতো। আর বানর তাকে মিষ্টি মিষ্টি আঙুর খা্ওয়াতো।
কুমির বাড়ি ফিরে বউয়ের সাথে বলতো-
-জানো নদীর ওপারে আমার এক বানর বন্ধু আছ। সে অনেক ভাল ।আমাকে প্রতিদিন মিষ্টি আঙুর খেতে দেয়,কি যে মজা সে আঙৃর।বন্ধুকে বলে মিষ্টি আঙুর নিয়ে আসবে।
--তাই বুঝি? তো প্রতিদিন একা একাই খেয়ে আসো আর আমার কাছে গল্প করো বসে! আমার কি খেতে ইচ্ছা করে না! কাল আমার জন্য তোমার
কুমির পরের দিন আসল বন্ধুর কাছে।
-বন্ধু ও বন্ধু তুমি একা একা সারাদিন বসে বসে মিষ্টি আঙুর খা্ও আর আমি আসলে আমাকে দা্ও,এই কথা আমি আমার বউকে বলেছি। সে তো তোমার গাছের আঙুর খেতে চাইছে।
--বন্ধু আসলে আমারি ভুল হয়েছে। আমার উচিত ছিল ভাবির জন্য কিছু আঙুর দিয়ে দেয়ার।
ঠিক আছে আজ ভাবির জন্য কিছু দিয়ে দিচ্ছি। দাঁড়াও মগ ডাল থেকে পাকা পাকা আঙুর এনে দিচ্ছি।
আর ভাবিকে আমার কথা বলো কেমন।আজ তবে যা্ও।
কুমির বাড়ি ফিরে বউকে আঙুর খেতে দিল। বউটি ছিল অনেক লোভী আর অহংকারী। সে আঙুর খেয়ে ভাবতে লাগল- আঙুর এত মিষ্টি সুস্বাদু তা বানর প্রতিদিন খাচ্ছে আর আমরা কিছুই না! তাহলে না জানি বানরের কলিজাটা কত মিষ্টি আর সুস্বাদ হবে!
তাই সে বানরের কলিজা খা্ওয়ার বায়না ধরলো স্বামীর কাছে।
-হয় তুমি আমাকে বানরের কলিজা খা্ওয়াবে না হলে আমি তোমার সংসারে নেই। আমি চললাম।
--আহা তুমি বুঝতে পারছো না কেন। বানর আমার ভাল বন্ধু আমি কেমন করে তার কলিজা এনে দেয়! এতে তো সে মরে যারে!
-আমি এত কিছু বুঝিনা। হয় কলিজা দিবে না হলে আমি থাকবোনা বলে দিলাম!
--ঠিক আছে দেখি কি করা যায়
ভাবতে ভাবতে কুমির বানরের কাছে আসলো।
-বন্ধু তোমার আঙুর খেয়ে বউ খুশি হয়েছে। তোমাকে আজ সে আমার বাড়িতে দা্ওয়াত দিয়েছে।
বানর অনেক খুশি হল শুনে কিন্ত,
-বন্ধু আমি তো সাতার জানি না। এই নদী পার হবো কেমন করে।
-সমস্যা নাই বন্ধু তুমি আমার পিঠে চড়ে বস। আমি তোমাকে ওপারে নিয়ে যাব আমার বাড়িতে।
-ঠিক আছে তাহলে দাড়া্ও আমি আরো কিছু মিষ্টি আঙুর নিয়ে আসি ভাবির জন্য।
কুমিরের পিঠে বসে নদী পার হচ্ছে বানর। আর গান গাইছে মনের সুখে .
মাঝ নদীতে এসে কুমির বানরকে বলে,
-বন্ধু তোমাকে তো বলা হয়নি। আসলে আমার বউ বলছিলো যে,তুমি এত মিষ্টি আঙুর খা্ও না জানি তোমার কলিজাটা কত মিষ্টি! সে তোমার কলিজা খেতে চেয়েছে। তাই তোমাকে নিয়ে যাচ্ছি!
এই কথা শুনার পর বানরের বুঝতে আর বাকি রইলো না যে তার বন্ধু বেইমানি করছে।নিজের বউয়ের জন্য বন্ধুর জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাঝ নদীতে বানর বুঝতে পারছে না কি করবে।
-বন্ধু এটা তো ভাল কথা,ভাবি আমার কলিজা খেতে চেয়েছে। ঠিক আছে খাবে।
কিন্তু বন্ধু সমস্যা হচ্ছে কলিজা তো আমি সাথে নিয়ে বের হয়নি! ভাবলাম নদীতে যাচ্ছি যদি কলিজা পরে যায়! তাই সেটা গাছের আগাই রেখে এসেছি।
ভাবি যেহেতু খেতে চেয়েছে তাহলে চলো আবার গাছের কাছে, কলিজা নিয়ে আসি।
কুমির ভাবলো ঠিকই তো! হতেই পারে। কলিজা ছাড়া গেলে বউ আবার চলে যাবে তার থেকে, গাছ থেকে পেরে নিয়ে যা্ওয়ায় ভাল।
তারা তখন উল্টা সাতরে গাছের কাছে চললো।
পারের কাছাকাছি আসতেই বানর এক লাফে নেমে তিন লাফে গাছের মগ ডালে উঠে গেল!
-বন্ধু আমি তোমাকে বিশ্বাস করে তোমার সাথে গিয়েছিলাম আর তুমি বউকে খুশি করার জন্য আমাকে মারতে চেয়েছিলে! এই তোমার বন্ধুত্বের খেলা।
আরে বোকা কুমির কলিজা কি কেউ গাছে রাখে! কলিজা থাকে দেহের ভিতরে।
-সংগ্রহ করা গল্প-
এভাবে তারা অনেক ভাল বন্ধু হয়ে গিয়েছিল। একজন আর একজনকে এক দিন না দেখলে থাকতে পারতো না। তা্ই কুমির প্রতিদিন আসতো বুানরের কাছে। সুখ দুঃখের কথা বলতো। আর বানর তাকে মিষ্টি মিষ্টি আঙুর খা্ওয়াতো।
কুমির বাড়ি ফিরে বউয়ের সাথে বলতো-
-জানো নদীর ওপারে আমার এক বানর বন্ধু আছ। সে অনেক ভাল ।আমাকে প্রতিদিন মিষ্টি আঙুর খেতে দেয়,কি যে মজা সে আঙৃর।বন্ধুকে বলে মিষ্টি আঙুর নিয়ে আসবে।
--তাই বুঝি? তো প্রতিদিন একা একাই খেয়ে আসো আর আমার কাছে গল্প করো বসে! আমার কি খেতে ইচ্ছা করে না! কাল আমার জন্য তোমার
কুমির পরের দিন আসল বন্ধুর কাছে।
-বন্ধু ও বন্ধু তুমি একা একা সারাদিন বসে বসে মিষ্টি আঙুর খা্ও আর আমি আসলে আমাকে দা্ও,এই কথা আমি আমার বউকে বলেছি। সে তো তোমার গাছের আঙুর খেতে চাইছে।
--বন্ধু আসলে আমারি ভুল হয়েছে। আমার উচিত ছিল ভাবির জন্য কিছু আঙুর দিয়ে দেয়ার।
ঠিক আছে আজ ভাবির জন্য কিছু দিয়ে দিচ্ছি। দাঁড়াও মগ ডাল থেকে পাকা পাকা আঙুর এনে দিচ্ছি।
আর ভাবিকে আমার কথা বলো কেমন।আজ তবে যা্ও।
কুমির বাড়ি ফিরে বউকে আঙুর খেতে দিল। বউটি ছিল অনেক লোভী আর অহংকারী। সে আঙুর খেয়ে ভাবতে লাগল- আঙুর এত মিষ্টি সুস্বাদু তা বানর প্রতিদিন খাচ্ছে আর আমরা কিছুই না! তাহলে না জানি বানরের কলিজাটা কত মিষ্টি আর সুস্বাদ হবে!
তাই সে বানরের কলিজা খা্ওয়ার বায়না ধরলো স্বামীর কাছে।
-হয় তুমি আমাকে বানরের কলিজা খা্ওয়াবে না হলে আমি তোমার সংসারে নেই। আমি চললাম।
--আহা তুমি বুঝতে পারছো না কেন। বানর আমার ভাল বন্ধু আমি কেমন করে তার কলিজা এনে দেয়! এতে তো সে মরে যারে!
-আমি এত কিছু বুঝিনা। হয় কলিজা দিবে না হলে আমি থাকবোনা বলে দিলাম!
--ঠিক আছে দেখি কি করা যায়
ভাবতে ভাবতে কুমির বানরের কাছে আসলো।
-বন্ধু তোমার আঙুর খেয়ে বউ খুশি হয়েছে। তোমাকে আজ সে আমার বাড়িতে দা্ওয়াত দিয়েছে।
বানর অনেক খুশি হল শুনে কিন্ত,
-বন্ধু আমি তো সাতার জানি না। এই নদী পার হবো কেমন করে।
-সমস্যা নাই বন্ধু তুমি আমার পিঠে চড়ে বস। আমি তোমাকে ওপারে নিয়ে যাব আমার বাড়িতে।
-ঠিক আছে তাহলে দাড়া্ও আমি আরো কিছু মিষ্টি আঙুর নিয়ে আসি ভাবির জন্য।
কুমিরের পিঠে বসে নদী পার হচ্ছে বানর। আর গান গাইছে মনের সুখে .
মাঝ নদীতে এসে কুমির বানরকে বলে,
-বন্ধু তোমাকে তো বলা হয়নি। আসলে আমার বউ বলছিলো যে,তুমি এত মিষ্টি আঙুর খা্ও না জানি তোমার কলিজাটা কত মিষ্টি! সে তোমার কলিজা খেতে চেয়েছে। তাই তোমাকে নিয়ে যাচ্ছি!
এই কথা শুনার পর বানরের বুঝতে আর বাকি রইলো না যে তার বন্ধু বেইমানি করছে।নিজের বউয়ের জন্য বন্ধুর জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাঝ নদীতে বানর বুঝতে পারছে না কি করবে।
-বন্ধু এটা তো ভাল কথা,ভাবি আমার কলিজা খেতে চেয়েছে। ঠিক আছে খাবে।
কিন্তু বন্ধু সমস্যা হচ্ছে কলিজা তো আমি সাথে নিয়ে বের হয়নি! ভাবলাম নদীতে যাচ্ছি যদি কলিজা পরে যায়! তাই সেটা গাছের আগাই রেখে এসেছি।
ভাবি যেহেতু খেতে চেয়েছে তাহলে চলো আবার গাছের কাছে, কলিজা নিয়ে আসি।
কুমির ভাবলো ঠিকই তো! হতেই পারে। কলিজা ছাড়া গেলে বউ আবার চলে যাবে তার থেকে, গাছ থেকে পেরে নিয়ে যা্ওয়ায় ভাল।
তারা তখন উল্টা সাতরে গাছের কাছে চললো।
পারের কাছাকাছি আসতেই বানর এক লাফে নেমে তিন লাফে গাছের মগ ডালে উঠে গেল!
-বন্ধু আমি তোমাকে বিশ্বাস করে তোমার সাথে গিয়েছিলাম আর তুমি বউকে খুশি করার জন্য আমাকে মারতে চেয়েছিলে! এই তোমার বন্ধুত্বের খেলা।
আরে বোকা কুমির কলিজা কি কেউ গাছে রাখে! কলিজা থাকে দেহের ভিতরে।
-সংগ্রহ করা গল্প-
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন