৪৭৫৭০ বর্গ কিলোমিটারের এই দেশে জনসংখ্যা কত?
কত জন নারী?
কত জন পুরুষ?
সাম্প্রতিক আদম শুমারীর রির্পোট প্রকাশ করা হয়েছে-যেখানে দেশের জনসংখ্যা নিম্নরুপbr /> ২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৪ কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার।এর মধ্যে পুরুষ ৭ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার। নারীর সংখ্যা ৭ কোটি ১০ লাখ ৬৪ হাজার।
পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১০০.৩:১০০। অর্থাৎ ১০০ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ১০০ দশমিক ৩ জন।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৯৬৪ জন।
অবাক হলেন! দাড়ান আপনাকে আর একটু অবাক করে দেয়-
২০ অক্টোবর জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ‘বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি প্রতিবেদন ২০১০’-এর তথ্য-জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৪ লাখ ২৫ হাজার।
জুলাই,২০১০ আমেরিকার সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্ট বুকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ১৫ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৮৮৩ জন!
এই দুইটি থেকে জনসংখ্যার ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৮৩ লাখ ৭৮ হাজার ১১৭ জন!
বর্তমান= ১৪২৩১৯০০০
জাতিসংঘ=১৬৪৪২৫০০০
-------------------------------
==== -২২১০৬০০০
মানে এখানে ২কোটি ২১ লাখ ৬ হাজার লোক কম !
এর আগে ২০০৮ সালে বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দেখানো হয়েছে ১৬ কোটি। আবার ২০০৭ সালে সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্ট বুকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দেখানো হয়েছে ১৫ কোটি। একই বছর (২০০৭) জাতিসংঘ এই সংখ্যা দেখানো হয় ১৫ কোটি ৯০ লাখ। একইভাবে ২০০৬ সালে ইউএনএফপিএর পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিলো ১৪ কোটি ৪০ লাখ, কিন্তু সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্ট বুকে ছিলো ১৪ কোটি ৭০ লাখ। এ ছাড়া ২০০৫ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা সম্পর্কে ইন্টারন্যাশনাল পপুলেশন রেফারেন্স ব্যুরো এবং আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের পৃথক পরিসংখ্যানে ছিলো ১৪ কোটি ৪০ লাখ। অন্যদিকে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগের পরিসংখ্যানে ছিলো ১৪ কোটি ২০ লাখ। ইউএনএফপিএ ২০০৬ সালের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৪০ লাখ দেখানো হলেও এই সংখ্যাটি ২০০৩ সালে বাংলাদেশের এই জনসংখ্যা দেখিয়েছিলো ১৫ কোটি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুসারে,
২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ওই সময় দেশের মোট জনসংখ্যা ছিলো ১২ কোটি ৯০ লাখ। এর আগের আদমশুমারিতে ১৯৯১ সালে ছিলো ১১ কোটি ২০ লাখ।
বর্তমান,১৪ কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার!
১০ বছরে সরকারী হিসাব মতে মাত্র ১ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার জন বৃদ্ধি পেয়েছে!
যদি সত্যিকার অর্থেই দেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি থাকতো তাহলে এটা জাতি হিসাবে আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন হিসাবেই চিন্হিত হত। কিন্তু এটা কিভাবে বিশ্বাস যোগ্য! যেখানে আমি আমার চোখের সামনেই হাজার খানিক লোক বের করতে পারবো যারা আদম শুমারীর গণনার বাইরে রয়েছে!
এখন আমার কথা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিসংখ্যান নিয়ে এমন অভিনব উদ্বট তথ্য কেন?
২০১১ সালের আদম শুমারী রির্পোটে গোলমাল হচ্ছে এটা আগেই সরকারের কাছে বিভিন্ন ভাবে বলা হয়েছিল। এই আদম শুমারী রির্পোট ভুলে ভরা, দেশের অনেক লোক এই শুমারীর বাইরে রয়ে গেছে এটা আবার প্রমাণীত হল।বিদেশে সংস্থা গুলো কিসের মান দন্ডে গণনা করে আর আমাদের দেশের আদম শুমারীই বা কিভাবে করা হল!
যার কারনে এমন রির্পোট বের হল যা বিশ্বাস যোগ্য নয়।
কত জন নারী?
কত জন পুরুষ?
সাম্প্রতিক আদম শুমারীর রির্পোট প্রকাশ করা হয়েছে-যেখানে দেশের জনসংখ্যা নিম্নরুপbr /> ২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৪ কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার।এর মধ্যে পুরুষ ৭ কোটি ১২ লাখ ৫৫ হাজার। নারীর সংখ্যা ৭ কোটি ১০ লাখ ৬৪ হাজার।
পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১০০.৩:১০০। অর্থাৎ ১০০ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ১০০ দশমিক ৩ জন।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৯৬৪ জন।
অবাক হলেন! দাড়ান আপনাকে আর একটু অবাক করে দেয়-
২০ অক্টোবর জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ‘বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি প্রতিবেদন ২০১০’-এর তথ্য-জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৪৪ লাখ ২৫ হাজার।
জুলাই,২০১০ আমেরিকার সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্ট বুকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে ১৫ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ৮৮৩ জন!
এই দুইটি থেকে জনসংখ্যার ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৮৩ লাখ ৭৮ হাজার ১১৭ জন!
বর্তমান= ১৪২৩১৯০০০
জাতিসংঘ=১৬৪৪২৫০০০
-------------------------------
==== -২২১০৬০০০
মানে এখানে ২কোটি ২১ লাখ ৬ হাজার লোক কম !
এর আগে ২০০৮ সালে বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দেখানো হয়েছে ১৬ কোটি। আবার ২০০৭ সালে সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্ট বুকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা দেখানো হয়েছে ১৫ কোটি। একই বছর (২০০৭) জাতিসংঘ এই সংখ্যা দেখানো হয় ১৫ কোটি ৯০ লাখ। একইভাবে ২০০৬ সালে ইউএনএফপিএর পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিলো ১৪ কোটি ৪০ লাখ, কিন্তু সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্ট বুকে ছিলো ১৪ কোটি ৭০ লাখ। এ ছাড়া ২০০৫ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা সম্পর্কে ইন্টারন্যাশনাল পপুলেশন রেফারেন্স ব্যুরো এবং আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের পৃথক পরিসংখ্যানে ছিলো ১৪ কোটি ৪০ লাখ। অন্যদিকে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগের পরিসংখ্যানে ছিলো ১৪ কোটি ২০ লাখ। ইউএনএফপিএ ২০০৬ সালের পরিসংখ্যানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি ৪০ লাখ দেখানো হলেও এই সংখ্যাটি ২০০৩ সালে বাংলাদেশের এই জনসংখ্যা দেখিয়েছিলো ১৫ কোটি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুসারে,
২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ওই সময় দেশের মোট জনসংখ্যা ছিলো ১২ কোটি ৯০ লাখ। এর আগের আদমশুমারিতে ১৯৯১ সালে ছিলো ১১ কোটি ২০ লাখ।
বর্তমান,১৪ কোটি ২৩ লাখ ১৯ হাজার!
১০ বছরে সরকারী হিসাব মতে মাত্র ১ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার জন বৃদ্ধি পেয়েছে!
যদি সত্যিকার অর্থেই দেশের জনসংখ্যা ১৪ কোটি থাকতো তাহলে এটা জাতি হিসাবে আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন হিসাবেই চিন্হিত হত। কিন্তু এটা কিভাবে বিশ্বাস যোগ্য! যেখানে আমি আমার চোখের সামনেই হাজার খানিক লোক বের করতে পারবো যারা আদম শুমারীর গণনার বাইরে রয়েছে!
এখন আমার কথা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিসংখ্যান নিয়ে এমন অভিনব উদ্বট তথ্য কেন?
২০১১ সালের আদম শুমারী রির্পোটে গোলমাল হচ্ছে এটা আগেই সরকারের কাছে বিভিন্ন ভাবে বলা হয়েছিল। এই আদম শুমারী রির্পোট ভুলে ভরা, দেশের অনেক লোক এই শুমারীর বাইরে রয়ে গেছে এটা আবার প্রমাণীত হল।বিদেশে সংস্থা গুলো কিসের মান দন্ডে গণনা করে আর আমাদের দেশের আদম শুমারীই বা কিভাবে করা হল!
যার কারনে এমন রির্পোট বের হল যা বিশ্বাস যোগ্য নয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন