ও আমার দেশের মাটি……… রিং টোনটি বেজেয় যাচ্ছে! প্রতিদিনকার মত আজকেও বাজছে আর আমি প্রতিদিন যা করি! না দেখেই কেটে দিলাম! আরে ভাই ফোন কেটে দেয়ার মানে হল আমি ব্যস্ত আছি মানে ইউজার বিজি এটা বুঝো না! যত্তসব আবার ফোন! না আর শুয়ে থাকতে পারলাম না। ঘুমের আবেশেয় রিসিভ করলাম-
-হ্যালো
-এই তুমি ফোন ধরছো না কেন? সেই কখন থেকে ফোন দিচ্ছি।
–ও তুমি!
সরি বললেও কাজ হবে না আজ কথার ঝাজ থেকেয় বুঝলাম।
-না মানে তুমি তো কখনো ফোন দাওয়া আমাকে এত সকালে তাই।
-হুম তাই তুমি আমার ফোন ধরবে না?
–সরি বেবি অনেক অনেক সরি আর হবে না।
তো এত সকালে কেন ফোন দিলে বলো?
রেনেসা বললো আমাকে অনেক নরম গলায়,আজ সেই দিন।
-কোন দিন বলো তো?
-তুমি ভুলে গেলে? আজ আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল।
-ও হে হে মনে পরেছে। তুমি পার্কের শেষ মোড়ে চলে আসো আমি আসছি এখনি।
ও আপনাদের তো রেনেসার কথা বলায় হয়নি। আমার অনেক ভাল বন্ধু,সুখ দুখের সাথী সবচেয়ে বড় কথা হল আমার মন। কারন আমি আমার মনটাকে তার মাঝে খুজে পেয়েছি। মেয়েটার মন অনেক বড়,মানসিকতা বিশাল। মাঝে মাঝেয় আমি হেরে যায় শুধু তার মনটার কাছে।
একটি ক্যম্পে গিয়েছিলাম সেবার সিলেটে। বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করার সুবাদে মাঝে মাঝেয় যায় আর কিভাবে দেশের দশের ভাল কিছু করা যায় তা নিয়ে কথা বলি আর পরিকল্পনা করি আমার মত অনেক তরুনদের নিয়ে। নিজের মনটাকে এখন এমন ভাবে গড়ে তুলেছি যেখানে মনটাকে কখনো দুখ আর রাগের বসবতি করা যায় না। চোখ খুজে ফেরে চারদিকে আমার মনের মত একটা মনের। প্রথম দিন পরিচয় পর্ব হল সবার সাথে। আর বুঝতে পারলাম দেশের তরুন প্রজন্ম অনেক সচেতন নিজের অধিকার নিয়ে। তারা এখন ভাবে দেশের ভাল নিজের না।
প্রথম দিন ক্যাম্পে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ হয়েছিল। অনেক ইতিবাচক কিছু কথা শেয়ার করলাম সবার সাথে। আমার ধ্যান ধারনা সর্ম্পকেও কিছু কথা বললাম। যখন ক্যাম্প পুরোপুরি শুরু হল তখন একটা বিষয় খেয়াল করলাম,একটি মেয়ে এত সুন্দর সুন্দর প্রশ্ন করছে,মতামত দিচ্ছে আর ইতিবাচক ভাবে সবার মতামত নিচ্ছে। অনেক ভাল লাগল বিষয়টি।কারন আজকালকের মেয়েরা নাকি দেশ বা মানুষ নিয়ে ভাবে না এমনটা অনেকেয় বলতো! তাদের কথা যে ভুল সেটা বুঝতে পারলাম।
-হ্যালো ভাইয়া আপনার সাথে কি কথা বলতে পারি?
–জি বলুন, আমার নাম রওনক।আপনি?
-আমি রেনেসা। ১ম বর্ষে পড়ছি আইন বিষয় নিয়ে। ভাইয়া আপনার কাছ থেকে কিছু শিখতে আসলাম।
–হুম আমি ৩য় বর্ষ একই বিষয়।
আমি তো অবাক! বলে কি এই মেয়ে আমার কাছ থেকে কি শিখবে! আমি কি জানি সেটা তো আমি নিজেই জানিনা!
প্রথম কথা হয়ে ছিল রেনেসার সাথে। কেমন যেন একটু ভাল লাগা বা শান্তি শান্তি বোধ করলাম! নিজেও জানি না কেন,আজো বুঝিনি!
মানুষের মনটা যত বড় হবে সে মানুষ হিসাবে তত ভাল এটা সবাই জানি কিন্তু কয়জন হতে পারি! ঢাকায় চলে আসার ২ দিন পর হঠাৎ করে দেখি একটি মেয়ে রাস্তায় এক লোকের সাথে ঝগড়া করছে!
কি বিষয়?
একটা আহত পাখি রাস্তায় পরে ছিল সেটা একজন চাইছে হাসপাতালে নিতে আর এক ভদ্র লোক( অভদ্রই হবে মনে হয়) চাইছে বাসায় নিয়ে যেতে,তার ছেলের নাকি পাখি পালার শখ।
কাছে গিয়ে চিনতে পারলাম। হে রেনেসাই তো!
ওকে নিয়ে (সাথে পাখিটিও ছিল) গেলাম পশু হাসপাতালে।
-আপনি সামান্য পাখির জন্য রাস্তায় ঝগড়া করছিলেন কেন?
– আমি কষ্ট দেখতে পারি না। জানেন ইচ্ছে করছিল ওই লোককে এক লাথি দিয়ে… না থাক!
আর কোন কথায় বলতে পারি নি সেদিন দুইজনে।শুধু বলেছিলাম কাল লেকের ধারে আসবেন?
একটি বছর চলে গেল! এই না সে দিন প্রথম তোমায় আমি তুমি করে বলা শুরু করলম,তোমার হাতটি ধরে চলতে শুরু করলাম। আর দুইজনে মিলে দেশ,রাজনীতি নিয়ে নিয়মিত বিতর্ক, ঝগড়া শুরু করলাম!
আমরা নিজেদের নিয়ে ভাবছি না। যা হবার তা হবে সেটা সময় কথা বলবে। আমরা অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখছি এখন,যেখানে কোন মানুষ কষ্টে থাকবে না।
রেনেসাকে নিয়ে রাস্তায় হাটলে প্রতিদিন কোন না কোন সমস্যা হবেই! আর আমার পকেট খালি করে বাসায় ফিরি! আজ এই বাচ্চাটাকে টাকা দাও কাল ওই ছেলের জামাটা ছিড়া কিনে দাও। রিকসা ভাড়া দরকার হলে ৫ টাকার বেশি দাও!
আমি টাকা কই পাই? আমি কি চাকুরি করি, নাকি টাকার গাছ লাগিয়েছি!
যদিও চাকরি করার কোন ইচ্ছাই নেই আমার। কারন আমার কথা হচ্ছে আমি কেন অন্যের অফিসে চাকরি করবো! আমি অন্যকে আমার অফিসে চাকরি দিবো বলেয় মাঠে নেমেছি।
তাই এখন বাবা,বড় ভাই আর আপু-দুলাভাইকেই নিজের ব্যংক মনে করে চলছি।তারাও কিছু বলে না! কারন আমার মন মানসিকতা ভিন্ন এটা তারা বুঝে গেছে। সে যায় হোক-
লেকের ধারে বসে আছি ,রেনেসা নিশ্চয় আজ কাল শাড়ী পড়বে। কারন এটাই তার প্রিয় রং
-সে বলে যে রংটা সবচেয়ে বেশি অনুভব করতে পারি সেটাই তো প্রিয় হওয়া উচিত!
আমি অবশ্য দিনের ৮০% সময় কালোর উপরে বাস করি।
কিন্তু রেনেসার সাথে উনি কেন? ওর মা! অপমান নিশ্চয় আজকে মাথায় নিয়ে যেতে হবে!
রেনেসা অনেক বড় মনের মানুষ কিন্তু তার মা! আল্লাহ জানে কি আছে কপালে.আশে পাশে তাকিয়ে দেখলাম গুন্ডা-বাহিনী ভাড়া করা আছে কিনা! বলার সাথে সাথে ঝাপিয়ে পরবে আমার উপর!
কিন্তু আশেপাশে কেউ নেই দেখি!
-আসসালামু আলাইকুম সালাম আন্টি। কেমন আছেন?
–তাহলে তুমিই সেই বড় মনের দিল দরিয়া যে আমার কচি মেয়েটাকে ভালবাসে!
- জী,মানে জী আসলে আমি…জী
–পড়াশুনা শেষ করে নাকি চাকরি করবে না শুনলাম? তাহলে ওই যে চাকরি দিবে, সেটাই বা শুরু করছো না কেন?
যাক বাচলাম! মেয়ের মা তো দেখি মেয়ের চেয়েও ভাল মনের মানুষ। আর ভদ্র ও র্স্মাট।
-পড়াশুনা শেষ করে কাজে নেমে পরো আর তোমার বাবা-মাকে আমার সালাম দিবে।কারন আমার মেয়ের প্রতি আমার বিশ্বাস আছে সে খারাপ কাওকে ভালবাসবে না।
-জী আন্টি। ভাল থাকবেন। আর অবশ্যয় বলবো।
হার্ট বিট বেড়ে গিয়েছিল! সব ছেলেদের মনে হয় এমন হয়।ভালবাসি যাকে তাকে পাওয়ার জন্য না জানি আর কত শত বার হার্ট বিট বাড়বে!
-তুমি আমাকে বলবে না তোমার মা আসবেন সাথে? উহ যা ভয় পেয়েছিলাম!
–মজা করবো ভেবেছিলাম তাই বলিনি।
সত্যি রেনেসা তুমি পারও এমন ছেলেমানুষি করতে। এই কারনেয় তোমায় এত ভালবাসি আমি এত বেশি যা বলতে পারছি না।
রেনেসা দেখতে বার্বি পুতুলের মত। অনেক বেশি চন্ঞল কিন্তু দেখে বুঝার উপাই নেই! এক মাত্র তার সাথে মিশলেই বলা যাবে।অনেক মুক্ত মনের সব কথায় আমার সাথে শেয়ার করে আর তার কারনও বণর্ণা করে কেন বলছে!
তার যে গুনটা আকর্ষন করবে তা হল আবৃত্তী। এত সুন্দর আবৃত্তীর উচ্চারন আর কন্ঠ যা শুনলে মনে হবে… (বিশেষন দিতে পারছি না)
আমি দেখতে যেমনি আছি তার কাছে এটা নাকি কোন ব্যাপারই না! আমি খাট,দেখতেও তেমন আকষর্ণীয় না এই সব কথা বা ভাবনা নাকি তার মাথাতেও আসে না। সে নাকি আমার মনটাকে ভালবাসে আর আমর কাজকে।
রিকশা নিয়ে কখন যে আমরা হারিয়ে গেলাম কোলাহলের বাইরে টেরই পেলাম না।
-তোমার কাছে থাকলে আমি স্বপ্ন দেখতে পাই নতুন করে বাঁচার!ভাল কাজ করতে উৎসাহ পাই এখন তোমার কাছ থেকে আর ভাবি তুমিই আমার শত জনমের সাথী।
হতে পারে কথা গুলো কাব্যিক! কিন্তু এটাই এখন সত্য আমার কাছে
বলে ছিলাম এক দিন তাকে-
আমি তোমার জন্য পারবোনা আকাশের চাদ এনে দিতে
পারবোনা কবির কথার মত ছায়া হয়ে থাকতে
জানাতে পারবোনা তোমার সব কথার মানে
সত্যি বলছি পারবো না তোমার জন্য ছয় তলা থেকে এক লাফে নামতে
পকেটে টাকা না থাকলে ভিক্ষা করতে পারবো ভিক্ষুকের জন্য
কিন্তু তোমার জন্য নহে!
কিন্তু আমার আছে একটা সুন্দর মন
যা সব সময় তোমায় ভালবেসে
তোমার ভাল চেয়ে যেতে পারবে।
ভালবাসবে কি আমায়?
তুমি বলেছিলে শুধু,
হুম, ভালবাসি তোমায়
চাইনা কোন কাব্যিকতা ভালবাসায়।
হাতটি ধরে চললাম আমরা দিগন্তের দিকে...
-হ্যালো
-এই তুমি ফোন ধরছো না কেন? সেই কখন থেকে ফোন দিচ্ছি।
–ও তুমি!
সরি বললেও কাজ হবে না আজ কথার ঝাজ থেকেয় বুঝলাম।
-না মানে তুমি তো কখনো ফোন দাওয়া আমাকে এত সকালে তাই।
-হুম তাই তুমি আমার ফোন ধরবে না?
–সরি বেবি অনেক অনেক সরি আর হবে না।
তো এত সকালে কেন ফোন দিলে বলো?
রেনেসা বললো আমাকে অনেক নরম গলায়,আজ সেই দিন।
-কোন দিন বলো তো?
-তুমি ভুলে গেলে? আজ আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল।
-ও হে হে মনে পরেছে। তুমি পার্কের শেষ মোড়ে চলে আসো আমি আসছি এখনি।
ও আপনাদের তো রেনেসার কথা বলায় হয়নি। আমার অনেক ভাল বন্ধু,সুখ দুখের সাথী সবচেয়ে বড় কথা হল আমার মন। কারন আমি আমার মনটাকে তার মাঝে খুজে পেয়েছি। মেয়েটার মন অনেক বড়,মানসিকতা বিশাল। মাঝে মাঝেয় আমি হেরে যায় শুধু তার মনটার কাছে।
একটি ক্যম্পে গিয়েছিলাম সেবার সিলেটে। বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করার সুবাদে মাঝে মাঝেয় যায় আর কিভাবে দেশের দশের ভাল কিছু করা যায় তা নিয়ে কথা বলি আর পরিকল্পনা করি আমার মত অনেক তরুনদের নিয়ে। নিজের মনটাকে এখন এমন ভাবে গড়ে তুলেছি যেখানে মনটাকে কখনো দুখ আর রাগের বসবতি করা যায় না। চোখ খুজে ফেরে চারদিকে আমার মনের মত একটা মনের। প্রথম দিন পরিচয় পর্ব হল সবার সাথে। আর বুঝতে পারলাম দেশের তরুন প্রজন্ম অনেক সচেতন নিজের অধিকার নিয়ে। তারা এখন ভাবে দেশের ভাল নিজের না।
প্রথম দিন ক্যাম্পে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ হয়েছিল। অনেক ইতিবাচক কিছু কথা শেয়ার করলাম সবার সাথে। আমার ধ্যান ধারনা সর্ম্পকেও কিছু কথা বললাম। যখন ক্যাম্প পুরোপুরি শুরু হল তখন একটা বিষয় খেয়াল করলাম,একটি মেয়ে এত সুন্দর সুন্দর প্রশ্ন করছে,মতামত দিচ্ছে আর ইতিবাচক ভাবে সবার মতামত নিচ্ছে। অনেক ভাল লাগল বিষয়টি।কারন আজকালকের মেয়েরা নাকি দেশ বা মানুষ নিয়ে ভাবে না এমনটা অনেকেয় বলতো! তাদের কথা যে ভুল সেটা বুঝতে পারলাম।
-হ্যালো ভাইয়া আপনার সাথে কি কথা বলতে পারি?
–জি বলুন, আমার নাম রওনক।আপনি?
-আমি রেনেসা। ১ম বর্ষে পড়ছি আইন বিষয় নিয়ে। ভাইয়া আপনার কাছ থেকে কিছু শিখতে আসলাম।
–হুম আমি ৩য় বর্ষ একই বিষয়।
আমি তো অবাক! বলে কি এই মেয়ে আমার কাছ থেকে কি শিখবে! আমি কি জানি সেটা তো আমি নিজেই জানিনা!
প্রথম কথা হয়ে ছিল রেনেসার সাথে। কেমন যেন একটু ভাল লাগা বা শান্তি শান্তি বোধ করলাম! নিজেও জানি না কেন,আজো বুঝিনি!
মানুষের মনটা যত বড় হবে সে মানুষ হিসাবে তত ভাল এটা সবাই জানি কিন্তু কয়জন হতে পারি! ঢাকায় চলে আসার ২ দিন পর হঠাৎ করে দেখি একটি মেয়ে রাস্তায় এক লোকের সাথে ঝগড়া করছে!
কি বিষয়?
একটা আহত পাখি রাস্তায় পরে ছিল সেটা একজন চাইছে হাসপাতালে নিতে আর এক ভদ্র লোক( অভদ্রই হবে মনে হয়) চাইছে বাসায় নিয়ে যেতে,তার ছেলের নাকি পাখি পালার শখ।
কাছে গিয়ে চিনতে পারলাম। হে রেনেসাই তো!
ওকে নিয়ে (সাথে পাখিটিও ছিল) গেলাম পশু হাসপাতালে।
-আপনি সামান্য পাখির জন্য রাস্তায় ঝগড়া করছিলেন কেন?
– আমি কষ্ট দেখতে পারি না। জানেন ইচ্ছে করছিল ওই লোককে এক লাথি দিয়ে… না থাক!
আর কোন কথায় বলতে পারি নি সেদিন দুইজনে।শুধু বলেছিলাম কাল লেকের ধারে আসবেন?
একটি বছর চলে গেল! এই না সে দিন প্রথম তোমায় আমি তুমি করে বলা শুরু করলম,তোমার হাতটি ধরে চলতে শুরু করলাম। আর দুইজনে মিলে দেশ,রাজনীতি নিয়ে নিয়মিত বিতর্ক, ঝগড়া শুরু করলাম!
আমরা নিজেদের নিয়ে ভাবছি না। যা হবার তা হবে সেটা সময় কথা বলবে। আমরা অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখছি এখন,যেখানে কোন মানুষ কষ্টে থাকবে না।
রেনেসাকে নিয়ে রাস্তায় হাটলে প্রতিদিন কোন না কোন সমস্যা হবেই! আর আমার পকেট খালি করে বাসায় ফিরি! আজ এই বাচ্চাটাকে টাকা দাও কাল ওই ছেলের জামাটা ছিড়া কিনে দাও। রিকসা ভাড়া দরকার হলে ৫ টাকার বেশি দাও!
আমি টাকা কই পাই? আমি কি চাকুরি করি, নাকি টাকার গাছ লাগিয়েছি!
যদিও চাকরি করার কোন ইচ্ছাই নেই আমার। কারন আমার কথা হচ্ছে আমি কেন অন্যের অফিসে চাকরি করবো! আমি অন্যকে আমার অফিসে চাকরি দিবো বলেয় মাঠে নেমেছি।
তাই এখন বাবা,বড় ভাই আর আপু-দুলাভাইকেই নিজের ব্যংক মনে করে চলছি।তারাও কিছু বলে না! কারন আমার মন মানসিকতা ভিন্ন এটা তারা বুঝে গেছে। সে যায় হোক-
লেকের ধারে বসে আছি ,রেনেসা নিশ্চয় আজ কাল শাড়ী পড়বে। কারন এটাই তার প্রিয় রং
-সে বলে যে রংটা সবচেয়ে বেশি অনুভব করতে পারি সেটাই তো প্রিয় হওয়া উচিত!
আমি অবশ্য দিনের ৮০% সময় কালোর উপরে বাস করি।
কিন্তু রেনেসার সাথে উনি কেন? ওর মা! অপমান নিশ্চয় আজকে মাথায় নিয়ে যেতে হবে!
রেনেসা অনেক বড় মনের মানুষ কিন্তু তার মা! আল্লাহ জানে কি আছে কপালে.আশে পাশে তাকিয়ে দেখলাম গুন্ডা-বাহিনী ভাড়া করা আছে কিনা! বলার সাথে সাথে ঝাপিয়ে পরবে আমার উপর!
কিন্তু আশেপাশে কেউ নেই দেখি!
-আসসালামু আলাইকুম সালাম আন্টি। কেমন আছেন?
–তাহলে তুমিই সেই বড় মনের দিল দরিয়া যে আমার কচি মেয়েটাকে ভালবাসে!
- জী,মানে জী আসলে আমি…জী
–পড়াশুনা শেষ করে নাকি চাকরি করবে না শুনলাম? তাহলে ওই যে চাকরি দিবে, সেটাই বা শুরু করছো না কেন?
যাক বাচলাম! মেয়ের মা তো দেখি মেয়ের চেয়েও ভাল মনের মানুষ। আর ভদ্র ও র্স্মাট।
-পড়াশুনা শেষ করে কাজে নেমে পরো আর তোমার বাবা-মাকে আমার সালাম দিবে।কারন আমার মেয়ের প্রতি আমার বিশ্বাস আছে সে খারাপ কাওকে ভালবাসবে না।
-জী আন্টি। ভাল থাকবেন। আর অবশ্যয় বলবো।
হার্ট বিট বেড়ে গিয়েছিল! সব ছেলেদের মনে হয় এমন হয়।ভালবাসি যাকে তাকে পাওয়ার জন্য না জানি আর কত শত বার হার্ট বিট বাড়বে!
-তুমি আমাকে বলবে না তোমার মা আসবেন সাথে? উহ যা ভয় পেয়েছিলাম!
–মজা করবো ভেবেছিলাম তাই বলিনি।
সত্যি রেনেসা তুমি পারও এমন ছেলেমানুষি করতে। এই কারনেয় তোমায় এত ভালবাসি আমি এত বেশি যা বলতে পারছি না।
রেনেসা দেখতে বার্বি পুতুলের মত। অনেক বেশি চন্ঞল কিন্তু দেখে বুঝার উপাই নেই! এক মাত্র তার সাথে মিশলেই বলা যাবে।অনেক মুক্ত মনের সব কথায় আমার সাথে শেয়ার করে আর তার কারনও বণর্ণা করে কেন বলছে!
তার যে গুনটা আকর্ষন করবে তা হল আবৃত্তী। এত সুন্দর আবৃত্তীর উচ্চারন আর কন্ঠ যা শুনলে মনে হবে… (বিশেষন দিতে পারছি না)
আমি দেখতে যেমনি আছি তার কাছে এটা নাকি কোন ব্যাপারই না! আমি খাট,দেখতেও তেমন আকষর্ণীয় না এই সব কথা বা ভাবনা নাকি তার মাথাতেও আসে না। সে নাকি আমার মনটাকে ভালবাসে আর আমর কাজকে।
রিকশা নিয়ে কখন যে আমরা হারিয়ে গেলাম কোলাহলের বাইরে টেরই পেলাম না।
-তোমার কাছে থাকলে আমি স্বপ্ন দেখতে পাই নতুন করে বাঁচার!ভাল কাজ করতে উৎসাহ পাই এখন তোমার কাছ থেকে আর ভাবি তুমিই আমার শত জনমের সাথী।
হতে পারে কথা গুলো কাব্যিক! কিন্তু এটাই এখন সত্য আমার কাছে
বলে ছিলাম এক দিন তাকে-
আমি তোমার জন্য পারবোনা আকাশের চাদ এনে দিতে
পারবোনা কবির কথার মত ছায়া হয়ে থাকতে
জানাতে পারবোনা তোমার সব কথার মানে
সত্যি বলছি পারবো না তোমার জন্য ছয় তলা থেকে এক লাফে নামতে
পকেটে টাকা না থাকলে ভিক্ষা করতে পারবো ভিক্ষুকের জন্য
কিন্তু তোমার জন্য নহে!
কিন্তু আমার আছে একটা সুন্দর মন
যা সব সময় তোমায় ভালবেসে
তোমার ভাল চেয়ে যেতে পারবে।
ভালবাসবে কি আমায়?
তুমি বলেছিলে শুধু,
হুম, ভালবাসি তোমায়
চাইনা কোন কাব্যিকতা ভালবাসায়।
হাতটি ধরে চললাম আমরা দিগন্তের দিকে...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন