শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১১

সুন্দরীর টানে

সমুদ্র আমায় ডাক দিয়েছে আয় রে তুই আয়
সেই ডাকেতে আমিও খুশি জলদি দিলাম সায়।
মুগ্ধ আমি নয়ন জোড়ায় দেখে, সুন্দরীর হাতছানি
বিশাল সমুদ্র দেখে একা, আমার মনের হল মানহানী।

চট্রগ্রামের পানি লাগেনি তো ভালো
বরিশালের মেয়েরা আমার দুচোখ করলো আলো।
ভয়ে ভয়ে উঠেছিলাম লন্চে,ছিল এক বন্ধুর পরার্মশ
ও মোর মনু,হেই তো দেখি চারদিকে কত মনোরম দৃশ্য।



তাজা চা আর ঝরনার জল মিলিয়ে, এই সিলেট
সহসায় মনে হয় যেন, এক টুকরা বিলেত।
বন্ধুর নাম প্রিয়া, প্রিয়সী নয় আমার
আদর করে এত খাওয়ালো করে দিলাম সব সাবার।


নিশাচর আমি,বলছিনা আমিই বাঘ
সুন্দরবন দেখে খুলনা আমার মনে একেঁ দিল দাগ
সমুদ্র বন্দর আর খেজুরের রস সাথে মানুষের ভালবাসা
দেখে খেয়ে পেয়ে আবার আসব মনে রাখলাম আশা।

চাঁপাই নাকি অনেক জোড় খায় শুধু আম
রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগন্জ এবার চলে এলাম
স্বাগতম জানালো নানা-আহো হামাদের এই শহরে নাতিহে
নাতি বলল-দিবো রাজশাহীর সিল্ক ঘুরাবো ঘোড়ার গাড়ীতে হে।

ক্লান্ত মন শরীরে এলাম ফিরে ঢাকা
লোক মুখে শুনেছি এখানেই নাকি দেশের চাকা।
ঢাকার মেয়েরা চিনে বেশি টাকা
বিয়ের পর শুধু স্বামীর পকেট করে ফাঁকা!

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন