আমার নাম মতিউর রহমান, ডাক নাম ফয়সাল। সেচ্ছাসেবি কাজ শুরু করি ৭ বছর বয়স থেকে কাব স্কাউটিং এর মাধ্যমে। জীবনকে অন্যরকম ভাবে তৈরি করার জন্য সেচ্ছাসেবি কাজের বিকল্প নেই। একই সাথে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মানুষের উপকার দুইটাই সম্ভব একমাত্র সেচ্ছাসেবি সংগঠনে কাজ করার মাধ্যমে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্কাউটিং এ অবদান, কার্যক্রম ও বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় সেচ্ছাসেবি ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ স্কাউটস এর সর্বোচ্চ এ্যাওয়ার্ড অর্জন করি ২০০৫ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ড.ইয়াজ উদ্দিন আহমেদ নিকট থেকে। যা জীবনে সামাজিক কাজে ও মানুষের জন্য কাজে আমাকে ভিষণভাবে অনুপ্রাণিত করে।
সামাজিক সংগঠনে তরুণদের একত্ব করে মানুষ ও দেশের জন্য কাজ করার মধ্যে যে ভাল লাগা তা অন্য কোন কাজে আপনি পাবেন না। বিভিন্ন দেশি বিদেশি সেচ্ছাসেবি সামাজিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানে কাজ করার
সুবাদে নিজের মানসিকতা, দক্ষতা, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা আমার জীবন চলার পথে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। যে কোন পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে শিক্ষা দিয়েছে আমার স্কাউটিং জীবন, যেকোন স্থানে নিজেকে উপস্থাপন করতে শিক্ষা দিয়েছে বিভিন্ন সেচ্ছাসেবি সংগঠনের আয়োজন। এছাড়াও মানুষকে ভালবাসতে, মানবতার জন্য কাজ করতে যে শিক্ষা প্রকৃতি থেকে পেয়েছি তাও বিভিন্ন সংগঠনে কাজের ফল। বলা হয়ে থাকে, জীবে প্রেম করে যে জন, সে জন সেবিছে ইশ^র। আমার মতে এই প্রেম সফল হবে সেচ্ছাসেবি কাজের মাধ্যমে। নিঃস্বা¯থ ভাবে মানুষ, মানবতা ও দেশের প্রতি কাজের মাধ্যমে।
নিজের তৈরি সংগঠনগুলো সন্তানের মতন, এদের লালন পালন করে যোগ্য করে তোলার মধ্যেই একজন সংগঠকের জীবন বেঁচে থাকে। এমনও হয়েছে যে, একটি সংগঠনের যাত্রা শুরু করেছিলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধে গিয়ে। স¥ৃতিসৌধের সামনে হৃদয়ে হাত রেখে যখন দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করার শপথ নিচ্ছিলাম আমরা ১১ জন সংগঠক তাদের সবার মনে একটিই প্রত্যয় ছিল যা দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। কোন ভন্ডামি নয়, সম্পুর্ণ জ্ঞাতসারে সচেতন ভাবে দেশের জন্য কিছু করার ব্রত নিয়ে শপথ। যেখানে রাজনীতিবিদরা অপেক্ষা করে ক্ষমতায় গিয়ে দেশ বদলে দেওয়ার সেখানে একজন সংগঠক প্রতিদিন তার কাজের মাধ্যমে দেশটাকে বদলে দিচ্ছে।
২০০৮ সাল থেকে প্রতি ঈদে পথশিশু বা পথকলি এবং বৃদ্ধ অসহায় নারী পুরুষকে আমরা নতুন কাপর বিতরণ করে আসছি। এখন দেখলে ভাল লাগে যে, দেশের প্রতিটি এলাকার তরুণ সংগঠকরা এ ধরনের আয়োজন করে থাকেন। আমরা বলতেই পারি বাংলাদেশের কোন শিশু নতুন জামা ছাড়া ঈদ করবে না আর। এটি প্রকাশ করতে গর্ব বোধ করি যে আমার নেতৃত্বে ঢাকার রাস্তায় সেচ্ছাসেবকরা রাতব্যপী অসহায় শিশু, রাস্তার শিশু, বয়স্কদের চুপিচুপি নতুন পোষাক, শীতের কাপরসহ খাবার সামগ্রী বিতরণ করে নিজেরা আত্মতৃপ্তি ও ভালবাসায় ভাসত। যোগ্য লোকগুলোয় যেন পায় তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের এই ধরনের নিশিভ্রমন ছিল ঈদের আগে বা তীব্র শীতের রাতে। এ এক অন্যরকম ভাল লাগা।
সেচ্ছাসেবা যখন রক্তে মিশে যায় তখন বাবার কথাও বলতে হয় যিনি ২০ বছর বয়সে নিজ গ্রামের তরুণদের একত্র করে গড়ে তুলেছিলেন একতা যুব সংঘ। যার কল্যানে একটি গ্রাম ও তার চারপাশের চেহারায় বদলে গিয়েছিল। অজপাড়া গায়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা, বাজার প্রতিষ্ঠা, মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করা, মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকার জন্য যে সংগঠনটি তখন গড়ে উঠেছিল তার অস্থিত্ব এখন না থাকলেও তার আদর্শ এখনও বলিয়ান।
সামাজিক সংগঠন করে কি পেয়েছি তা কখনও ভাবিনি, কি দিতে পারছি আমার মানুষদের আমার দেশকে তাই বড় বিষয়। ভাবতে ভাল লাগে আমার প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি সংগঠনের কয়েকশ সেচ্ছাসেবক বিশ^াস করে স্বপ্ন দেখে দেশটিকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে যেখানে প্রকৃত স্বাধীনতার প্রত্যাশায় কাজ করে মানুষের জন্য দেশের জন্য।
পথশিশু, অসহায় এতিম ও শিশু শ্রমিকদের জন্য কাজ করে চলছে দীপ্ত শিখা ফাউন্ডেশন। স্কাউটিং সম্প্রসারণ ও যোগ্য নাগরিক তৈরিতে কাজ করছে স্কাউটার রফিকুল ইসলাম ওপেন স্কাউট গ্রুপ, সাধারণ মানুষকে আইন জানাতে সচেতন করতে কাজ করছে আইন শিক্ষা কেন্দ্র।
পেশাগত জীবনে নিজের পেশার বা কাজের মাধ্যমে কিভাবে মানুষকে সহযোগিতা করা যায় তা চিন্তা করে শুরু করেছিলাম আইন শিক্ষা কেন্দ্রের কাজ। যার মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে সাধারণ আইন বিষয়ে জানানো, আইনী অধিকার ও নাগরিক কর্তব্য বিষয়ে জানাচ্ছি। গ্রামে আইন বিষয়ক ভ্রাম্যমান পরামর্শ কেন্দ্রের মাধ্যমে আইনী সেবা প্রদান, স্কুল কলেজে মানবাধিকার ও সাধারণ আইন শিক্ষা, বিভিন্ন সভা বা অনুষ্ঠানে সাধারণ আইন কানুন জানানো কাজ করে চলছি নিয়মিত। এর মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে মানুষ।
আলাদা ভাবে ’ময়মনসিংহ ক্লিন’ পরিচ্ছন্নতার বিষয়ক অভ্যাস পরিবর্তনের আন্দোলনের কথা বলতেই হয়। নিজ শহর, নিজ জেলা বা এলাকার প্রতি টান সবাই আছে। যার কারনে ঢাকা ছেড়ে ময়মনসিংহে স্থায়ী ভাবে পূনরায় বসবাস করা শুরু করতে এ শহরের অপরিকল্পিত নগরায়ন, রাস্তাসহ সর্বত্র ময়লা আবর্জন দেখে নিজের ভিতরে রাগ করত, রাস্তায় বের হলেও রাগ লাগত এত অব্যবস্থার জন্য। যার কারনে ময়মনসিংহ ক্লিনের যাত্রা শুরু হয়। আমি এই কাজে ময়মনসিংহের তরুণ সংগঠকদের যে পরিমান সাড়া পেয়েছি তা অভূতপূর্ব। এ শহরকে ভালবেসে কয়েকশ তরুণ নিয়মিত শহর পরিষ্কার করতে নামছে এটি অবশ্যই অনেক বড় ঘটনা। পাশাপাশি যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলতে সচেতনতামূলক কাজ করে চলছে এই টিম। দৃশ্যমান অনেক পরিবর্তন এ শহরে করেছে এ তারুণ্য নির্ভর সংগঠনটি।
দেশ বদলের স¦প্ন দেখা তরুণরা কখনও বিফল হতে পারে না। নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি, নিজেকে দেশের জন্য সম্পদে পরিণত করা, মানুষের জন্য মানুষ হয়ে কাজ করার মধ্যে যে আনন্দ তা অন্য কোথাও নেই। এ দেশের সবচাইতে বড় সম্পদ এ দেশের হাজারও তরুণ সামাজিক সংগঠক যারা নিব্রিতে নিরবে দেশটাকে সোনার বাংলায় পরিণত করে চলছে।
সামাজিক সংগঠনে তরুণদের একত্ব করে মানুষ ও দেশের জন্য কাজ করার মধ্যে যে ভাল লাগা তা অন্য কোন কাজে আপনি পাবেন না। বিভিন্ন দেশি বিদেশি সেচ্ছাসেবি সামাজিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানে কাজ করার
সুবাদে নিজের মানসিকতা, দক্ষতা, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা আমার জীবন চলার পথে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। যে কোন পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে শিক্ষা দিয়েছে আমার স্কাউটিং জীবন, যেকোন স্থানে নিজেকে উপস্থাপন করতে শিক্ষা দিয়েছে বিভিন্ন সেচ্ছাসেবি সংগঠনের আয়োজন। এছাড়াও মানুষকে ভালবাসতে, মানবতার জন্য কাজ করতে যে শিক্ষা প্রকৃতি থেকে পেয়েছি তাও বিভিন্ন সংগঠনে কাজের ফল। বলা হয়ে থাকে, জীবে প্রেম করে যে জন, সে জন সেবিছে ইশ^র। আমার মতে এই প্রেম সফল হবে সেচ্ছাসেবি কাজের মাধ্যমে। নিঃস্বা¯থ ভাবে মানুষ, মানবতা ও দেশের প্রতি কাজের মাধ্যমে।
নিজের তৈরি সংগঠনগুলো সন্তানের মতন, এদের লালন পালন করে যোগ্য করে তোলার মধ্যেই একজন সংগঠকের জীবন বেঁচে থাকে। এমনও হয়েছে যে, একটি সংগঠনের যাত্রা শুরু করেছিলাম মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধে গিয়ে। স¥ৃতিসৌধের সামনে হৃদয়ে হাত রেখে যখন দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করার শপথ নিচ্ছিলাম আমরা ১১ জন সংগঠক তাদের সবার মনে একটিই প্রত্যয় ছিল যা দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। কোন ভন্ডামি নয়, সম্পুর্ণ জ্ঞাতসারে সচেতন ভাবে দেশের জন্য কিছু করার ব্রত নিয়ে শপথ। যেখানে রাজনীতিবিদরা অপেক্ষা করে ক্ষমতায় গিয়ে দেশ বদলে দেওয়ার সেখানে একজন সংগঠক প্রতিদিন তার কাজের মাধ্যমে দেশটাকে বদলে দিচ্ছে।
২০০৮ সাল থেকে প্রতি ঈদে পথশিশু বা পথকলি এবং বৃদ্ধ অসহায় নারী পুরুষকে আমরা নতুন কাপর বিতরণ করে আসছি। এখন দেখলে ভাল লাগে যে, দেশের প্রতিটি এলাকার তরুণ সংগঠকরা এ ধরনের আয়োজন করে থাকেন। আমরা বলতেই পারি বাংলাদেশের কোন শিশু নতুন জামা ছাড়া ঈদ করবে না আর। এটি প্রকাশ করতে গর্ব বোধ করি যে আমার নেতৃত্বে ঢাকার রাস্তায় সেচ্ছাসেবকরা রাতব্যপী অসহায় শিশু, রাস্তার শিশু, বয়স্কদের চুপিচুপি নতুন পোষাক, শীতের কাপরসহ খাবার সামগ্রী বিতরণ করে নিজেরা আত্মতৃপ্তি ও ভালবাসায় ভাসত। যোগ্য লোকগুলোয় যেন পায় তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের এই ধরনের নিশিভ্রমন ছিল ঈদের আগে বা তীব্র শীতের রাতে। এ এক অন্যরকম ভাল লাগা।
সেচ্ছাসেবা যখন রক্তে মিশে যায় তখন বাবার কথাও বলতে হয় যিনি ২০ বছর বয়সে নিজ গ্রামের তরুণদের একত্র করে গড়ে তুলেছিলেন একতা যুব সংঘ। যার কল্যানে একটি গ্রাম ও তার চারপাশের চেহারায় বদলে গিয়েছিল। অজপাড়া গায়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা, বাজার প্রতিষ্ঠা, মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতা করা, মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকার জন্য যে সংগঠনটি তখন গড়ে উঠেছিল তার অস্থিত্ব এখন না থাকলেও তার আদর্শ এখনও বলিয়ান।
সামাজিক সংগঠন করে কি পেয়েছি তা কখনও ভাবিনি, কি দিতে পারছি আমার মানুষদের আমার দেশকে তাই বড় বিষয়। ভাবতে ভাল লাগে আমার প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি সংগঠনের কয়েকশ সেচ্ছাসেবক বিশ^াস করে স্বপ্ন দেখে দেশটিকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে যেখানে প্রকৃত স্বাধীনতার প্রত্যাশায় কাজ করে মানুষের জন্য দেশের জন্য।
পথশিশু, অসহায় এতিম ও শিশু শ্রমিকদের জন্য কাজ করে চলছে দীপ্ত শিখা ফাউন্ডেশন। স্কাউটিং সম্প্রসারণ ও যোগ্য নাগরিক তৈরিতে কাজ করছে স্কাউটার রফিকুল ইসলাম ওপেন স্কাউট গ্রুপ, সাধারণ মানুষকে আইন জানাতে সচেতন করতে কাজ করছে আইন শিক্ষা কেন্দ্র।
পেশাগত জীবনে নিজের পেশার বা কাজের মাধ্যমে কিভাবে মানুষকে সহযোগিতা করা যায় তা চিন্তা করে শুরু করেছিলাম আইন শিক্ষা কেন্দ্রের কাজ। যার মাধ্যমে গ্রামের মানুষকে সাধারণ আইন বিষয়ে জানানো, আইনী অধিকার ও নাগরিক কর্তব্য বিষয়ে জানাচ্ছি। গ্রামে আইন বিষয়ক ভ্রাম্যমান পরামর্শ কেন্দ্রের মাধ্যমে আইনী সেবা প্রদান, স্কুল কলেজে মানবাধিকার ও সাধারণ আইন শিক্ষা, বিভিন্ন সভা বা অনুষ্ঠানে সাধারণ আইন কানুন জানানো কাজ করে চলছি নিয়মিত। এর মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছে মানুষ।
আলাদা ভাবে ’ময়মনসিংহ ক্লিন’ পরিচ্ছন্নতার বিষয়ক অভ্যাস পরিবর্তনের আন্দোলনের কথা বলতেই হয়। নিজ শহর, নিজ জেলা বা এলাকার প্রতি টান সবাই আছে। যার কারনে ঢাকা ছেড়ে ময়মনসিংহে স্থায়ী ভাবে পূনরায় বসবাস করা শুরু করতে এ শহরের অপরিকল্পিত নগরায়ন, রাস্তাসহ সর্বত্র ময়লা আবর্জন দেখে নিজের ভিতরে রাগ করত, রাস্তায় বের হলেও রাগ লাগত এত অব্যবস্থার জন্য। যার কারনে ময়মনসিংহ ক্লিনের যাত্রা শুরু হয়। আমি এই কাজে ময়মনসিংহের তরুণ সংগঠকদের যে পরিমান সাড়া পেয়েছি তা অভূতপূর্ব। এ শহরকে ভালবেসে কয়েকশ তরুণ নিয়মিত শহর পরিষ্কার করতে নামছে এটি অবশ্যই অনেক বড় ঘটনা। পাশাপাশি যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলতে সচেতনতামূলক কাজ করে চলছে এই টিম। দৃশ্যমান অনেক পরিবর্তন এ শহরে করেছে এ তারুণ্য নির্ভর সংগঠনটি।
দেশ বদলের স¦প্ন দেখা তরুণরা কখনও বিফল হতে পারে না। নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি, নিজেকে দেশের জন্য সম্পদে পরিণত করা, মানুষের জন্য মানুষ হয়ে কাজ করার মধ্যে যে আনন্দ তা অন্য কোথাও নেই। এ দেশের সবচাইতে বড় সম্পদ এ দেশের হাজারও তরুণ সামাজিক সংগঠক যারা নিব্রিতে নিরবে দেশটাকে সোনার বাংলায় পরিণত করে চলছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন